
নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ (হার্ডকভার)
Related Products
নবিজীবনী প্রতিজন মুমিনের পাঠ ও চর্চার সবচেয়ে আনন্দময় বিষয়। মুমিনের হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটাতে রাসুল সা.-এর সিরাত নিয়ে পৃথিবীব্যাপী অসংখ্য-অগণিত কাজ হয়েছে এবং হচ্ছেও। তবু কারুর হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটেনি কোনো দিন। মানুষ তার প্রিয়তম রাসুলকে যত বেশি জানতে পেরেছে—আরও তত জানতে চেয়েছে। এক ঐশ্বরিক ভালোবাসায় নবিজির জীবনকে জানতে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে সেই নবুওত-পরবর্তী সময় থেকেই ঘুরে বেড়িয়েছে রাসুল-প্রেমিক প্রতিটি মানুষ! এরই ধারাবাহিকতায় বিখ্যাত উরদু সাহিত্যিক মাওলানা আসির আদরবির ‘নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ’ সিরাতের পালকে এক অনন্য সংযোজন। সিরাত পড়তে গিয়ে আমরা সাধারণত প্রথতেই যে সমস্যায় পড়ি, তা হচ্ছে—এতগুলো সিরাতের মধ্যে আমরা ঠিক কোনটি পড়ব, কেন পড়ব, আবার যে সিরাতগ্রন্থ পড়ব—তা কতটা বিশুদ্ধ মানের! এইসব বাস্তবতার দিকে লক্ষ রেখেই মাওলানা আসির আদরবি রচনা করেছেন সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিত ও বিশুদ্ধতম এক নবিজীবনী—‘নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ’। এতে তথ্য ও তত্ত্বের ভরাট বিন্যাস, বিশুদ্ধতম হাদিসের নির্যাস ও হৃদয়ের পবিত্রতম অনুভূতি দিয়ে স্পর্শ করা হয়েছে চৌদ্দশত বছর পূর্বেকার প্রিয়তম রাসুলের জীবন। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে আলোচনা শুরু হয়েছে প্রিয় নবি সা.-এর নূরের পর্বত—হেরা গুহায় নবুওতপ্রাপ্তি থেকে। এরপর রাসুল সা.-এর দাওয়াতি জিন্দেগি, কাফির কর্তৃক অত্যাচার-নিপীড়ন, সাহাবায়ে কেরাম রাজি.-গণের সংগ্রামী জীবন, হিজরত এবং হিজরত-পরবর্তী রাসুল সা.-এর কর্ম এবং সর্বশেষ রাসুল সা.-এর ইন্তেকাল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে নবুওয়তের পূর্বের আলোচনা খুব একটা আনা হয়নি। অবশ্য বইটির যে উদ্দেশ্য, তাতে তা আনা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণও ছিল না। নবুওয়তের পরবর্তী আলোচনাই মূলত গ্রন্থটির মুখ্য উদ্দেশ্য। রাসুলের জীবনের নবুওত-পরবর্তী জীবনই যেহেতু একজন মুমিনের মূল আলোচ্য বিষয়, তাই বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতেও এ সময়টাকে প্রাধাণ্য দেওয়া হয়েছে। অনুবাদকের ভাষায়—‘মাওলানা আসির আদরবির লেখার তথ্য যেমন আমাকে ঋদ্ধ করে, বর্ণনার ভাষা ও শিল্প অনুভূতি জুড়ে ছড়িয়ে দেয় প্রাণের উত্তাপ। তার প্রবন্ধ-সংকলন আফকারে আলম তো আধুনিক উরদু গদ্যের শ্রেষ্ঠ নমুনা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে লিখবার এক নীরব তৃষ্ণা সব সময় অনুভব করি। বিশেষ করে নবিজির সরল ও শুদ্ধ জীবনীগ্রন্থের প্রয়োজন ও অভাব অনুভব করি ভেতর থেকে। যারা সাধারণ শিক্ষিত, তাদের উপযোগী গ্রন্থের অভাবের কথা—বিশেষ করে সচেতন আলেমগণ ভালো করেই উপলব্ধি করেন। মাওলানা আসির আদরবির এই গ্রন্থ ওই অভাবের জায়গাটা কিছুটা হলেও পূরণ করবে—আশা রাখি। উরদু ভাষার সাহিত্যমহলে তিনি আলোচিত, বিখ্যাত ও স্বীকৃত।’ এমনিতে ইসলামি বইয়ের পাঠকমাত্রই মাওলান যাইনুল আবিদীনের গদ্যভঙ্গির সৌন্দর্য ও অনুবাদে সাবলীলতার কথা জানেন। আলাদা করে তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। এমনকি তিনি অনুবাদ করলেও বোঝার উপায় নেই—এটি মৌলিক নাকি অনুবাদ! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটির পাঠে আরও একবার দেখা মিলবে রাসুলপ্রেমে বিশ্বাসী ও সুখদ গদ্যের এক যাইনুল আবিদীনের।সিরাত নিয়ে সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিত ও বিশুদ্ধতম এই গ্রন্থটি আপনার নিত্যপাঠ এবং সারাজীবনের সঙ্গী হোক।
