
নারী, নাস্তিক, মিডিয়া ও সংস্কৃতি (হার্ডকভার)
Related Products

চার খলিফার জীবনী প্যাকেজ (হার্ডকভার)
ড. মুহাম্মাদ সাইয়িদ ওয়াকিল

দ্যা থিউরি অব চেঞ্জ (পেপারব্যাক)
ড. এম শাহেদুল ইসলাম

শিয়া উৎপত্তি, চিন্তাধারা ও ক্রমবিকাশ (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি

ইসলামের চোখে নারী (হার্ডকভার)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
[ইসলামের নারীর অবস্থান এবং বৃহত্তর সমাজে নারীর অংশগ্রহণের বিধান]
দেশ ও জাতির নানা সংকটকালে সচেতন সমাজকে দিকনির্দেশনা প্রদান করা, শত্রুপক্ষকে হুঁশিয়ারি দেওয়া, শিক্ষিত সমাজকে আলোড়িত করা কখনও নির্দিষ্ট সময় কিংবা বিশেষ জানোগোষ্ঠির সাথে সম্পৃক্ত নয় বরং তা সব সময় ও সকল প্রজন্মের জন্যই জরুরী এবং দরকারী। বর্তমানে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য নাস্তিকরা ও তাদের অনুসারী মিডিয়াগুলো কিভাবে নারীদেরকে ব্যবহার করছে, বিজাতীয় মিডিয়ার কুপ্রভাবে তরুণ-তরুণীরা কিভাবে তাদের দিন-দুনিয়া নষ্ট করছে, বাংলা ভাষাকে নাস্তিকরা কেনো তাদের নিজেদের সম্পত্তি দাবি করছে, কেনো তারা ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরকে বলছে ‘তোদের শিকড় নাই’, কারা কোন উদ্দেশে ভাষ্কর্যের নামে এদেশে মূর্তির সংস্কৃতি চালু করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এ জাতীয় সকল সমস্যা ও তার সম্ভাব্য প্রতিকার নিয়ে রচিত হয়েছে বিজ্ঞ লেখক, কবি মুহিব খানের ‘নারী নাস্তিক মিডিয়া ও সংস্কৃতি’ বইটি। বইটিতে নাস্তিকদের মিডিয়া ও তাদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের মানুষগণ কিভাবে সোশাল মিডিয়ার জগতে এগিয়ে থাকবে, কিভাবে তাদের কুপ্রভাবকে প্রতিহত করবে তার সুন্দর ও সুনিপুণ সমাধান দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সমস্যাগুলোতে এই সময়ের ও আগামী প্রজন্মের ধর্মপ্রাণ, নীতি-আদর্শবান, দেশপ্রেমিক মানুষদের পক্ষে যুক্তি, তথ্য-উপাত্তপূর্ণ এই বইটি সত্য-সুন্দর ও বাস্তবতার পথনির্দেশ করতে অব্যার্থ হাতিয়ার হিসেবে কাজে আসবে।
মুহিব খান
মুহিব খান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮০ সালের ১২ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখক, কবি ও সাংবাদিক, যিনি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিষয়সহ কাব্যগ্রন্থ রচনা করে পাঠক সমাজে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। মুহিব খানের লেখা সহজ, বোধগম্য ও বিশ্লেষণাত্মক ভাষায় লেখা হয়, যা সাধারণ পাঠক থেকে শিক্ষাবিদ ও গবেষকদেরও আকৃষ্ট করে। তার লিখিত কিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: গল্প ও প্রবন্ধ: নতুন দিগন্ত, সমকালীন বাংলাদেশ: একটি বিশ্লেষণ, চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, সামাজিক বাস্তবতা ও সমালোচনা, রাজনীতি ও জনমানস, কাব্যগ্রন্থ: রাতের নীরবতা, চোখের জল ও হাসি, ভাঙা স্বপ্নের গল্প, মুহিব খান বাংলাদেশের সাহিত্যে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত, যিনি পাঠকদের চিন্তাশীল, সমসাময়িক ও শিক্ষামূলক লেখা উপহার দেন।
View all books by this author →মুহিব খান
মুহিব খান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮০ সালের ১২ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখক, কবি ও সাংবাদিক, যিনি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিষয়সহ কাব্যগ্রন্থ রচনা করে পাঠক সমাজে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। মুহিব খানের লেখা সহজ, বোধগম্য ও বিশ্লেষণাত্মক ভাষায় লেখা হয়, যা সাধারণ পাঠক থেকে শিক্ষাবিদ ও গবেষকদেরও আকৃষ্ট করে। তার লিখিত কিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: গল্প ও প্রবন্ধ: নতুন দিগন্ত, সমকালীন বাংলাদেশ: একটি বিশ্লেষণ, চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, সামাজিক বাস্তবতা ও সমালোচনা, রাজনীতি ও জনমানস, কাব্যগ্রন্থ: রাতের নীরবতা, চোখের জল ও হাসি, ভাঙা স্বপ্নের গল্প, মুহিব খান বাংলাদেশের সাহিত্যে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত, যিনি পাঠকদের চিন্তাশীল, সমসাময়িক ও শিক্ষামূলক লেখা উপহার দেন।
View all books →দেশ ও জাতির নানা সংকটকালে সচেতন সমাজকে দিকনির্দেশনা প্রদান করা, শত্রুপক্ষকে হুঁশিয়ারি দেওয়া, শিক্ষিত সমাজকে আলোড়িত করা কখনও নির্দিষ্ট সময় কিংবা বিশেষ জানোগোষ্ঠির সাথে সম্পৃক্ত নয় বরং তা সব সময় ও সকল প্রজন্মের জন্যই জরুরী এবং দরকারী। বর্তমানে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য নাস্তিকরা ও তাদের অনুসারী মিডিয়াগুলো কিভাবে নারীদেরকে ব্যবহার করছে, বিজাতীয় মিডিয়ার কুপ্রভাবে তরুণ-তরুণীরা কিভাবে তাদের দিন-দুনিয়া নষ্ট করছে, বাংলা ভাষাকে নাস্তিকরা কেনো তাদের নিজেদের সম্পত্তি দাবি করছে, কেনো তারা ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরকে বলছে ‘তোদের শিকড় নাই’, কারা কোন উদ্দেশে ভাষ্কর্যের নামে এদেশে মূর্তির সংস্কৃতি চালু করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এ জাতীয় সকল সমস্যা ও তার সম্ভাব্য প্রতিকার নিয়ে রচিত হয়েছে বিজ্ঞ লেখক, কবি মুহিব খানের ‘নারী নাস্তিক মিডিয়া ও সংস্কৃতি’ বইটি। বইটিতে নাস্তিকদের মিডিয়া ও তাদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের মানুষগণ কিভাবে সোশাল মিডিয়ার জগতে এগিয়ে থাকবে, কিভাবে তাদের কুপ্রভাবকে প্রতিহত করবে তার সুন্দর ও সুনিপুণ সমাধান দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সমস্যাগুলোতে এই সময়ের ও আগামী প্রজন্মের ধর্মপ্রাণ, নীতি-আদর্শবান, দেশপ্রেমিক মানুষদের পক্ষে যুক্তি, তথ্য-উপাত্তপূর্ণ এই বইটি সত্য-সুন্দর ও বাস্তবতার পথনির্দেশ করতে অব্যার্থ হাতিয়ার হিসেবে কাজে আসবে।





