
ইসলামে বায়'আত (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
ইমারাত ও বায়আত ইসলামের অতি জরুরী বিষয়গুলোর একটি। আমীরুল মুমিনীনের হাতে বায়আত করা এবং তার আদেশে জিহাদে ঝাপিয়ে পড়া মুসলিমদের চিরন্তন ঐতিহ্য ও গর্বের বিষয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক বিশ্বে এই লকবগুলো ব্যবহারের যথোপযুক্ত পরিবেশ যেমন নাই, তেমনি লকবগুলোর অপব্যবহারেরও অভাব নাই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মেডিটেশন-ইয়োগা বা ধ্যানকে কেউ যদি ছালাত বলে, তাহলে ছালাতের যেমন অপমান হয়; তেমনি দশজন মিলে একটি কমিটি করে তার আমীর হয়ে মানুষের বায়আত নিলে এবং ইমারাত ও বায়আতের হাদীছগুলোকে সেই দশজনের দলের জন্য প্রয়োগ করলে এই সম্মানিত ও গুরুত্বপূর্ণ শারঈ পরিভাষারও অপমান হয়। ইমারাত ও বায়আত কোনো খেলনা শব্দ নয় যে, একই দেশে শত দল থাকবে, শত ইমারাত থাকবে আর শতজন বায়আত নিবে। আরো দুঃখ ও কষ্টের বিষয় হচ্ছে, যারা এই ধরনের হাদীছগুলোকে অপব্যবহার করছেন এবং এই শারঈ পরিভাষাগুলোর অপমান করছেন তারা চোরের মায়ের বড় গলার মতো সিনাজুরি করে যাচ্ছেন। তাই যুগের চাহিদাকে সামনে রেখে বায়আতের মতো স্পর্শকাতর এই বিষয়ে মানুষের আক্বীদা ও ঈমানকে পরিশুদ্ধ করতে এবং শারঈ পরিভাষার সঠিক ব্যবহার শিখানোর মাধ্যমে তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে সম্মানিত লেখক এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি লিপিবদ্ধ করেন। সম্মানিত লেখক আব্দুল আলীম ইবনে কাউছার আল-মাদানী একজন অতি যোগ্য ও সিদ্ধহস্ত লেখক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাসিক আল-ইতিছামের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে তিনি অতি চমৎকারভাবে দালীলিক বায়আতের মতো বিতর্কিত বিষয়ের ইলমী সমাধান প্রদান করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, বইটি ফেতনায় পরিপূর্ণ এই যুগে মানুষের কাছে সঠিক জ্ঞান পৌঁছে দিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে, ইনশা-আল্লাহ! আমরা দু\'আ করি মহান আল্লাহ বইটিকে কবুল করুন এবং সম্মানিত লেখককে উত্তম বিনিময় দান করুন- আমীন!
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books by this author →আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books →ইমারাত ও বায়আত ইসলামের অতি জরুরী বিষয়গুলোর একটি। আমীরুল মুমিনীনের হাতে বায়আত করা এবং তার আদেশে জিহাদে ঝাপিয়ে পড়া মুসলিমদের চিরন্তন ঐতিহ্য ও গর্বের বিষয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক বিশ্বে এই লকবগুলো ব্যবহারের যথোপযুক্ত পরিবেশ যেমন নাই, তেমনি লকবগুলোর অপব্যবহারেরও অভাব নাই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মেডিটেশন-ইয়োগা বা ধ্যানকে কেউ যদি ছালাত বলে, তাহলে ছালাতের যেমন অপমান হয়; তেমনি দশজন মিলে একটি কমিটি করে তার আমীর হয়ে মানুষের বায়আত নিলে এবং ইমারাত ও বায়আতের হাদীছগুলোকে সেই দশজনের দলের জন্য প্রয়োগ করলে এই সম্মানিত ও গুরুত্বপূর্ণ শারঈ পরিভাষারও অপমান হয়। ইমারাত ও বায়আত কোনো খেলনা শব্দ নয় যে, একই দেশে শত দল থাকবে, শত ইমারাত থাকবে আর শতজন বায়আত নিবে। আরো দুঃখ ও কষ্টের বিষয় হচ্ছে, যারা এই ধরনের হাদীছগুলোকে অপব্যবহার করছেন এবং এই শারঈ পরিভাষাগুলোর অপমান করছেন তারা চোরের মায়ের বড় গলার মতো সিনাজুরি করে যাচ্ছেন। তাই যুগের চাহিদাকে সামনে রেখে বায়আতের মতো স্পর্শকাতর এই বিষয়ে মানুষের আক্বীদা ও ঈমানকে পরিশুদ্ধ করতে এবং শারঈ পরিভাষার সঠিক ব্যবহার শিখানোর মাধ্যমে তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে সম্মানিত লেখক এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি লিপিবদ্ধ করেন। সম্মানিত লেখক আব্দুল আলীম ইবনে কাউছার আল-মাদানী একজন অতি যোগ্য ও সিদ্ধহস্ত লেখক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাসিক আল-ইতিছামের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে তিনি অতি চমৎকারভাবে দালীলিক বায়আতের মতো বিতর্কিত বিষয়ের ইলমী সমাধান প্রদান করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, বইটি ফেতনায় পরিপূর্ণ এই যুগে মানুষের কাছে সঠিক জ্ঞান পৌঁছে দিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে, ইনশা-আল্লাহ! আমরা দু\'আ করি মহান আল্লাহ বইটিকে কবুল করুন এবং সম্মানিত লেখককে উত্তম বিনিময় দান করুন- আমীন!









