
কাব্যকথায় আত্মশুদ্ধি (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
শুদ্ধির মাধ্যমে মানবাত্মার মুক্তি অর্জন—এ যে কত প্রয়োজন, কত তীব্রভাবে প্রয়োজন, সে সত্যসন্ধানী আলোক-অন্বেষী মানুষ মাত্রই অনুধাবন করতে পারেন। মানুষ কিছুই হারায় না, যদি সে দ্বীনের পথে ফিরে আসে; মানুষের কিছুই বিনষ্ট হয় না, যদি সে আল্লাহতে সমর্পিত থাকে। আল্লাহর পথই শুদ্ধির পথ। আল্লাহর রঙই শুদ্ধির শিল্পিত রঙ। কুরআন-পাকে বলা হয়েছে, তোমরা আল্লাহ রঙে রঙিন হও। আল্লাহর রঙের চেয়ে উজ্জ্বল, চির ভাস্বর ও শাশ্বত রঙ কে পেয়েছে কোথায় কবে? মানুষ মাত্রই মোহে পড়ে। ধোঁকায় সে খাবি খায়। বিচ্যুত হয় সে যথার্থতা থেকে। সহজ পথ ছেড়ে বাঁকা পথে ধাবিত হয়। একটু সময়, আরও বেশি সময় বা আরও মহা দীর্ঘ দীর্ঘ সময় সে কাটিয়ে দেয় নানা বিভ্রান্তিতে, গোমরাহির পিচ্ছিল ও পঙ্কিল পথে। যখন বুঝ হয়, ঘোর কেটে যায়, উপলব্ধি হয়, সমঝদারি জেঁকে বসে তার আত্মায়, তখন সে থিতু হয়, ভাবে; আরে! এ কোথায় আমি, এ তো আমার পথ নয়। আমার পথ সে তো রবের পথ। যিনি আমার প্রতিপালক। যিনি আমার জন্মমৃত্যুর মালিক। যিনি আমাকে এমন সুন্দররূপে সৃষ্টি করেছেন, সুস্থতা দিয়েছেন, ভালো-মন্দের তারতম্য নিরূপণের জ্ঞান দিয়েছেন, আমি তো তাঁরই মহান পথের অভিযাত্রী। তবে, তাহলে আমি এখানে কেন? এমন অজস্র প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে প্রিয় পাঠক, সহজ ও অনাড়ম্বর ভাষায় ও অকপট উচ্চারণে রচিত এই কাব্যিক বয়ানটি আপনাকে একচিলতে শান্তি এনে দেবে। শুদ্ধচিত্ত লেখক হাফিজুর রহমানের ‘কাব্যকথায় আত্মশুদ্ধি’ শীর্ষক এই খুদে গ্রন্থটি একটি অভিনব চরিত্র-গঠনমূলক শ্রুতি-কাব্য। জংধরা ঈমানকে যারা জীয়নকাঠির স্পর্শছোঁয়ায় জাগরিত করতে চান, এ কাব্যটি সেই পূত-পবিত্র মানুষের জন্যে। যে জীবনটি নুরের, দ্বীনের, সহজের ও সত্যের জন্য নিবেদিত হতে চায়, এ কাব্যটি সেই জীবনকে আরও শানিত ও মহিমান্বিত করে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।
শুদ্ধির মাধ্যমে মানবাত্মার মুক্তি অর্জন—এ যে কত প্রয়োজন, কত তীব্রভাবে প্রয়োজন, সে সত্যসন্ধানী আলোক-অন্বেষী মানুষ মাত্রই অনুধাবন করতে পারেন। মানুষ কিছুই হারায় না, যদি সে দ্বীনের পথে ফিরে আসে; মানুষের কিছুই বিনষ্ট হয় না, যদি সে আল্লাহতে সমর্পিত থাকে। আল্লাহর পথই শুদ্ধির পথ। আল্লাহর রঙই শুদ্ধির শিল্পিত রঙ। কুরআন-পাকে বলা হয়েছে, তোমরা আল্লাহ রঙে রঙিন হও। আল্লাহর রঙের চেয়ে উজ্জ্বল, চির ভাস্বর ও শাশ্বত রঙ কে পেয়েছে কোথায় কবে? মানুষ মাত্রই মোহে পড়ে। ধোঁকায় সে খাবি খায়। বিচ্যুত হয় সে যথার্থতা থেকে। সহজ পথ ছেড়ে বাঁকা পথে ধাবিত হয়। একটু সময়, আরও বেশি সময় বা আরও মহা দীর্ঘ দীর্ঘ সময় সে কাটিয়ে দেয় নানা বিভ্রান্তিতে, গোমরাহির পিচ্ছিল ও পঙ্কিল পথে। যখন বুঝ হয়, ঘোর কেটে যায়, উপলব্ধি হয়, সমঝদারি জেঁকে বসে তার আত্মায়, তখন সে থিতু হয়, ভাবে; আরে! এ কোথায় আমি, এ তো আমার পথ নয়। আমার পথ সে তো রবের পথ। যিনি আমার প্রতিপালক। যিনি আমার জন্মমৃত্যুর মালিক। যিনি আমাকে এমন সুন্দররূপে সৃষ্টি করেছেন, সুস্থতা দিয়েছেন, ভালো-মন্দের তারতম্য নিরূপণের জ্ঞান দিয়েছেন, আমি তো তাঁরই মহান পথের অভিযাত্রী। তবে, তাহলে আমি এখানে কেন? এমন অজস্র প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে প্রিয় পাঠক, সহজ ও অনাড়ম্বর ভাষায় ও অকপট উচ্চারণে রচিত এই কাব্যিক বয়ানটি আপনাকে একচিলতে শান্তি এনে দেবে। শুদ্ধচিত্ত লেখক হাফিজুর রহমানের ‘কাব্যকথায় আত্মশুদ্ধি’ শীর্ষক এই খুদে গ্রন্থটি একটি অভিনব চরিত্র-গঠনমূলক শ্রুতি-কাব্য। জংধরা ঈমানকে যারা জীয়নকাঠির স্পর্শছোঁয়ায় জাগরিত করতে চান, এ কাব্যটি সেই পূত-পবিত্র মানুষের জন্যে। যে জীবনটি নুরের, দ্বীনের, সহজের ও সত্যের জন্য নিবেদিত হতে চায়, এ কাব্যটি সেই জীবনকে আরও শানিত ও মহিমান্বিত করে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।









