
ইমাম গাজালি রহ.
Related Products

আকাবিরে উলামায়ে দেওবন্দ : জীবন ও অবদান (হার্ডকভার)
উয়ালামায়ে দেওবন্দ, যাদের জীবন ছিলো বিপুল কর্মময়, ইলম-আমলে সমৃদ্ধ, তাকয়ার আলোয় উজ্জ্বল

আলিমদের মর্যাদা

ইমাম ইজ্জুদ্দিন ইবনু আবদিস সালাম রাহ. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি

ইমাম বুখারির দেশে (হার্ডকভার)
ইমাম গাজালি ইসলামি জ্ঞান ও দর্শনের আশ্চর্য এক অবয়ব। তার জ্ঞানচর্চা ও যুক্তিমনস্কতার মাধ্যমে পরাজিত হয়েছে তার সময়ের এবং অনাগত সময়েরও বহু শক্তিশালী তার্কিক ও বিদগ্ধ পণ্ডিত। ইসলামি দার্শনিকতার ক্ষেত্রে, শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তিনি সৃষ্টি করেছেন অনন্য এক জগৎ। যৌক্তিক পারম্পর্য, সত্য ও সততা ও বাস্তবতার নিরিখে এবং তৎকালীন শিয়া-ফাতিমি ও বাতিনিদের ভ্রান্তি নিরসনে তিনি লিখেছেন ঐতিহাসিক যত রচনা। . সেই মহান চিন্তাঋদ্ধ মনীষা ও যুক্তশীল সহৃদয় দার্শনিকের পূর্ণাঙ্গ জীবনী উঠে এসেছে এই বইটিতে। যুগে যুগে প্রত্যেক প্রগতিমনস্ক ও ন্যায্যতা-নিষ্ঠ মানুষের কাছে তিনি সব সময় একজন পরম আধার ও আধেয়। জীবনকে সহজ-সিদ্ধ ও ইসলামের অমেয় আলোয় গড়ে তুলতে তার অধ্যাত্ম্যচর্চা ও ফালসাফার জুড়ি নেই।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →ইমাম গাজালি ইসলামি জ্ঞান ও দর্শনের আশ্চর্য এক অবয়ব। তার জ্ঞানচর্চা ও যুক্তিমনস্কতার মাধ্যমে পরাজিত হয়েছে তার সময়ের এবং অনাগত সময়েরও বহু শক্তিশালী তার্কিক ও বিদগ্ধ পণ্ডিত। ইসলামি দার্শনিকতার ক্ষেত্রে, শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তিনি সৃষ্টি করেছেন অনন্য এক জগৎ। যৌক্তিক পারম্পর্য, সত্য ও সততা ও বাস্তবতার নিরিখে এবং তৎকালীন শিয়া-ফাতিমি ও বাতিনিদের ভ্রান্তি নিরসনে তিনি লিখেছেন ঐতিহাসিক যত রচনা। . সেই মহান চিন্তাঋদ্ধ মনীষা ও যুক্তশীল সহৃদয় দার্শনিকের পূর্ণাঙ্গ জীবনী উঠে এসেছে এই বইটিতে। যুগে যুগে প্রত্যেক প্রগতিমনস্ক ও ন্যায্যতা-নিষ্ঠ মানুষের কাছে তিনি সব সময় একজন পরম আধার ও আধেয়। জীবনকে সহজ-সিদ্ধ ও ইসলামের অমেয় আলোয় গড়ে তুলতে তার অধ্যাত্ম্যচর্চা ও ফালসাফার জুড়ি নেই।





