
ইসলামে জামাআত বলতে কোন দলকে বুঝায় (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
কোথাও \'জামা\'আতুল মুসলিম বা \"মুসলিম জামাআত\'-এর সাথে থাকতে বলা হয়েছে, আবার কোথাও ‘মুসলিম জামা\'আত\' ত্যাগ করার ইহকালীন কুফল ও পরকালীন আযাবের কথা বিবৃত হয়েছে। কিন্তু \'জামা\'আত\', \'জামা\'আতুল মুসলিমীন\' বা \'মুসলিম জামা\'আত\' বলতে কোন পথ, কোন মত, কোন দল, মাযহাব বা সংগঠনের কথা বলা হয়েছে তা অধিকাংশ মানুষের কাছে রয়ে গেছে অজানা; বরং ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনুরূপভাবে হাদীছে \'ইমারত\' ও \'আমীর\' বলতে কোন ইমারত ও কোন আমীরকে বুঝানো হয়েছে, তাও রয়ে গেছে অস্পষ্ট। কারণ আরবী ভাষায় বিষয়ে নানা প্রামাণ্য লেখনী, বক্তব্য থাকলেও বাংলা ভাষায় বিষয়টি নিতান্তই অবহেলিত, উপেক্ষিত। সবাই জামা\'আতবদ্ধ জীবনযাপনের বুলি আওড়ান, কিন্তু \'জামা\'আত\' দ্বারা কাদেরকে বুঝানো হয়েছে, তার স্পষ্ট ও প্রামাণ্য ব্যাখ্যা কেউ দেন না। বরং প্রত্যেকে নিজের মত করে \'জামা\'আত”-এর ব্যাখ্যা করেন। এ ব্যাপারে যে একটা প্রামাণ্য ও নিরপেক্ষ গবেষণা যরূরী, তা যেন কেউ মনেই করেন না। যে যে গণ্ডি ও বলয়ে রয়েছে।
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books by this author →আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books →কোথাও \'জামা\'আতুল মুসলিম বা \"মুসলিম জামাআত\'-এর সাথে থাকতে বলা হয়েছে, আবার কোথাও ‘মুসলিম জামা\'আত\' ত্যাগ করার ইহকালীন কুফল ও পরকালীন আযাবের কথা বিবৃত হয়েছে। কিন্তু \'জামা\'আত\', \'জামা\'আতুল মুসলিমীন\' বা \'মুসলিম জামা\'আত\' বলতে কোন পথ, কোন মত, কোন দল, মাযহাব বা সংগঠনের কথা বলা হয়েছে তা অধিকাংশ মানুষের কাছে রয়ে গেছে অজানা; বরং ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনুরূপভাবে হাদীছে \'ইমারত\' ও \'আমীর\' বলতে কোন ইমারত ও কোন আমীরকে বুঝানো হয়েছে, তাও রয়ে গেছে অস্পষ্ট। কারণ আরবী ভাষায় বিষয়ে নানা প্রামাণ্য লেখনী, বক্তব্য থাকলেও বাংলা ভাষায় বিষয়টি নিতান্তই অবহেলিত, উপেক্ষিত। সবাই জামা\'আতবদ্ধ জীবনযাপনের বুলি আওড়ান, কিন্তু \'জামা\'আত\' দ্বারা কাদেরকে বুঝানো হয়েছে, তার স্পষ্ট ও প্রামাণ্য ব্যাখ্যা কেউ দেন না। বরং প্রত্যেকে নিজের মত করে \'জামা\'আত”-এর ব্যাখ্যা করেন। এ ব্যাপারে যে একটা প্রামাণ্য ও নিরপেক্ষ গবেষণা যরূরী, তা যেন কেউ মনেই করেন না। যে যে গণ্ডি ও বলয়ে রয়েছে।









