
খলিফাতুল মুসলিমিন আলী ইবনু আবি তালিব রা. - প্রথম খন্ড
Related Products

আবু বকর সিদ্দিক রা. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে পরিশীলিত, গভীর এবং অনুপ্রেরণামূলক একটি কাজ

আর রাহিকুল মাখতুম (হার্ডকভার)

কিতাবুল ফিতান - দ্বিতীয় খণ্ড (হার্ডকভার)

কিমিয়ায়ে সা’আদাত: ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী রহ.
কিমিয়ায়ে সা’আদাত—ইমাম গাজালী রহ.–র সর্বাধিক প্রসিদ্ধ আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলোর একটি, ১ম খন্ডে আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবির এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাধর্মী গ্রন্থে চতুর্থ খলিফা ও রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর চাচাতো ভাই, জামাতা এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহাবি আলী ইবনু আবি তালিব (রা.)–এর জীবন, চরিত্র ও নেতৃত্ব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বইটি তাঁর শৈশব, ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে অবদান, সাহসিকতা, জ্ঞান, ন্যায়পরায়ণতা এবং আধ্যাত্মিক উচ্চতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেয়। গ্রন্থে তাঁর খিলাফতের রাজনৈতিক বাস্তবতা—বিশেষ করে জামাল যুদ্ধ, সিফফিন যুদ্ধ, তাহকিম ইস্যু এবং খারিজিদের উদ্ভব—পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাল্লাবি নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখিয়েছেন কিভাবে আলী (রা.) অস্থিরতা ও বিভেদের জটিল সময়ে ন্যায়, আলোচনা এবং সত্যের ওপর দৃঢ় অবস্থানে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এ বইতে আলী (রা.)–এর প্রশাসনিক নীতি, বিচারব্যবস্থা, সমাজকল্যাণমূলক চিন্তাধারা এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সাদাসিধেতা বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। লেখক তুলে ধরেছেন তাঁর অতুলনীয় বাগ্মিতা, যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব, শত্রুর প্রতিও নরম হৃদয় এবং মুমিনদের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠার নিরন্তর প্রচেষ্টা। গ্রন্থটি পাঠককে আলী (রা.)–এর ব্যক্তিত্ব, ইসলামের প্রতি তাঁর অবদান এবং খোলাফায়ে রাশেদার যুগের জটিল ইতিহাস সম্পর্কে গভীর ও সঠিক উপলব্ধি প্রদান করে। এটি ইসলামী ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য এক বিশ্বস্ত দলিল এবং অনন্য রেফারেন্স।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবির এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাধর্মী গ্রন্থে চতুর্থ খলিফা ও রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর চাচাতো ভাই, জামাতা এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহাবি আলী ইবনু আবি তালিব (রা.)–এর জীবন, চরিত্র ও নেতৃত্ব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বইটি তাঁর শৈশব, ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে অবদান, সাহসিকতা, জ্ঞান, ন্যায়পরায়ণতা এবং আধ্যাত্মিক উচ্চতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেয়। গ্রন্থে তাঁর খিলাফতের রাজনৈতিক বাস্তবতা—বিশেষ করে জামাল যুদ্ধ, সিফফিন যুদ্ধ, তাহকিম ইস্যু এবং খারিজিদের উদ্ভব—পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাল্লাবি নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখিয়েছেন কিভাবে আলী (রা.) অস্থিরতা ও বিভেদের জটিল সময়ে ন্যায়, আলোচনা এবং সত্যের ওপর দৃঢ় অবস্থানে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এ বইতে আলী (রা.)–এর প্রশাসনিক নীতি, বিচারব্যবস্থা, সমাজকল্যাণমূলক চিন্তাধারা এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সাদাসিধেতা বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। লেখক তুলে ধরেছেন তাঁর অতুলনীয় বাগ্মিতা, যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব, শত্রুর প্রতিও নরম হৃদয় এবং মুমিনদের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠার নিরন্তর প্রচেষ্টা। গ্রন্থটি পাঠককে আলী (রা.)–এর ব্যক্তিত্ব, ইসলামের প্রতি তাঁর অবদান এবং খোলাফায়ে রাশেদার যুগের জটিল ইতিহাস সম্পর্কে গভীর ও সঠিক উপলব্ধি প্রদান করে। এটি ইসলামী ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য এক বিশ্বস্ত দলিল এবং অনন্য রেফারেন্স।