নবিজীবনী প্রতিজন মুমিনের পাঠ ও চর্চার সবচেয়ে আনন্দময় বিষয়। মুমিনের হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটাতে রাসুল সা.-এর সিরাত নিয়ে পৃথিবীব্যাপী অসংখ্য-অগণিত কাজ হয়েছে এবং হচ্ছেও। তবু কারুর হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটেনি কোনো দিন। মানুষ তার প্রিয়তম রাসুলকে যত বেশি জানতে পেরেছে—আরও তত জানতে চেয়েছে। এক ঐশ্বরিক ভালোবাসায় নবিজির জীবনকে জানতে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে সেই নবুওত-পরবর্তী সময় থেকেই ঘুরে বেড়িয়েছে রাসুল-প্রেমিক প্রতিটি মানুষ! এরই ধারাবাহিকতায় বিখ্যাত উরদু সাহিত্যিক মাওলানা আসির আদরবির ‘নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ’ সিরাতের পালকে এক অনন্য সংযোজন। সিরাত পড়তে গিয়ে আমরা সাধারণত প্রথতেই যে সমস্যায় পড়ি, তা হচ্ছে—এতগুলো সিরাতের মধ্যে আমরা ঠিক কোনটি পড়ব, কেন পড়ব, আবার যে সিরাতগ্রন্থ পড়ব—তা কতটা বিশুদ্ধ মানের! এইসব বাস্তবতার দিকে লক্ষ রেখেই মাওলানা আসির আদরবি রচনা করেছেন সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিত ও বিশুদ্ধতম এক নবিজীবনী—‘নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ’। এতে তথ্য ও তত্ত্বের ভরাট বিন্যাস, বিশুদ্ধতম হাদিসের নির্যাস ও হৃদয়ের পবিত্রতম অনুভূতি দিয়ে স্পর্শ করা হয়েছে চৌদ্দশত বছর পূর্বেকার প্রিয়তম রাসুলের জীবন। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে আলোচনা শুরু হয়েছে প্রিয় নবি সা.-এর নূরের পর্বত—হেরা গুহায় নবুওতপ্রাপ্তি থেকে। এরপর রাসুল সা.-এর দাওয়াতি জিন্দেগি, কাফির কর্তৃক অত্যাচার-নিপীড়ন, সাহাবায়ে কেরাম রাজি.-গণের সংগ্রামী জীবন, হিজরত এবং হিজরত-পরবর্তী রাসুল সা.-এর কর্ম এবং সর্বশেষ রাসুল সা.-এর ইন্তেকাল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে নবুওয়তের পূর্বের আলোচনা খুব একটা আনা হয়নি। অবশ্য বইটির যে উদ্দেশ্য, তাতে তা আনা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণও ছিল না। নবুওয়তের পরবর্তী আলোচনাই মূলত গ্রন্থটির মুখ্য উদ্দেশ্য। রাসুলের জীবনের নবুওত-পরবর্তী জীবনই যেহেতু একজন মুমিনের মূল আলোচ্য বিষয়, তাই বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতেও এ সময়টাকে প্রাধাণ্য দেওয়া হয়েছে। অনুবাদকের ভাষায়—‘মাওলানা আসির আদরবির লেখার তথ্য যেমন আমাকে ঋদ্ধ করে, বর্ণনার ভাষা ও শিল্প অনুভূতি জুড়ে ছড়িয়ে দেয় প্রাণের উত্তাপ। তার প্রবন্ধ-সংকলন আফকারে আলম তো আধুনিক উরদু গদ্যের শ্রেষ্ঠ নমুনা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে লিখবার এক নীরব তৃষ্ণা সব সময় অনুভব করি। বিশেষ করে নবিজির সরল ও শুদ্ধ জীবনীগ্রন্থের প্রয়োজন ও অভাব অনুভব করি ভেতর থেকে। যারা সাধারণ শিক্ষিত, তাদের উপযোগী গ্রন্থের অভাবের কথা—বিশেষ করে সচেতন আলেমগণ ভালো করেই উপলব্ধি করেন। মাওলানা আসির আদরবির এই গ্রন্থ ওই অভাবের জায়গাটা কিছুটা হলেও পূরণ করবে—আশা রাখি। উরদু ভাষার সাহিত্যমহলে তিনি আলোচিত, বিখ্যাত ও স্বীকৃত।’ এমনিতে ইসলামি বইয়ের পাঠকমাত্রই মাওলান যাইনুল আবিদীনের গদ্যভঙ্গির সৌন্দর্য ও অনুবাদে সাবলীলতার কথা জানেন। আলাদা করে তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। এমনকি তিনি অনুবাদ করলেও বোঝার উপায় নেই—এটি মৌলিক নাকি অনুবাদ! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটির পাঠে আরও একবার দেখা মিলবে রাসুলপ্রেমে বিশ্বাসী ও সুখদ গদ্যের এক যাইনুল আবিদীনের।সিরাত নিয়ে সংক্ষিপ্ত অথচ বিস্তারিত ও বিশুদ্ধতম এই গ্রন্থটি আপনার নিত্যপাঠ এবং সারাজীবনের সঙ্গী হোক।









