
কে বড় ক্ষতিগ্রস্ত? (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
সৎ আমলের মাধ্যমে মানুষ যেমন লাভবান হয়, তদ্রুপ অসৎ আমলের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আল্লাহু তা’আলা বলেন – ❝নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তবে তারা নয়, যারা ঈমান আনে ও সৎ আমল করে এবং যারা পরস্পরে সত্যের উপদেশ দেয় এবং উপদেশ দেয় ধৈর্য ধারণের ❞[আছর,২-৩]. কেউ অলসতা করে আমল না করার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কেউ আবার মন্দ কাজ করার কারনে ক্ষতি হয়। অনেকেই আবার সৎ উদ্দেশ্যে সৎ আমল করেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কে বড় ক্ষতিগ্রস্থঃ ▪️যেসব ইবাদাত পরিত্যাগ করলে মানুষ বড় ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার একটি হচ্ছে ছালাত। ছালাত এমন একটি ইবাদত যা ত্যাগ করলে মানুষের আর কেনো ইবাদত গ্রহণ করা হবে না। ছালাত ত্যাগ করলে মানুষ মুসলিম থাকে না। ছালাত ত্যাগ কারীর ঠিকানা জাহান্নাম। ▪️যেসকল বিদ্যান বিদ্যা অনুযায়ী আমল করে না, মৃত্যুর ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাদের মাথা কে পাথর দ্বারা ভেঙে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে।আর যারা শুধু দূনিয়া লাভের উদ্দেশ্য বিদ্যা অর্জন করবে, তারা জান্নাত লাভে ব্যর্থ হবে। ▪️শরীয়তের মৌলিক বিধি- বিধান অপরিবর্তনীয়।এতে কোনো প্রকার সংযোজন- বিয়োজন চলে না। এর মধ্যে নতুন কিছু করলে তা প্রত্যাখান করা হবে,তার পরকাল ভয়াবহ। অর্থাৎ বিদআতকারী ক্ষতিগ্রস্থ। ▪️পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাপ হচ্ছে শিরক করা। আল্লাহু তাআলা বলেন- ❝নিশ্চয়ই শিরক বড় অত্যাচার ❞[লুকমান,১৩] যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে মারা যাবে সে জাহান্নামে যাবে। ▪️যারা যাচাই বাছাই করে হাদিস বর্ননা করে না, বরং জনসমাজে সুনাম অর্জনের জন্য অথবা মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য জাল জয়িফ হাদিস বা মিথ্যা ঘটনা বর্ণনা করে, তাদের থাকার জায়গা জাহান্নাম। আমরা আখিরাতকে ভুলে গিয়ে দুনিয়ায় মিছে সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি। আমরা পাপকে পাপ মনে করি না। জেনে না জেনে বড় ছোট অনেক পাপ করে ফেলেছি। এমন ও আছে যে আমরা জানিও না কোনটা পাপ।সওয়াবের আশায় বিদআত করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।হাশরের মাঠে দেখা যাবে এগুলো দুনিয়ায় ভলোর জন্য করে আজ এগুলো আমাদের জাহান্নামের যাওয়ার কারন হচ্ছে । আর এগুলো আমাদের ইলম এর অভাবে হয়। ❝ কে বড় ক্ষতিগ্রস্থ ❞ বইটিতে কোরআন ও সহীহ হাদিস এর আলোকে চমৎকার ভাবে ছোট বড় সকল পাপ কাজ এর বিশদ আলোচনা করা হয়ছে। বইটি পড়লে মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করে নিতে পারবে। এজন্য সকলের উচিত বইটি পড়া। স্পেশালি যারা সদ্য দ্বীনে ফেরা বা নিজেকে পরিবর্তন করতে চায় তাদের জন্য বইটি খুবই উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books by this author →আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books →সৎ আমলের মাধ্যমে মানুষ যেমন লাভবান হয়, তদ্রুপ অসৎ আমলের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আল্লাহু তা’আলা বলেন – ❝নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তবে তারা নয়, যারা ঈমান আনে ও সৎ আমল করে এবং যারা পরস্পরে সত্যের উপদেশ দেয় এবং উপদেশ দেয় ধৈর্য ধারণের ❞[আছর,২-৩]. কেউ অলসতা করে আমল না করার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কেউ আবার মন্দ কাজ করার কারনে ক্ষতি হয়। অনেকেই আবার সৎ উদ্দেশ্যে সৎ আমল করেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কে বড় ক্ষতিগ্রস্থঃ ▪️যেসব ইবাদাত পরিত্যাগ করলে মানুষ বড় ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার একটি হচ্ছে ছালাত। ছালাত এমন একটি ইবাদত যা ত্যাগ করলে মানুষের আর কেনো ইবাদত গ্রহণ করা হবে না। ছালাত ত্যাগ করলে মানুষ মুসলিম থাকে না। ছালাত ত্যাগ কারীর ঠিকানা জাহান্নাম। ▪️যেসকল বিদ্যান বিদ্যা অনুযায়ী আমল করে না, মৃত্যুর ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাদের মাথা কে পাথর দ্বারা ভেঙে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে।আর যারা শুধু দূনিয়া লাভের উদ্দেশ্য বিদ্যা অর্জন করবে, তারা জান্নাত লাভে ব্যর্থ হবে। ▪️শরীয়তের মৌলিক বিধি- বিধান অপরিবর্তনীয়।এতে কোনো প্রকার সংযোজন- বিয়োজন চলে না। এর মধ্যে নতুন কিছু করলে তা প্রত্যাখান করা হবে,তার পরকাল ভয়াবহ। অর্থাৎ বিদআতকারী ক্ষতিগ্রস্থ। ▪️পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাপ হচ্ছে শিরক করা। আল্লাহু তাআলা বলেন- ❝নিশ্চয়ই শিরক বড় অত্যাচার ❞[লুকমান,১৩] যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে মারা যাবে সে জাহান্নামে যাবে। ▪️যারা যাচাই বাছাই করে হাদিস বর্ননা করে না, বরং জনসমাজে সুনাম অর্জনের জন্য অথবা মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য জাল জয়িফ হাদিস বা মিথ্যা ঘটনা বর্ণনা করে, তাদের থাকার জায়গা জাহান্নাম। আমরা আখিরাতকে ভুলে গিয়ে দুনিয়ায় মিছে সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি। আমরা পাপকে পাপ মনে করি না। জেনে না জেনে বড় ছোট অনেক পাপ করে ফেলেছি। এমন ও আছে যে আমরা জানিও না কোনটা পাপ।সওয়াবের আশায় বিদআত করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।হাশরের মাঠে দেখা যাবে এগুলো দুনিয়ায় ভলোর জন্য করে আজ এগুলো আমাদের জাহান্নামের যাওয়ার কারন হচ্ছে । আর এগুলো আমাদের ইলম এর অভাবে হয়। ❝ কে বড় ক্ষতিগ্রস্থ ❞ বইটিতে কোরআন ও সহীহ হাদিস এর আলোকে চমৎকার ভাবে ছোট বড় সকল পাপ কাজ এর বিশদ আলোচনা করা হয়ছে। বইটি পড়লে মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করে নিতে পারবে। এজন্য সকলের উচিত বইটি পড়া। স্পেশালি যারা সদ্য দ্বীনে ফেরা বা নিজেকে পরিবর্তন করতে চায় তাদের জন্য বইটি খুবই উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।









