
কাদিয়ান থেকে তেলআবিব (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
এংলো-ইসরায়েলি ভূরাজনীতিতে কাদিয়ানিদের ভূমিকা কাদিয়ানিজমকে অনেকেই কেবল একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। কিন্তু এই গ্রন্থে এই মতবাদের অন্তরালে থাকা প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরা হয়েছে। দেখানো হয়েছে ঔপনিবেশিক শাসন, সাম্রাজ্যবাদী কূটকৌশল এবং জায়নবাদী রাজনীতিতে কাদিয়ানিদের সক্রিয় ভূমিকা কতটা সুদূরপ্রসারী ছিল । লেখক এখানে কেবল মতবাদ খণ্ডনের প্রথাগত পথে অগ্রসর হননি; বরং মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি সুপরিকল্পিত ভূ-রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার নীলনকশা হাজির করেছেন। বিশ্লেষণ করেছেন দলিলনির্ভরভাবে। কাদিয়ান থেকে তেলআবিব বইটিতে উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে কাদিয়ানিজমের উদ্ভব থেকে শুরু করে বিংশ শতকে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি পর্যন্ত কাদিয়ানিদের কর্মতৎপরতার একটি সুসংহত ঐতিহাসিক ধারাবিবরণী পাওয়া যায়। প্রাসঙ্গিক দলিল-তথ্য ব্যবহার করে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন—কীভাবে ঔপনিবেশিক শক্তি নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে কাদিয়ানিজমকে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল; মুসলিম সমাজে জিহাদের চেতনাকে দুর্বল করার পেছনে এর অন্তর্নিহিত লক্ষ্য কী ছিল; জায়নবাদী আন্দোলনের সাথে এর সম্পর্ক কতটা নিবিড় এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা কী ছিল। গ্রন্থটিতে দেখানো হয়েছে, ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সমন্বয়ের সামনে কাদিয়ানিজম কেবল একটি ধর্মতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ নয়, বরং সাম্রাজ্যবাদী রাজনীতির অংশ হিসেবে একটি গভীরতর ঐতিহাসিক বাস্তবতা। ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক ষড়যন্ত্রের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুধাবনের জন্য এ গ্রন্থটি পাঠ করা জরুরি। বইটি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে নতুন বই হিসেবে পাঠক অনেক আনন্দের সাথে বইটি পাঠ করেছে।
মাওলানা সামিউল হক হাক্কানি
মাওলানা সামিউল হক ছিলেন একজন প্রভাবশালী পাকিস্তানি আলিম ও রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। দারুল উলুম হক্কানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। এ মাদ্রাসা থেকেই অধিকাংশ তালিবান নেতা ও কমান্ডার স্নাতক হওয়ায় তাকে ‘তালিবানের পিতা’ বলা হতো। তিনি তালিবান নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ওমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। জমিয়তে উলামা-ই-ইসলাম দলের নেতা হিসেবে তিনি পাকিস্তানের রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং দু-বার পাকিস্তানের সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর রাতে তার বাসভবনে তাকে সারা দেহে এবং মুখমণ্ডলে বহুবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন—‘আজ দেশ একটি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হলো’
View all books by this author →মাওলানা সামিউল হক হাক্কানি
মাওলানা সামিউল হক ছিলেন একজন প্রভাবশালী পাকিস্তানি আলিম ও রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। দারুল উলুম হক্কানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। এ মাদ্রাসা থেকেই অধিকাংশ তালিবান নেতা ও কমান্ডার স্নাতক হওয়ায় তাকে ‘তালিবানের পিতা’ বলা হতো। তিনি তালিবান নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ওমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। জমিয়তে উলামা-ই-ইসলাম দলের নেতা হিসেবে তিনি পাকিস্তানের রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং দু-বার পাকিস্তানের সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর রাতে তার বাসভবনে তাকে সারা দেহে এবং মুখমণ্ডলে বহুবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন—‘আজ দেশ একটি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হলো’
View all books →এংলো-ইসরায়েলি ভূরাজনীতিতে কাদিয়ানিদের ভূমিকা কাদিয়ানিজমকে অনেকেই কেবল একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। কিন্তু এই গ্রন্থে এই মতবাদের অন্তরালে থাকা প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরা হয়েছে। দেখানো হয়েছে ঔপনিবেশিক শাসন, সাম্রাজ্যবাদী কূটকৌশল এবং জায়নবাদী রাজনীতিতে কাদিয়ানিদের সক্রিয় ভূমিকা কতটা সুদূরপ্রসারী ছিল । লেখক এখানে কেবল মতবাদ খণ্ডনের প্রথাগত পথে অগ্রসর হননি; বরং মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি সুপরিকল্পিত ভূ-রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার নীলনকশা হাজির করেছেন। বিশ্লেষণ করেছেন দলিলনির্ভরভাবে। কাদিয়ান থেকে তেলআবিব বইটিতে উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে কাদিয়ানিজমের উদ্ভব থেকে শুরু করে বিংশ শতকে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি পর্যন্ত কাদিয়ানিদের কর্মতৎপরতার একটি সুসংহত ঐতিহাসিক ধারাবিবরণী পাওয়া যায়। প্রাসঙ্গিক দলিল-তথ্য ব্যবহার করে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন—কীভাবে ঔপনিবেশিক শক্তি নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে কাদিয়ানিজমকে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল; মুসলিম সমাজে জিহাদের চেতনাকে দুর্বল করার পেছনে এর অন্তর্নিহিত লক্ষ্য কী ছিল; জায়নবাদী আন্দোলনের সাথে এর সম্পর্ক কতটা নিবিড় এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা কী ছিল। গ্রন্থটিতে দেখানো হয়েছে, ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সমন্বয়ের সামনে কাদিয়ানিজম কেবল একটি ধর্মতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ নয়, বরং সাম্রাজ্যবাদী রাজনীতির অংশ হিসেবে একটি গভীরতর ঐতিহাসিক বাস্তবতা। ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক ষড়যন্ত্রের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুধাবনের জন্য এ গ্রন্থটি পাঠ করা জরুরি। বইটি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে নতুন বই হিসেবে পাঠক অনেক আনন্দের সাথে বইটি পাঠ করেছে।









