
বিবাহ: আহকাম ও মাসায়েল (হার্ডকভার)
Related Products

ইসলামের অগ্রাধিকার নীতি (হার্ডকভার)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
[মুসলিম জিন্দেগিতে অগ্রাধিকার নির্ণয়ের মানদন্ড]

ইসলামের চোখে নারী (হার্ডকভার)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
[ইসলামের নারীর অবস্থান এবং বৃহত্তর সমাজে নারীর অংশগ্রহণের বিধান]

উসূলুল ঈমান -১ম খন্ড (হার্ডকভার)
ড. আহমদ আলী

জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম - ১,২,৩ খণ্ড বক্সসহ (হার্ডকভার)
বিয়ে মানবজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। একজন মানুষের বাস্তবতা ও দ্বীনের নীতির নিরিখে পূর্ণাঙ্গ হওয়ার যে অপশন, তা মূলত বিয়ের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। একদিকে সামাজিক বাস্তবতায় তার ম্যাচুরিটি, অন্যদিকে ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে তার দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করা—দুটো মিলিয়ে তার সামাজিক মর্যাদাও আগেকার থেকে ভিন্নতর হয়। এ তো গেল সামাজিক ও ধর্মীয় প্রসঙ্গ। এর বাইরে আরও জরুরি যেটি, তা হলো ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও উপলব্ধি। বয়ঃসন্ধির পর থেকে একজন মানুষ তীব্র শারীরিক চাহিদা এবং একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আত্মিক শূন্যতাও অনুভব করে। বিপরীত শরীরের একজন মানুষকে তার প্রতিমুহূর্তে প্রয়োজন মনে হয়। ইসলাম এই হালাল বাসনাকে সব সময় প্রায়োরিটি দেবার পাশাপাশি কিছু নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রতিজন মুসলিম নর ও নারীকে বিবাহের প্রতি প্রলুব্ধ করেছে, যেন তারা বিয়ের যে কার্যক্ষেত্র, তাতে ধর্মীয় বিধিরেখা মেনে সে কাজ সম্পর্ণ করে জীবনে কল্যাণের দিকে ধাবিত হতে পারে। এসবকে উপজীব্য করেই বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে হাজির হয়েছে একজন মুসলিম নর-নারীর বিবাহের সব খুঁটিনাটি! বিবাহের শুরু থেকে নিয়ে একেবারে শেষ পর্যন্ত যা যা হয়, বা হতে পারে, এর সামগ্রিক অবস্থা বর্ণনার পাশাপাশি ধর্মীয়ও পরিভাষারও বয়ান এই বই! মোট সাতটি পরিচ্ছেদে বইটিকে সাজানো হয়েছে। প্রথম পরিচ্ছেদে বিবাহ সম্পর্কীয় পরিভাষা নিয়ে আলাপ করা হয়েছে হাদিস ও কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী। উদাহারণত : খিতবা, ইজাব, মোহর ওলি ইত্যাদি। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ তুলে ধরা হয়েছে বিবাহের পরিচিতি, এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ফজিলত ও উপকারিতা। পাশাপাশি সন্তান বালেগ হওয়ার পর বাবা-মায়ের দায়িত্ব, বালেগ হওয়ার নিদর্শন কিংবা বিবাহের বয়সেরও ক্যালকুলেশন! অতঃপর বিবাহ সম্পাদনে দেরি না করার যে ইসলামি বয়ান, তাও তত্ত্ব ও যুক্তির আলোকে আলাপ করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে ইসলামের বিধান, যৌতুকপ্রথা, পাত্রী দেখতে যাওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা, বিবাহের শর্ত, সাক্ষীর সংখ্যা, সাক্ষীদের ধর্মীয় অবস্থান—এইসব! তৃতীয় পরিচ্ছেদে বিবাহ কাদের সাথে হালাল ও