
বানানচর্চা
Related Products
বাংলা বানান নিয়ে আমাদের সবার সমস্যা খুব প্রকট। ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে অফিসের কেরানি-বসসহ কেউই বাদ যায় না বানান-সমস্যা থেকে! এটা কি বানানেরই দোষ, নাকি আমাদের অজ্ঞতা—সেটাও ভুলে যাই আমরা মাঝেমধ্যে! যা হোক, এবার এইসব সমস্যা ও সমাধানকল্পে আপনার টেবিলে হাজির ‘বানানচর্চা’ নামক গ্রন্থটি! সহজে বলতে গেলে এটি ‘বাংলা বানান, প্রমিত উচ্চারণ ও ভাষারীতির গাইডবুক’। বইটির কাজ হচ্ছে হাতে-কলতে আপনাকে শুদ্ধ বানান ও উচ্চারণ শেখানো। বাংলাভাষার একটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, শুদ্ধ উচ্চারণ জানলে বানানভুল অনেকাংশে কমে যায়! প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক মাসুদ মজুমদারের অভিমত-সংবলিত এ বইটির ভূমিকা ও সম্পাদনার কাজ করেছেন প্রফেসর এস. এম. হারুন-উর-রশিদ। আর লেখক আমাদের সবার পরিচিতমুখ মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী! তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ও পরিশ্রম ভাষারীতির এ গাইডবুকটি অনেক সংস্করণের পর আবারও নতুন করে আপনার দোরগোড়ায়! বইটির শুরুতেই রয়েছে নির্ভুল বানান শেখার জরুরি কিছু পরামর্শ ও প্রস্তাব। উদাহরণত এসেছ, বাংলা বানান লেখার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উচ্চারণনির্ভর না হওয়া, শব্দকে হৃদয়ে অঙ্কিত করার কৌশল, অভিধান হাতড়ানোর সহজ তরিকা এবং ব্যাকরণসংক্রান্ত জরুরি কিছু বাতচিত। এরপর রয়েছে বর্ণপরিচিতি, মাত্রা ও মাত্রার ব্যবহার এবং বর্ণপ্রকরণ। অতঃপর যুক্তবর্ণ, যুক্তাক্ষর ও যুক্তব্যঞ্জনের স্বচ্ছ ও অসচ্ছরূপ নিয়ে মৌলিক আলোচনাগুলো করা হয়েছে। এরপর ধারাবাহিকভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার, ক্রিয়াপদের ব্যবহার এবং কিছু কঠিন বানানকে উপলক্ষ্য করে আমাদের রোজকার কিছু বানানের ভুলগুলো শুদ্ধ করার পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। আরবি, ফারসি বা উরদু—সর্বোপরি বিদেশি শব্দের যেকোনো বানান নিয়েই আমরা বিভ্রান্ত হই! প্রতিনিয়ত এসব শব্দের বানানের জন্য তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ভাষারীতি! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে এসবের বাংলা প্রতিবর্ণ নিয়েও খোলাসা আলাপ তোলা হয়েছে; পাশাপাশি কবি-সাহিত্যিকদের নামের বানান, পাঠ্যপুস্তকের বাংলা বানানের সমতাবিধান বানানরীতি, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি গৃহীত বানানবিধি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় গৃহীত বাংলা বানানের নিয়ম—এসব নিয়েও বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা; রাষ্ট্রভাষা। বাংলা পৃথিবীর বৃহত্তম ভাষাগুলোর অন্যতম। এর সম্মান ও মর্যাদাও পৃথিবীর অন্যান্য ভাষা থেকে কম নয়। দেশি-বিদেশি শব্দ নিয়ে এই ভাষা এখন আন্তর্জাতিক মর্যাদায় সমুন্নত। তবুও এর ব্যাকরণিক জটিলতা ও বানানরীতির তারতম্য অনেক। পৃথিবীর প্রতিটি ভাষারীতিই সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তনশীল! বাংলাও এর ব্যতিক্রম নয়! সেই বাংলাভাষা আদিকাল থেকে পরিবর্তন হতে হতে আমাদের মুখে এসে আজ একটি সহজিয়া মধুর ভাষায় পরিণত হয়েছে। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আরও অনেক পরিবর্তন আসবে বানানে, উচ্চারণে, ভাষারীতিতে! বর্তমান সময়ের ভাষারীতি, বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণের সঙ্গে থাকতে এই বইটি হতে পারে আপনার একান্ত সহযোগী। বইটি লেখা হয়েছে যাদের কথা ভেবে, তারা সবাই ভাষা শেখার নবীন ছাত্র। মাদরাসা ও মাধ্যমিক স্কুলের যারা শুদ্ধ বাংলায় পড়তে ও লিখতে চায় তাদের জন্য এ বই অতি অবশ্যই জরুরি পাঠ। বাদবাকি অন্যান্য মানুষ শিথানের পাশে বইটি রেখে দিয়ে মাঝেমধ্যে এক-আধটু ওল্টালেও কমে যাবে অনেক বানানভুল! বইটিতে পাঠকের জন্য বাড়তি রয়েছে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ শব্দের এক বৃহৎ তালিকা, যা কিনা আমাদের নিত্যব্যবহার্য শব্দেরই আয়োজনে সমৃদ্ধ! শুদ্ধ বাংলায় পড়তে ও লিখতে বাংলা বানান ও ভাষারীতির এই গাইডবুকখ্যাত চমৎকার বইটি আপনার টেবিলে সব সময় হাজির থাকুক।
