
বক্তা ও শ্রোতার পরিচয় (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সভা-সমিতিতে কথা বলার অভ্যাস ছিল। তবে তখন যাচাই-বাছাই করে বক্তব্য প্রদান করার অনুভূতি ছিল না। কর্মজীবনের শুরু থেকেই এ অনুভূতি জাগ্রত হয়। বিশেষ করে বক্তৃতা জগতে নেমে দেখি অধিকাংশ মুফাসসির ও বক্তা মিথ্যা তাফসীর ও মিথ্যা বক্তব্যের মাধ্যমে জনসাধারণকে আকৃষ্ট করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অপরদিকে সরলমনা মুসলিমগণ তাদের মিথ্যা বক্তব্য শ্রবণ করে সীমাহীন বিভ্রান্ত হচ্ছে। ফলে ইসলামের আদিরূপ তাদের কাছ থেকে ক্রমেই বিদায় নিচ্ছে। এহেন অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এই বইটিতে মিথ্যা বক্তব্য প্রদানকারী আলেমের পরিণতি ও তাদের সহযোগিতাকারী শ্রোতাদের পরিণাম সম্পর্কে আলোকপাতের পাশাপাশি সত্যিকারের বক্তা ও শ্রোতার পরিচয় কী হবে সে সম্পর্কেও আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। বইটি পাঠে সাধারণ মুসলিমরা উপকৃত হলেই আমাদের শ্রম সার্থক হবে বলে আমরা মনে করি। যারা বইটি প্রকাশে বিভিন্নভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন। সেই সাথে মুদ্রণ ত্রুটির জন্য আমরা সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। পরবর্তী সংস্করণে সুধী পাঠকদের নিকট সুপরামর্শ প্রাপ্তির আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আল্লাহ পাক আমাদের পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী জীবন যাপনের তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books by this author →আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books →ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সভা-সমিতিতে কথা বলার অভ্যাস ছিল। তবে তখন যাচাই-বাছাই করে বক্তব্য প্রদান করার অনুভূতি ছিল না। কর্মজীবনের শুরু থেকেই এ অনুভূতি জাগ্রত হয়। বিশেষ করে বক্তৃতা জগতে নেমে দেখি অধিকাংশ মুফাসসির ও বক্তা মিথ্যা তাফসীর ও মিথ্যা বক্তব্যের মাধ্যমে জনসাধারণকে আকৃষ্ট করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অপরদিকে সরলমনা মুসলিমগণ তাদের মিথ্যা বক্তব্য শ্রবণ করে সীমাহীন বিভ্রান্ত হচ্ছে। ফলে ইসলামের আদিরূপ তাদের কাছ থেকে ক্রমেই বিদায় নিচ্ছে। এহেন অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এই বইটিতে মিথ্যা বক্তব্য প্রদানকারী আলেমের পরিণতি ও তাদের সহযোগিতাকারী শ্রোতাদের পরিণাম সম্পর্কে আলোকপাতের পাশাপাশি সত্যিকারের বক্তা ও শ্রোতার পরিচয় কী হবে সে সম্পর্কেও আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। বইটি পাঠে সাধারণ মুসলিমরা উপকৃত হলেই আমাদের শ্রম সার্থক হবে বলে আমরা মনে করি। যারা বইটি প্রকাশে বিভিন্নভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন। সেই সাথে মুদ্রণ ত্রুটির জন্য আমরা সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। পরবর্তী সংস্করণে সুধী পাঠকদের নিকট সুপরামর্শ প্রাপ্তির আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আল্লাহ পাক আমাদের পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী জীবন যাপনের তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!









