
দুই তিন চার—অভিশাপ নাকি রহমাত?
Related Products

কেমন হবে মুমিন নারীর পোশাক ও পর্দা
মুফতি শাব্বীর আহমদ
বইটি ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর পোশাক ও পর্দার সঠিক নিয়ম ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছে। শালীন পোশাক ও হিজাব নারীর সৌন্দর্য, মর্যাদা ও সতীত্বের প্রতীক। সঠিক পর্দা মানসিক আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মিক প্রশান্তি এনে দেয়।

গল্পে আঁকা যয়নব বিনতে আলী রাদিআল্লাহু
ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী
গল্পে আঁকা যয়নব বিনতে আলী রাদিআল্লাহু বইটি পাঠককে পরিচয় করায় এমন একজন যয়নবের সঙ্গে, যাকে সবাই জানে কিন্তু কখনও চোখে দেখা বা কানে শোনা হয়নি।

দাম্পত্যজীবন সংক্রান্ত স্বামী-স্ত্রীর জিজ্ঞাসা
স্বামী-স্ত্রীর অনেকগুলো প্রশ্নের সমাধান ও পরামর্শমূলক উত্তর

যুবক-যুবতিদের প্রতি যৌবনের ম্যাসেজ
শায়খ যুলফিকার আহমদ নকশবন্দী
যৌবনকে জীবনের স্বর্ণপ্রহর হিসেবে বর্ণনা করে “যুবক-যুবতিদের প্রতি যৌবনের ম্যাসেজ” বইটি যুবক-যুবতী ও সকল পাঠকের জন্য ইসলামের পথে চলার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক পাথেয়।
‘একাধিক বিয়ে' শরীয়াতের বিধান—কথাটি বললেই অনেকে মনে করেন এটাকে ফরজ-ওয়াজিব টাইপের কোনো বিধান বলা হচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটি এমন নয়। মূলত যে-কোনো বিষয়ে শরীয়াতের সুনির্দিষ্ট মতামতই 'বিধান' শব্দের আওতায়। সেটা হতে পারে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মুস্তাহসান বা হালাল-হারাম, জায়েজ নাজায়েজ, মুবাহ-মাকরুহ যে-কোনো পর্যায়ের। একাধিক বিয়ের বিধান হলো, এটি ইসলামে বৈধ। তবে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এটা নিয়ে অহেতুক ফ্যান্টাসিতে ভোগা যেমন অনুচিত, এর থেকে বেশি অনুচিত-বরং বলা ভালো ঈমানের জন্য হুমকিস্বরূপ হলো, একটি হালাল বিধানের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ পোষণ করা। বিভিন্ন সামাজিক বাস্তবতা ও তিক্ত উদাহরণের কারণে আমাদের দেশে একাধিক বিয়ে ট্যাবু ও ঘৃণিত কাজ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, ইসলামে এর বৈধতা প্রশ্নাতীত। প্রতিকূল সামাজিক বাস্তবতা ও তিক্ত উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও ক্ষেত্র-বিশেষে কারও কারও জন্য বা সামগ্রিকভাবে সমাজকল্যাণে এটি হতে পারে প্রয়োজনীয়, উপকারী ও শেষ সমাধান। এ-বিষয়টিকে সামনে রেখেই মিসরীয় স্কলার ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট, উস্তাযা 'রনিয়া হাশিম' রচনা করেছেন স্বতন্ত্র এ-বইটি। একাধিক বিয়ের ব্যাপারে মানুষের নানান ভুল ধারণা, অহেতুক ফ্যান্টাসি কিংবা অবান্তর ঘৃণার মতো প্রান্তিকতা দূর করতে বইটি উপকারী হবে বলে আমরা আশাবাদী।
‘একাধিক বিয়ে' শরীয়াতের বিধান—কথাটি বললেই অনেকে মনে করেন এটাকে ফরজ-ওয়াজিব টাইপের কোনো বিধান বলা হচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটি এমন নয়। মূলত যে-কোনো বিষয়ে শরীয়াতের সুনির্দিষ্ট মতামতই 'বিধান' শব্দের আওতায়। সেটা হতে পারে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মুস্তাহসান বা হালাল-হারাম, জায়েজ নাজায়েজ, মুবাহ-মাকরুহ যে-কোনো পর্যায়ের। একাধিক বিয়ের বিধান হলো, এটি ইসলামে বৈধ। তবে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এটা নিয়ে অহেতুক ফ্যান্টাসিতে ভোগা যেমন অনুচিত, এর থেকে বেশি অনুচিত-বরং বলা ভালো ঈমানের জন্য হুমকিস্বরূপ হলো, একটি হালাল বিধানের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ পোষণ করা। বিভিন্ন সামাজিক বাস্তবতা ও তিক্ত উদাহরণের কারণে আমাদের দেশে একাধিক বিয়ে ট্যাবু ও ঘৃণিত কাজ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, ইসলামে এর বৈধতা প্রশ্নাতীত। প্রতিকূল সামাজিক বাস্তবতা ও তিক্ত উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও ক্ষেত্র-বিশেষে কারও কারও জন্য বা সামগ্রিকভাবে সমাজকল্যাণে এটি হতে পারে প্রয়োজনীয়, উপকারী ও শেষ সমাধান। এ-বিষয়টিকে সামনে রেখেই মিসরীয় স্কলার ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট, উস্তাযা 'রনিয়া হাশিম' রচনা করেছেন স্বতন্ত্র এ-বইটি। একাধিক বিয়ের ব্যাপারে মানুষের নানান ভুল ধারণা, অহেতুক ফ্যান্টাসি কিংবা অবান্তর ঘৃণার মতো প্রান্তিকতা দূর করতে বইটি উপকারী হবে বলে আমরা আশাবাদী।