বাংলা বানান নিয়ে আমাদের সবার সমস্যা খুব প্রকট। ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে অফিসের কেরানি-বসসহ কেউই বাদ যায় না বানান-সমস্যা থেকে! এটা কি বানানেরই দোষ, নাকি আমাদের অজ্ঞতা—সেটাও ভুলে যাই আমরা মাঝেমধ্যে! যা হোক, এবার এইসব সমস্যা ও সমাধানকল্পে আপনার টেবিলে হাজির ‘বানানচর্চা’ নামক গ্রন্থটি! সহজে বলতে গেলে এটি ‘বাংলা বানান, প্রমিত উচ্চারণ ও ভাষারীতির গাইডবুক’। বইটির কাজ হচ্ছে হাতে-কলতে আপনাকে শুদ্ধ বানান ও উচ্চারণ শেখানো। বাংলাভাষার একটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, শুদ্ধ উচ্চারণ জানলে বানানভুল অনেকাংশে কমে যায়! প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক মাসুদ মজুমদারের অভিমত-সংবলিত এ বইটির ভূমিকা ও সম্পাদনার কাজ করেছেন প্রফেসর এস. এম. হারুন-উর-রশিদ। আর লেখক আমাদের সবার পরিচিতমুখ মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী! তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ও পরিশ্রম ভাষারীতির এ গাইডবুকটি অনেক সংস্করণের পর আবারও নতুন করে আপনার দোরগোড়ায়! বইটির শুরুতেই রয়েছে নির্ভুল বানান শেখার জরুরি কিছু পরামর্শ ও প্রস্তাব। উদাহরণত এসেছ, বাংলা বানান লেখার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উচ্চারণনির্ভর না হওয়া, শব্দকে হৃদয়ে অঙ্কিত করার কৌশল, অভিধান হাতড়ানোর সহজ তরিকা এবং ব্যাকরণসংক্রান্ত জরুরি কিছু বাতচিত। এরপর রয়েছে বর্ণপরিচিতি, মাত্রা ও মাত্রার ব্যবহার এবং বর্ণপ্রকরণ। অতঃপর যুক্তবর্ণ, যুক্তাক্ষর ও যুক্তব্যঞ্জনের স্বচ্ছ ও অসচ্ছরূপ নিয়ে মৌলিক আলোচনাগুলো করা হয়েছে। এরপর ধারাবাহিকভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার, ক্রিয়াপদের ব্যবহার এবং কিছু কঠিন বানানকে উপলক্ষ্য করে আমাদের রোজকার কিছু বানানের ভুলগুলো শুদ্ধ করার পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। আরবি, ফারসি বা উরদু—সর্বোপরি বিদেশি শব্দের যেকোনো বানান নিয়েই আমরা বিভ্রান্ত হই! প্রতিনিয়ত এসব শব্দের বানানের জন্য তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ভাষারীতি! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে এসবের বাংলা প্রতিবর্ণ নিয়েও খোলাসা আলাপ তোলা হয়েছে; পাশাপাশি কবি-সাহিত্যিকদের নামের বানান, পাঠ্যপুস্তকের বাংলা বানানের সমতাবিধান বানানরীতি, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি গৃহীত বানানবিধি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় গৃহীত বাংলা বানানের নিয়ম—এসব নিয়েও বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা; রাষ্ট্রভাষা। বাংলা পৃথিবীর বৃহত্তম ভাষাগুলোর অন্যতম। এর সম্মান ও মর্যাদাও পৃথিবীর অন্যান্য ভাষা থেকে কম নয়। দেশি-বিদেশি শব্দ নিয়ে এই ভাষা এখন আন্তর্জাতিক মর্যাদায় সমুন্নত। তবুও এর ব্যাকরণিক জটিলতা ও বানানরীতির তারতম্য অনেক। পৃথিবীর প্রতিটি ভাষারীতিই সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তনশীল! বাংলাও এর ব্যতিক্রম নয়! সেই বাংলাভাষা আদিকাল থেকে পরিবর্তন হতে হতে আমাদের মুখে এসে আজ একটি সহজিয়া মধুর ভাষায় পরিণত হয়েছে। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আরও অনেক পরিবর্তন আসবে বানানে, উচ্চারণে, ভাষারীতিতে! বর্তমান সময়ের ভাষারীতি, বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণের সঙ্গে থাকতে এই বইটি হতে পারে আপনার একান্ত সহযোগী। বইটি লেখা হয়েছে যাদের কথা ভেবে, তারা সবাই ভাষা শেখার নবীন ছাত্র। মাদরাসা ও মাধ্যমিক স্কুলের যারা শুদ্ধ বাংলায় পড়তে ও লিখতে চায় তাদের জন্য এ বই অতি অবশ্যই জরুরি পাঠ। বাদবাকি অন্যান্য মানুষ শিথানের পাশে বইটি রেখে দিয়ে মাঝেমধ্যে এক-আধটু ওল্টালেও কমে যাবে অনেক বানানভুল! বইটিতে পাঠকের জন্য বাড়তি রয়েছে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ শব্দের এক বৃহৎ তালিকা, যা কিনা আমাদের নিত্যব্যবহার্য শব্দেরই আয়োজনে সমৃদ্ধ! শুদ্ধ বাংলায় পড়তে ও লিখতে বাংলা বানান ও ভাষারীতির এই গাইডবুকখ্যাত চমৎকার বইটি আপনার টেবিলে সব সময় হাজির থাকুক।