কাদের সাথে হারাম, তা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করা হয়েছে স্পষ্টভাবে! চতু্র্থ ও পঞ্চম পরিচ্ছেদে ওলির পরিচিতি, সে সংক্রান্ত মাসায়েল বর্ণনার সাথে সাথে পাত্র-পাত্রীর ধর্ম, বংশ, পেশা, দ্বীনদারির ব্যাপারে ইসলামের যে ভাষ্য, তা তুলে ধরা হয়েছে। অতঃপর বাকিসব পরিচ্ছেদে উকিল, মোহরানা, মোহরের বিধান, পরিমাণ এবং এ সংক্রান্ত যত বিষয় ধর্মের সাথে প্রাসঙ্গিক ও সাংঘর্ষিক, তার সব কিছু নিয়ে কথা বলা হয়েছে। শেষ পরিচ্ছেদ বিয়ে হওয়ার ও পরের মুহূর্তগুলোর জরুরি ও বাস্তবিক বিষয়গুলো নিয়ে। এতে প্রসঙ্গত উঠে এসেছে বিবাহের সময় ও স্থান, খুতবা ও মাসায়েল এবং বিয়ের মজলিসে যা যা হতে পারে, সেসবের সুন্নাহভিত্তিক বয়ান। পরিশিষ্টে স্বামী-স্ত্রীর অধিকার, একের অপরের প্রতি হক, পর্দার বিধান, সন্তান লালনপালন এবং মাসনা সুলাসা ও রুবাআ নিয়ে জরুরি কিছু কথাবার্তা। মোদ্দাকথা বিয়েকে ঘিরে মানবজীবনে যা যা ঘটতে পারে বা ঘটে, এর সারসংক্ষেপ তুলে ধরে ইসলামের নীতিমালা ও প্রায়োগিক সৌন্দর্যের বাস্তবতা যত্নের সাথে তুলে ধরা হয়েছে প্রতিটি পরিচ্ছেদে। মাওলানা জুবাইর আহমদ আশরাফ একজন গুণী লেখক। মনুষ্যজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিয়ে নিয়ে কুরআন ও হাদিসের স্পষ্ট টেক্সটে তিনি লিখেছেন—বিবাহ আহকাম ও মাসায়েল’, যাতে একটি বিয়ের সামগ্রিক খুঁটিনাটি সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিতভাবে ফুটে উঠেছে। বিবাহ করতে ইচ্ছুক প্রতিজন মুসলিম নরনারীর জন্য এ বই অপরিহার্য। এর বাইরে যারা বিবাহের মাসায়েল নিয়ে ইসলামের মৌলিক ভাষ্য ও নীতিমালাসংক্রান্ত সব কিছু জানতে চান, তাদের জন্যও এ বই মাস্টরিড। সহজ কথায় বইটিকে ইসলামি বিবাহ গাইড বলা চলে। বিবাহ নিয়ে লেখা বাংলাভাষার এ মৌলিক গ্রন্থটি পাঠকের জন্য একটি হিতকর পাঠের বিষয় হয়ে উঠুক।
বিয়ে মানবজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। একজন মানুষের বাস্তবতা ও দ্বীনের নীতির নিরিখে পূর্ণাঙ্গ হওয়ার যে অপশন, তা মূলত বিয়ের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। একদিকে সামাজিক বাস্তবতায় তার ম্যাচুরিটি, অন্যদিকে ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে তার দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করা—দুটো মিলিয়ে তার সামাজিক মর্যাদাও আগেকার থেকে ভিন্নতর হয়। এ তো গেল সামাজিক ও ধর্মীয় প্রসঙ্গ। এর বাইরে আরও জরুরি যেটি, তা হলো ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও উপলব্ধি। বয়ঃসন্ধির পর থেকে একজন মানুষ তীব্র শারীরিক চাহিদা এবং একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আত্মিক শূন্যতাও অনুভব করে। বিপরীত শরীরের একজন মানুষকে তার প্রতিমুহূর্তে প্রয়োজন মনে হয়। ইসলাম এই হালাল বাসনাকে সব সময় প্রায়োরিটি দেবার পাশাপাশি কিছু নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রতিজন মুসলিম নর ও নারীকে বিবাহের প্রতি প্রলুব্ধ করেছে, যেন তারা বিয়ের যে কার্যক্ষেত্র, তাতে ধর্মীয় বিধিরেখা মেনে সে কাজ সম্পর্ণ করে জীবনে কল্যাণের দিকে ধাবিত হতে পারে। এসবকে উপজীব্য করেই বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে হাজির হয়েছে একজন মুসলিম নর-নারীর বিবাহের সব খুঁটিনাটি! বিবাহের শুরু থেকে নিয়ে একেবারে শেষ পর্যন্ত যা যা হয়, বা হতে পারে, এর সামগ্রিক অবস্থা বর্ণনার পাশাপাশি ধর্মীয়ও পরিভাষারও বয়ান এই বই! মোট সাতটি পরিচ্ছেদে বইটিকে সাজানো হয়েছে। প্রথম পরিচ্ছেদে বিবাহ সম্পর্কীয় পরিভাষা নিয়ে আলাপ করা হয়েছে হাদিস ও কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী। উদাহারণত : খিতবা, ইজাব, মোহর ওলি ইত্যাদি। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ তুলে ধরা হয়েছে বিবাহের পরিচিতি, এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ফজিলত ও উপকারিতা। পাশাপাশি সন্তান বালেগ হওয়ার পর বাবা-মায়ের দায়িত্ব, বালেগ হওয়ার নিদর্শন কিংবা বিবাহের বয়সেরও ক্যালকুলেশন! অতঃপর বিবাহ সম্পাদনে দেরি না করার যে ইসলামি বয়ান, তাও তত্ত্ব ও যুক্তির আলোকে আলাপ করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে ইসলামের বিধান, যৌতুকপ্রথা, পাত্রী দেখতে যাওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা, বিবাহের শর্ত, সাক্ষীর সংখ্যা, সাক্ষীদের ধর্মীয় অবস্থান—এইসব! তৃতীয় পরিচ্ছেদে বিবাহ কাদের সাথে হালাল ও কাদের সাথে হারাম, তা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করা হয়েছে স্পষ্টভাবে! চতু্র্থ ও পঞ্চম পরিচ্ছেদে ওলির পরিচিতি, সে সংক্রান্ত মাসায়েল বর্ণনার সাথে সাথে পাত্র-পাত্রীর ধর্ম, বংশ, পেশা, দ্বীনদারির ব্যাপারে ইসলামের যে ভাষ্য, তা তুলে ধরা হয়েছে। অতঃপর বাকিসব পরিচ্ছেদে উকিল, মোহরানা, মোহরের বিধান, পরিমাণ এবং এ সংক্রান্ত যত বিষয় ধর্মের সাথে প্রাসঙ্গিক ও সাংঘর্ষিক, তার সব কিছু নিয়ে কথা বলা হয়েছে। শেষ পরিচ্ছেদ বিয়ে হওয়ার ও পরের মুহূর্তগুলোর জরুরি ও বাস্তবিক বিষয়গুলো নিয়ে। এতে প্রসঙ্গত উঠে এসেছে বিবাহের সময় ও স্থান, খুতবা ও মাসায়েল এবং বিয়ের মজলিসে যা যা হতে পারে, সেসবের সুন্নাহভিত্তিক বয়ান। পরিশিষ্টে স্বামী-স্ত্রীর অধিকার, একের অপরের প্রতি হক, পর্দার বিধান, সন্তান লালনপালন এবং মাসনা সুলাসা ও রুবাআ নিয়ে জরুরি কিছু কথাবার্তা। মোদ্দাকথা বিয়েকে ঘিরে মানবজীবনে যা যা ঘটতে পারে বা ঘটে, এর সারসংক্ষেপ তুলে ধরে ইসলামের নীতিমালা ও প্রায়োগিক সৌন্দর্যের বাস্তবতা যত্নের সাথে তুলে ধরা হয়েছে প্রতিটি পরিচ্ছেদে। মাওলানা জুবাইর আহমদ আশরাফ একজন গুণী লেখক। মনুষ্যজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিয়ে নিয়ে কুরআন ও হাদিসের স্পষ্ট টেক্সটে তিনি লিখেছেন—বিবাহ আহকাম ও মাসায়েল’, যাতে একটি বিয়ের সামগ্রিক খুঁটিনাটি সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিতভাবে ফুটে উঠেছে। বিবাহ করতে ইচ্ছুক প্রতিজন মুসলিম নরনারীর জন্য এ বই অপরিহার্য। এর বাইরে যারা বিবাহের মাসায়েল নিয়ে ইসলামের মৌলিক ভাষ্য ও নীতিমালাসংক্রান্ত সব কিছু জানতে চান, তাদের জন্যও এ বই মাস্টরিড। সহজ কথায় বইটিকে ইসলামি বিবাহ গাইড বলা চলে। বিবাহ নিয়ে লেখা বাংলাভাষার এ মৌলিক গ্রন্থটি পাঠকের জন্য একটি হিতকর পাঠের বিষয় হয়ে উঠুক।





