
নবী ও সাহাবা-যুগে হাদিস সংকলনের ইতিহাস
ইতিবাচক পদ্ধতিতে হাদিস সংরক্ষণ ও সংকলনের ঐতিহাসিক তথ্যগুলো একত্রিত করা হয়েছে
ইতিবাচক পদ্ধতিতে হাদিস সংরক্ষণ ও সংকলনের ঐতিহাসিক তথ্যগুলো একত্রিত করা হয়েছে
Related Products

আর রাহিকুল মাখতুম (তাহকিক সংস্করণ) (হার্ডকভার)
![শামায়েলে তিরমিজি [নবিজি এমন ছিলেন] (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)](https://cdn.muslimdome.com/8a082006-1e22-4a2d-acfc-c273f90de508.jpg)
শামায়েলে তিরমিজি [নবিজি এমন ছিলেন] (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)

কিমিয়ায়ে সা’আদাত: ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী রহ.
কিমিয়ায়ে সা’আদাত—ইমাম গাজালী রহ.–র সর্বাধিক প্রসিদ্ধ আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলোর একটি, ১ম খন্ডে আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

রিয়াদুস সালিহীন (প্রথম খণ্ড ও দ্বিতীয় খণ্ড)
ইমাম মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া আন-নববী (রহ.)
সহিহ হাদিসের আলোকে দুনিয়া ও পরকালের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কালজয়ী গ্রন্থ
ইসলামী শরীয়াতের শাশ্বত অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে প্রাচ্যবিদ, মডার্নিস্ট ও কুরআনিস্টরা (বা হাদিস অস্বীকারকারীরা) যে দাবি, সংশয় ও আপত্তিগুলো উত্থাপন করে থাকে, তার মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি হলো—নববী যুগে হাদিস সংকলন করা হয়নি; বরং নবীজির পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা ছিল হাদিস লিখে রাখার ব্যাপারে। তাই নবী ও সাহাবা-যুগে যথাযথভাবে হাদিস সংকলিত হয়নি। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর, হিজরি তৃতীয় শতাব্দীতে এসে বিচ্ছিন্নভাবে হাদিস সংকলন শুরু হয়। তাই এ-অস্বচ্ছতা ও অনিশ্চয়তাপূর্ণ হাদিস শরীয়াতের উৎস বা দলিল হিসেবে গণ্য হতে পারে না। বিশুদ্ধ ইতিহাসের আলোকে এ-দাবি, সংশয় বা আপত্তির অসারতা প্রমাণে পাকিস্তানের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী রহিমাহুল্লাহ রচনা করেছেন এ-প্রামাণ্য গ্রন্থটি। এখানে তিনি বিতর্ক বা খণ্ডনমূলক জবাব-পাল্টাজবাবের পরিবর্তে ইতিবাচক পদ্ধতিতে হাদিস সংরক্ষণ ও সংকলনের ঐতিহাসিক তথ্যগুলো একত্রিত করেছেন। নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রের ওপর ভিত্তি করে বিশুদ্ধ ইতিহাসের আলোকে নবী-যুগ থেকে বর্তমান পর্যন্ত যেসব শক্তিশালী উপায়ে হাদিস সংরক্ষণ হয়েছে এবং এর জন্য উম্মাহর তারকাতুল্য মনীষীগণ যে-অসামান্য অবদান রেখেছেন, সে-বিস্তৃত ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত সারনির্যাস তিনি তুলে ধরেছেন এ-বইয়ে।
ইসলামী শরীয়াতের শাশ্বত অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে প্রাচ্যবিদ, মডার্নিস্ট ও কুরআনিস্টরা (বা হাদিস অস্বীকারকারীরা) যে দাবি, সংশয় ও আপত্তিগুলো উত্থাপন করে থাকে, তার মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি হলো—নববী যুগে হাদিস সংকলন করা হয়নি; বরং নবীজির পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা ছিল হাদিস লিখে রাখার ব্যাপারে। তাই নবী ও সাহাবা-যুগে যথাযথভাবে হাদিস সংকলিত হয়নি। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর, হিজরি তৃতীয় শতাব্দীতে এসে বিচ্ছিন্নভাবে হাদিস সংকলন শুরু হয়। তাই এ-অস্বচ্ছতা ও অনিশ্চয়তাপূর্ণ হাদিস শরীয়াতের উৎস বা দলিল হিসেবে গণ্য হতে পারে না। বিশুদ্ধ ইতিহাসের আলোকে এ-দাবি, সংশয় বা আপত্তির অসারতা প্রমাণে পাকিস্তানের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী রহিমাহুল্লাহ রচনা করেছেন এ-প্রামাণ্য গ্রন্থটি। এখানে তিনি বিতর্ক বা খণ্ডনমূলক জবাব-পাল্টাজবাবের পরিবর্তে ইতিবাচক পদ্ধতিতে হাদিস সংরক্ষণ ও সংকলনের ঐতিহাসিক তথ্যগুলো একত্রিত করেছেন। নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রের ওপর ভিত্তি করে বিশুদ্ধ ইতিহাসের আলোকে নবী-যুগ থেকে বর্তমান পর্যন্ত যেসব শক্তিশালী উপায়ে হাদিস সংরক্ষণ হয়েছে এবং এর জন্য উম্মাহর তারকাতুল্য মনীষীগণ যে-অসামান্য অবদান রেখেছেন, সে-বিস্তৃত ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত সারনির্যাস তিনি তুলে ধরেছেন এ-বইয়ে।