
পৃথিবীর পথে পথে (পেপারব্যাক)
Related Products
ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিস্তৃত হয়, নিজের অসহায়ত্বের অনুভূতি এবং আল্লাহর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে; বিশ্বাসে অবিচলতা আসে। বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রকার মানুষের সাথে মেলামেশার ফলে মানুষের মানসিকতার পরিধি বিস্তৃত হয়, এবং মানুষ জাতীয়তাবাদের ক্ষুদ্রতা থেকে উত্তরণ করে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের স্বাদ আস্বাদন করতে সক্ষম হয়। যেখানে সৎ উপার্জনের সংস্থান সম্ভব না হয়, পরিবারকে সৎ পথে পরিচালনা করা সম্ভব না হয়, নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না হয়, অথবা অন্যায়-অত্যাচার-উৎপীড়ন সহ্য করা অপরিহার্য হয়ে যায়, সেখানে প্রয়োজন হলে দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। কারণ, ‘সবাই ঘুস খেত বলে আমিও খেতাম; সংসার চালাতে পারতাম না বলে ঘুস খেতাম; পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে ঘুস খেতাম’—এমন বাহানাগুলো আল্লাহর সামনে গ্রহণযোগ্য হবে না। অসহায়ত্বের শিকার হয়েই হোক, বা শিক্ষাগ্রহণের মানসেই হোক, দেশত্যাগী এই মানুষগুলো সাধারণত দেশকে বড়ই ভালোবাসে। বিদেশ-বিভুঁইয়ে এসব মানুষের নানারকম সুখ-দুঃখের কাহিনি নিয়ে আমার এবারের উপস্থাপনা— পৃথিবীর পথে পথে । জীবনের এই জীবন্ত সব ঘটনাগুলোকে আমি চেষ্টা করেছি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে এবং সহজভাবে তুলে ধরতে। ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। আপনাদের ভালো লাগাই আমার শ্রমের সার্থকতা নির্দেশ করে। পৃথিবীর পথে পথে বইটি লেখিকার দীর্ঘদিনের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ফসল। সেই ফসলের কিছুটা আপনিও উপভোগ করতে পরে ফেলুন সুন্দর এই বইটি।
রেহনুমা বিনতে আনিস
জন্ম চট্টগ্রামে, শৈশব ঢাকায় কৈশাের আবুধাবী, পরিণত বয়েসে ভারতে এবং বিয়ের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসা। দীর্ঘদিন কানাডায় প্রবাস জীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন। আদশিক, উদারপন্থী এবং জ্ঞানানুসন্ধানী পরিবারে রেশমের গুটির মতাে নিরাপদ ও পরিশীলিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা। জীবনের পরবর্তী অংশে বন্ধুবান্ধব, পেশা, বিয়ে ইত্যাদির কারণে ব্যাপক সামাজিক সংস্পর্শে আসা। মূলত মুখচোরা বইপােকা। নানা রঙের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে কিছু তুলে ধরার প্রয়াস এবং সমাজের নানদিক দিয়ে চিন্তাশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানাের জন্যই মাঝেমধ্যে টুকটাক লেখালেখি। ইংরেজিতে অনার্স-মাস্টার্স এবং শিক্ষকতা করলেও বিশ্বসাহিত্য এবং জ্ঞানের কোনো অঙ্গনে বিচরণে আপত্তি নেই। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব চিট্টাগাং-এ শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন আবুধাবীস্থ ইয়াং টাইমস ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসেবে লেখার হাতেখড়ি। মাঝে বহুদিন পড়াশােনার মগ্ন থাকার পর মূলত ছাত্রছাত্রীদের চাপাচাপিতে লেখালেখিতে ফিরে আসা। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books by this author →রেহনুমা বিনতে আনিস
জন্ম চট্টগ্রামে, শৈশব ঢাকায় কৈশাের আবুধাবী, পরিণত বয়েসে ভারতে এবং বিয়ের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসা। দীর্ঘদিন কানাডায় প্রবাস জীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন। আদশিক, উদারপন্থী এবং জ্ঞানানুসন্ধানী পরিবারে রেশমের গুটির মতাে নিরাপদ ও পরিশীলিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা। জীবনের পরবর্তী অংশে বন্ধুবান্ধব, পেশা, বিয়ে ইত্যাদির কারণে ব্যাপক সামাজিক সংস্পর্শে আসা। মূলত মুখচোরা বইপােকা। নানা রঙের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে কিছু তুলে ধরার প্রয়াস এবং সমাজের নানদিক দিয়ে চিন্তাশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানাের জন্যই মাঝেমধ্যে টুকটাক লেখালেখি। ইংরেজিতে অনার্স-মাস্টার্স এবং শিক্ষকতা করলেও বিশ্বসাহিত্য এবং জ্ঞানের কোনো অঙ্গনে বিচরণে আপত্তি নেই। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব চিট্টাগাং-এ শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন আবুধাবীস্থ ইয়াং টাইমস ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসেবে লেখার হাতেখড়ি। মাঝে বহুদিন পড়াশােনার মগ্ন থাকার পর মূলত ছাত্রছাত্রীদের চাপাচাপিতে লেখালেখিতে ফিরে আসা। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books →ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিস্তৃত হয়, নিজের অসহায়ত্বের অনুভূতি এবং আল্লাহর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে; বিশ্বাসে অবিচলতা আসে। বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রকার মানুষের সাথে মেলামেশার ফলে মানুষের মানসিকতার পরিধি বিস্তৃত হয়, এবং মানুষ জাতীয়তাবাদের ক্ষুদ্রতা থেকে উত্তরণ করে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের স্বাদ আস্বাদন করতে সক্ষম হয়। যেখানে সৎ উপার্জনের সংস্থান সম্ভব না হয়, পরিবারকে সৎ পথে পরিচালনা করা সম্ভব না হয়, নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না হয়, অথবা অন্যায়-অত্যাচার-উৎপীড়ন সহ্য করা অপরিহার্য হয়ে যায়, সেখানে প্রয়োজন হলে দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। কারণ, ‘সবাই ঘুস খেত বলে আমিও খেতাম; সংসার চালাতে পারতাম না বলে ঘুস খেতাম; পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে ঘুস খেতাম’—এমন বাহানাগুলো আল্লাহর সামনে গ্রহণযোগ্য হবে না। অসহায়ত্বের শিকার হয়েই হোক, বা শিক্ষাগ্রহণের মানসেই হোক, দেশত্যাগী এই মানুষগুলো সাধারণত দেশকে বড়ই ভালোবাসে। বিদেশ-বিভুঁইয়ে এসব মানুষের নানারকম সুখ-দুঃখের কাহিনি নিয়ে আমার এবারের উপস্থাপনা— পৃথিবীর পথে পথে । জীবনের এই জীবন্ত সব ঘটনাগুলোকে আমি চেষ্টা করেছি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে এবং সহজভাবে তুলে ধরতে। ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। আপনাদের ভালো লাগাই আমার শ্রমের সার্থকতা নির্দেশ করে। পৃথিবীর পথে পথে বইটি লেখিকার দীর্ঘদিনের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ফসল। সেই ফসলের কিছুটা আপনিও উপভোগ করতে পরে ফেলুন সুন্দর এই বইটি।









