
ফিলিস্তিন : বেঁচে থাকার লড়াই (হার্ডকভার)
Related Products

আফ্রিকায় মুসলিম সিরিজ (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (হার্ডকভার)
আল্লামা ইবনে কাছীর (রহ.)

ইতিহাসের ছিন্নপত্র - প্রথম খণ্ড (হার্ডকভার)
কায় কাউস
[লুকিয়ে ফেলা ইতিহাসের সংকলন : ওপনিবেশিক শাসন

ইসলামি ইতিহাস (১ম-৫ম খণ্ড) (হার্ডকভার)
ফিলিস্তিন। একটি আহত, ক্ষতবিক্ষত দেহ। লাখো শ্বাপদের দল যে শরীর খুবলে নিয়েছে তাদের হিংস্র নখর দিয়ে। . জেরুসালেম। এক কালের সুন্দর সুশোভিত একটি নগরী। প্রাচীন এই শহর উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে মুসলিমরা জয় করে। ক্রমেই বিজিত হয় পুরো ফিলিস্তিন। বহুকাল পরে ক্রুসেডারদের দ্বারা আক্রান্ত হয় এই ফিলিস্তিন। হিংস্র হায়েনার দল বুক-সমান রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে প্রবেশ করে পবিত্র শহর জেরুসালেমে। সে যাত্রায় সালাহুদ্দিন আইয়ুবি রাহিমাহুল্লাহ শহরটাকে মুক্ত করেন। . অনেকদিন পর শহরটা আবারও ক্রুসেডারদের দখলে চলে যায়। তখন মুক্ত করেন নাজমুদ্দিন আইয়ুব রাহিমাহুল্লাহ। আবারও ফিলিস্তিন চলে যায় কুখ্যাত রক্তখেকোর দল মঙ্গোল বাহিনীর দখলে। তাদের কালো থাবা থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করেন সাইফুদ্দিন কুতুজ ও রুকনুদ্দিন বাইবার্স রাহিমাহুমাল্লাহ। . ফিলিস্তিন আজও ক্রুসেডার খ্রিষ্টানদের হাত ধরে জায়নবাদী ইহুদি কুকুরদের দখলে। ফিলিস্তিন আজও একজন সালাহুদ্দিনের জন্য ডুকরে কাঁদে। ফিলিস্তিন আজও একজন বাইবার্সের অপেক্ষায় দিন কাটায়। ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য আমাদের অনেক কিছুই করার আছে। সেই করণীয়গুলো বলবে মিসরের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ড. রাগিব সারজানির এ বই।
ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books by this author →ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books →ফিলিস্তিন। একটি আহত, ক্ষতবিক্ষত দেহ। লাখো শ্বাপদের দল যে শরীর খুবলে নিয়েছে তাদের হিংস্র নখর দিয়ে। . জেরুসালেম। এক কালের সুন্দর সুশোভিত একটি নগরী। প্রাচীন এই শহর উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে মুসলিমরা জয় করে। ক্রমেই বিজিত হয় পুরো ফিলিস্তিন। বহুকাল পরে ক্রুসেডারদের দ্বারা আক্রান্ত হয় এই ফিলিস্তিন। হিংস্র হায়েনার দল বুক-সমান রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে প্রবেশ করে পবিত্র শহর জেরুসালেমে। সে যাত্রায় সালাহুদ্দিন আইয়ুবি রাহিমাহুল্লাহ শহরটাকে মুক্ত করেন। . অনেকদিন পর শহরটা আবারও ক্রুসেডারদের দখলে চলে যায়। তখন মুক্ত করেন নাজমুদ্দিন আইয়ুব রাহিমাহুল্লাহ। আবারও ফিলিস্তিন চলে যায় কুখ্যাত রক্তখেকোর দল মঙ্গোল বাহিনীর দখলে। তাদের কালো থাবা থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করেন সাইফুদ্দিন কুতুজ ও রুকনুদ্দিন বাইবার্স রাহিমাহুমাল্লাহ। . ফিলিস্তিন আজও ক্রুসেডার খ্রিষ্টানদের হাত ধরে জায়নবাদী ইহুদি কুকুরদের দখলে। ফিলিস্তিন আজও একজন সালাহুদ্দিনের জন্য ডুকরে কাঁদে। ফিলিস্তিন আজও একজন বাইবার্সের অপেক্ষায় দিন কাটায়। ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য আমাদের অনেক কিছুই করার আছে। সেই করণীয়গুলো বলবে মিসরের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ড. রাগিব সারজানির এ বই।





