
মুসলিম নারী (হার্ডকভার)
জীবনাচার, মর্যাদা, সাজসজ্জা, পর্দা
জীবনাচার, মর্যাদা, সাজসজ্জা, পর্দা
Related Products

কেমন হবে মুমিন নারীর পোশাক ও পর্দা
মুফতি শাব্বীর আহমদ
বইটি ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর পোশাক ও পর্দার সঠিক নিয়ম ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছে। শালীন পোশাক ও হিজাব নারীর সৌন্দর্য, মর্যাদা ও সতীত্বের প্রতীক। সঠিক পর্দা মানসিক আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মিক প্রশান্তি এনে দেয়।

জান্নাতি মেয়েদের গুণাবলি (হার্ডকভার)
মাওলানা জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দি

জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো (পেপারব্যাক)
ড. হানান লাশিন

দাম্পত্যজীবন হোক সুখময় (পেপারব্যাক)
ড. হাসসান শামসি পাশা

নারী তুমি ভাগ্যবতী (হার্ডকভার)
ড. আয়েয আল কারনী

পারিবারিক সম্পর্কের বুনন (পেপারব্যাক)
প্রফেসর ড. আব্দুল কারিম বাক্কার
আদর্শ পরিবার সিরিজ : ০৩

মহীয়সী খাদিজা রাদি. জীবন ও গল্প (হার্ডকভার)
ইবরাহিম মুহাম্মদ হাসান আল জামাল

মহীয়সী আছিয়া আ. : জীবন ও গল্প (হার্ডকভার)
শাইখ মাহমুদ শালাবি
‘মুসলিম নারী’ বইটি মাওলানা মুহাম্মদ আসলাম শেখোপুরী রহ.-এর নারীবিষয়ক চমৎকার চারটি বয়ান সংকলন। ইসলামে নারীর মর্যাদা, আদর্শ মুসলিম রমণী, পর্দা নারীর ভূষণ এবং নারীর সাজসজ্জা ও ইসলাম—গুরুত্বপূর্ণ এ চারটি বিষয় নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। লেখক বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ থেকে বইয়ে প্রমাণ করেছেন ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। একজন আদর্শ মুসলিম রমণীর কী কী গুণ থাকতে পারে, মুসলিম ইতিহাসে মহীয়সী নারীদের জীবন কেমন ছিল, মহীয়সী নারী হতে হলে পর্দার বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে অবহিল এ বিষয়টি নিয়ে লেখক খুব দরদ নিয়ে অধ্যায়টি বিন্যাস করেছেন। পর্দার হুকুম আসা মানে এ নয় যে, নারী তাকে সাজসজ্জায় ইসলাম বাধা দিয়েছে। ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়কে সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। শুধু অনুমতিই দেয়নি; বরং আদেশও করেছে। কিন্তু এর জন্য ইসলামের কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। উপমা ও বাস্তবতার নিরীখে লেখক এ বিষয়টিও আকর্ষণীয় করে বইতে ফুটিয়ে তুলেছেন। মোটকথা, এ বইটি পড়ার দ্বারা একজন মুসলিম নারীর তার আদর্শগত বিষয়ে আরও সচেতন ও সংশোধন হবে ইনশাআল্লাহ।
‘মুসলিম নারী’ বইটি মাওলানা মুহাম্মদ আসলাম শেখোপুরী রহ.-এর নারীবিষয়ক চমৎকার চারটি বয়ান সংকলন। ইসলামে নারীর মর্যাদা, আদর্শ মুসলিম রমণী, পর্দা নারীর ভূষণ এবং নারীর সাজসজ্জা ও ইসলাম—গুরুত্বপূর্ণ এ চারটি বিষয় নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। লেখক বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ থেকে বইয়ে প্রমাণ করেছেন ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। একজন আদর্শ মুসলিম রমণীর কী কী গুণ থাকতে পারে, মুসলিম ইতিহাসে মহীয়সী নারীদের জীবন কেমন ছিল, মহীয়সী নারী হতে হলে পর্দার বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে অবহিল এ বিষয়টি নিয়ে লেখক খুব দরদ নিয়ে অধ্যায়টি বিন্যাস করেছেন। পর্দার হুকুম আসা মানে এ নয় যে, নারী তাকে সাজসজ্জায় ইসলাম বাধা দিয়েছে। ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়কে সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। শুধু অনুমতিই দেয়নি; বরং আদেশও করেছে। কিন্তু এর জন্য ইসলামের কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। উপমা ও বাস্তবতার নিরীখে লেখক এ বিষয়টিও আকর্ষণীয় করে বইতে ফুটিয়ে তুলেছেন। মোটকথা, এ বইটি পড়ার দ্বারা একজন মুসলিম নারীর তার আদর্শগত বিষয়ে আরও সচেতন ও সংশোধন হবে ইনশাআল্লাহ।

