
ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা বনাম হানাফীদের আক্বীদা (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
দয়া করে, বইটির নাম দেখেই চমকে যাবেন না বা তড়িৎ কোনো মন্তব্য করে বসবেন না। শিরোনামে ‘হানাফীদের আক্বীদা’ বলতে নিশ্চয় আপনাকে বুঝানো হয়নি। কারণ আপনিতো ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা লালন করেন। বরং এখানে সেসব হানাফী উদ্দেশ্য, যারা ইমাম হানীফা ও বাকী তিন ইমাম-সহ পুরো সালাফে ছালেহীনের আক্বীদাচ্যুত হয়ে গেছেন। বইটিতে ইমাম আবু হানীফার জীবনী, তাঁর আক্বীদা ও বন্দনা স্থান পেয়েছে। এখানে নিরপেক্ষভাবে তাঁর আক্বীদার মাঝে এবং তাঁর অনুসারী হওয়ার দাবীদার নানা ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আক্বীদার মাঝে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আক্বীদাগত প্রচলিত অনেকগুলো দিক এখানে স্থান পেয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি রয়েছে। এসব বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে আক্বীদার অনেক মৌলিক বিষয় বইটিতে ফুটে উঠেছে। বলা যায়, ইমাম আবু হানাফীর আক্বীদা ও হানাফী ভাইদের আক্বীদা সম্পর্কিত একটি নিরপেক্ষ ও তথ্যবহুল বই এটি। এছাড়া মাযহাবের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কেমন হওয়া দরকার, তাও বইটির শেষে পরিশিষ্টে তুলে ধরা হয়েছে। বইটির মূল উদ্দেশ্য, ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা তুলে ধরে সেদিকে তথা সঠিক আক্বীদার দিকে মানুষকে আহ্বান জানানো। কারণ তাঁর আক্বীদা ছিলো সঠিক। অপরপক্ষে, তাঁর নামে প্রচলিত ভুল ও ভ্রান্ত আক্বীদা তুলে ধরে তা থেকে মানুষকে সতর্ক করা। কারণ বিশেষ করে বাংলাদেশ-সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল হানাফী জনগোষ্ঠীকে তাদের ইমামের আক্বীদা ধারণের পথে ফিরিয়ে আনতে পারলে সেটাই সবচেয়ে বড় সফলতা। কেননা আক্বীদা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর উপরই নির্ভর করে সকল আমলের অশুদ্ধতা বা বিশুদ্ধতা। আমাদের সকলের অভীষ্ট লক্ষ্য পরকালীন মুক্তিও এই আক্বীদার উপরই নির্ভরশীল। আল্লাহর কসম! বইটি রচনার পেছনে কাউকে আঘাত দেওয়া মোটেও উদ্দেশ্য নয়। বরং কেবল ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা তথা বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল ধারণ ও লালনের প্রতি আহ্বান জানানোই এ লেখার মূল উদ্দেশ্য। মহান আল্লাহ আমাদেরকে বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার তাওফীক্ব দান করুন।
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books by this author →আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books →দয়া করে, বইটির নাম দেখেই চমকে যাবেন না বা তড়িৎ কোনো মন্তব্য করে বসবেন না। শিরোনামে ‘হানাফীদের আক্বীদা’ বলতে নিশ্চয় আপনাকে বুঝানো হয়নি। কারণ আপনিতো ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা লালন করেন। বরং এখানে সেসব হানাফী উদ্দেশ্য, যারা ইমাম হানীফা ও বাকী তিন ইমাম-সহ পুরো সালাফে ছালেহীনের আক্বীদাচ্যুত হয়ে গেছেন। বইটিতে ইমাম আবু হানীফার জীবনী, তাঁর আক্বীদা ও বন্দনা স্থান পেয়েছে। এখানে নিরপেক্ষভাবে তাঁর আক্বীদার মাঝে এবং তাঁর অনুসারী হওয়ার দাবীদার নানা ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আক্বীদার মাঝে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আক্বীদাগত প্রচলিত অনেকগুলো দিক এখানে স্থান পেয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি রয়েছে। এসব বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে আক্বীদার অনেক মৌলিক বিষয় বইটিতে ফুটে উঠেছে। বলা যায়, ইমাম আবু হানাফীর আক্বীদা ও হানাফী ভাইদের আক্বীদা সম্পর্কিত একটি নিরপেক্ষ ও তথ্যবহুল বই এটি। এছাড়া মাযহাবের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কেমন হওয়া দরকার, তাও বইটির শেষে পরিশিষ্টে তুলে ধরা হয়েছে। বইটির মূল উদ্দেশ্য, ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা তুলে ধরে সেদিকে তথা সঠিক আক্বীদার দিকে মানুষকে আহ্বান জানানো। কারণ তাঁর আক্বীদা ছিলো সঠিক। অপরপক্ষে, তাঁর নামে প্রচলিত ভুল ও ভ্রান্ত আক্বীদা তুলে ধরে তা থেকে মানুষকে সতর্ক করা। কারণ বিশেষ করে বাংলাদেশ-সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল হানাফী জনগোষ্ঠীকে তাদের ইমামের আক্বীদা ধারণের পথে ফিরিয়ে আনতে পারলে সেটাই সবচেয়ে বড় সফলতা। কেননা আক্বীদা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর উপরই নির্ভর করে সকল আমলের অশুদ্ধতা বা বিশুদ্ধতা। আমাদের সকলের অভীষ্ট লক্ষ্য পরকালীন মুক্তিও এই আক্বীদার উপরই নির্ভরশীল। আল্লাহর কসম! বইটি রচনার পেছনে কাউকে আঘাত দেওয়া মোটেও উদ্দেশ্য নয়। বরং কেবল ইমাম আবু হানীফার আক্বীদা তথা বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল ধারণ ও লালনের প্রতি আহ্বান জানানোই এ লেখার মূল উদ্দেশ্য। মহান আল্লাহ আমাদেরকে বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার তাওফীক্ব দান করুন।









