
আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস (হার্ডকভার)
বইটি শুধু ইতিহাস নয়; বরং ভূরাজনীতি, সামাজিক পরিবর্তন, ধর্মীয় পরিচয়, জাতীয়তাবাদ ও বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব—এসব বিষয়ও সুগভীরভাবে ব্যাখ্যা করে।
বইটি শুধু ইতিহাস নয়; বরং ভূরাজনীতি, সামাজিক পরিবর্তন, ধর্মীয় পরিচয়, জাতীয়তাবাদ ও বৈশ্বিক শক্তির প্...see more
Related Products

বায়তুল মাকদিস ও ফিলিস্তিনের ইতিহাস (হার্ডকভার)

তুর্কিস্তানের রক্তাক্ত ইতিহাস (হার্ডকভার)
শুধু ইতিহাস নয়; বরং নিপীড়িত মানুষের অধিকারের প্রতি সচেতনতা জাগানোর একটি শক্তিশালী দলিল।

আফগানিস্তানের ইতিহাস (তিন খণ্ড) (হার্ডকভার)

আমার সারাদিন সিরিজ : ১-২
হোসাইন-এ-তানভীর

কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ (পেপারব্যাক)
বইটির প্রতিটি অধ্যায় কুরআনের আয়াত থেকে সরাসরি শিক্ষা তুলে ধরে, এবং সেই শিক্ষাগুলো কীভাবে জীবন, চরিত্র, আচরণ, পরিবার, সমাজ ও ঈমানের বাস্তব চর্চায় প্রয়োগ করা যায়—তার পরিষ্কার ও ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা দেয়।

চার বন্ধুর সমুদ্র অভিযান (পেপারব্যাক)

ইতিহাসের ছিন্নপত্র - প্রথম খণ্ড (হার্ডকভার)
কায় কাউস
[লুকিয়ে ফেলা ইতিহাসের সংকলন : ওপনিবেশিক শাসন

ইতিহাসের আলোছায়া (হার্ডকভার)
জিয়াউল হক
[বিস্মৃত, উপেক্ষিত ও অবহলিত ইতিহাসের সন্ধানে]
মহান আল্লাহ কিছু মানুষকে নেতৃত্বের অসাধারণ যোগ্যতা দিয়ে সৃষ্টি করেন। সেই যোগ্যতার মাধ্যমে তাঁরা মানবহৃদয়ে লুকিয়ে থাকা জ্বলনোন্মুখ অঙ্গারকে মুহূর্তেই স্ফুলিঙ্গে পরিণত করতে পারেন। সুপ্ত চেতনাকে আন্দোলনে রূপ দিতে পারেন; যা দ্বারা একটি সফল বিপ্লব সাধিত হয়। হ্যাঁ, আন্দোলন-সংগ্রামে অনেকের উপস্থিতি থাকে; কিন্তু আন্দোলনের জন্য তাদের কে উদ্ বুদ্ধ করল? কে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাল? উম্মাহর জন্য নিজের ধনসম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা কে তৈরি করল? আরও এগিয়ে বলতে হবে-অনুসৃত রাস্তা তাদের কে দেখাল? তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য কে স্থির করে দিলো? উপর্যুক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার চেষ্টা করা হলে অবশ্যই এমন এক মহান ব্যক্তির কথা বলতে হবে, যাঁর মধ্যে এসব গুণ সৃষ্টিগতভাবে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। যাঁর আত্মপ্রকাশ মানুষের সৌভাগ্য বিবেচিত হয়। আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁর উপস্থিতি সফলতার দ্বার উন্মোচন করে। তুরস্কের রাজনীতির ইতিহাসে নানা বাঁকবদল ঘটেছে সময়ে সময়ে। উসমানি খিলাফতের গোড়াপত্তনকারী উসমান ইবনু এরতুগরুল থেকে শুরু করে শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মাজিদ পর্যন্ত তুরস্ক যে চড়াই-উতরাই প্রত্যক্ষ করেছে, সে ইতিহাস পৃথিবীর মানচিত্রে সত্যিই বিরল। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থ সেই ইতিহাসের দ্বিতীয় পর্ব-আতাতুর্ক থেকে শুরু করে এরদোগানের রাজনীতি নিয়ে লেখা। এ ছাড়া উসমানি খিলাফতের শেষ দিকের বেশ কিছু আলোচনা গ্রন্থটিতে স্থান পাওয়ায় আমরা এর নাম উসমানি খিলাফত থেকে এরদোগান: আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস রেখেছি।
ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books by this author →ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books →মহান আল্লাহ কিছু মানুষকে নেতৃত্বের অসাধারণ যোগ্যতা দিয়ে সৃষ্টি করেন। সেই যোগ্যতার মাধ্যমে তাঁরা মানবহৃদয়ে লুকিয়ে থাকা জ্বলনোন্মুখ অঙ্গারকে মুহূর্তেই স্ফুলিঙ্গে পরিণত করতে পারেন। সুপ্ত চেতনাকে আন্দোলনে রূপ দিতে পারেন; যা দ্বারা একটি সফল বিপ্লব সাধিত হয়। হ্যাঁ, আন্দোলন-সংগ্রামে অনেকের উপস্থিতি থাকে; কিন্তু আন্দোলনের জন্য তাদের কে উদ্ বুদ্ধ করল? কে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাল? উম্মাহর জন্য নিজের ধনসম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা কে তৈরি করল? আরও এগিয়ে বলতে হবে-অনুসৃত রাস্তা তাদের কে দেখাল? তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য কে স্থির করে দিলো? উপর্যুক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার চেষ্টা করা হলে অবশ্যই এমন এক মহান ব্যক্তির কথা বলতে হবে, যাঁর মধ্যে এসব গুণ সৃষ্টিগতভাবে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। যাঁর আত্মপ্রকাশ মানুষের সৌভাগ্য বিবেচিত হয়। আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁর উপস্থিতি সফলতার দ্বার উন্মোচন করে। তুরস্কের রাজনীতির ইতিহাসে নানা বাঁকবদল ঘটেছে সময়ে সময়ে। উসমানি খিলাফতের গোড়াপত্তনকারী উসমান ইবনু এরতুগরুল থেকে শুরু করে শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মাজিদ পর্যন্ত তুরস্ক যে চড়াই-উতরাই প্রত্যক্ষ করেছে, সে ইতিহাস পৃথিবীর মানচিত্রে সত্যিই বিরল। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থ সেই ইতিহাসের দ্বিতীয় পর্ব-আতাতুর্ক থেকে শুরু করে এরদোগানের রাজনীতি নিয়ে লেখা। এ ছাড়া উসমানি খিলাফতের শেষ দিকের বেশ কিছু আলোচনা গ্রন্থটিতে স্থান পাওয়ায় আমরা এর নাম উসমানি খিলাফত থেকে এরদোগান: আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস রেখেছি।

