
রুহামাউ বাইনাহুম (হার্ডকভার)
মুমিনরা পরস্পরের প্রতি দয়ালু ও সহানুভূতিশীল
Select an Option
মুমিনরা পরস্পরের প্রতি দয়ালু ও সহানুভূতিশীল
Related Products
মুমিনরা পরস্পরের প্রতি দয়ালু ও সহানুভূতিশীল—এই কোরআনিক আদর্শকে কেন্দ্র করেই বইটির আলোচনা এগিয়েছে। গ্রন্থটিতে রাসুলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবায়ে কেরামের জীবন থেকে নেওয়া বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, কীভাবে পারস্পরিক দয়া, ক্ষমাশীলতা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা একটি সুন্দর ইসলামিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অহংকারের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকার দিকনির্দেশনাও এতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। “রুহামাউ বাইনাহুম” পাঠককে শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা দেয় না; বরং পরিবার, সমাজ ও উম্মাহর পরিসরে বাস্তব জীবনে দয়া ও ভ্রাতৃত্ববোধ কীভাবে চর্চা করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবমুখী অনুপ্রেরণা দেয়। যারা নিজেদের চরিত্র উন্নত করতে চান, পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর করতে চান এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, সহানুভূতিশীল মুসলিম সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখেন—এই বইটি তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books by this author →ড. রাগিব সারজানি
জন্ম ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মিশরের আলগারবিয়্যা জেলার আল-মাহাল্লাতুল কুবরা শহরে। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের অধ্যাপক; আরববিশ্ব যাকে চেনে বিশিষ্ট ইতিহাসগবেষক, ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেকচারার হিসাবে।ইসলামি ইতিহাস ও গবেষণানির্ভর বিভিন্ন বিষয় তার বুদ্ধিবৃত্তিক পদচারণার মূল অঙ্গন। ইসলামি ইতিহাসকেন্দ্রিক সর্ববৃহৎ ওয়েবসাইট www.islamstory.com-এর তত্ত্বাবধায়ক। অনবদ্য লিখনীগুণে লাভ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ।সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠনের সঙ্গে। লেখক-আলোচক ড. রাগিব সারজানির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—তিনি কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরেই ক্ষান্ত হন না বরং ইতিহাসের ধারাবিবরণী থেকে তুলে আনেন সুপ্ত নানা শিক্ষা ও নির্দেশনা, আগামীর পথচলার পাথেয় এবং জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির চিরন্তন সব সূত্র । তার চিন্তা, গবেষণা, লেখালেখি, দাওয়াতি কার্যক্রম, লেকচার-বক্তৃতা ইত্যাদি কর্মতৎপরতার মূল লক্ষ্য— মুসলিমজাতির জাগরণের কার্যকারণসমূহ নির্ণয় ও পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর সদ্ব্যবহার। উম্মাহর সদস্যদের হৃদয়জগতে দ্বীন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা ও প্রত্যাশা তৈরি করা। তাদেরকে চিন্তা ও চেতনা, জ্ঞান ও কর্মে অগ্রবর্তী হতে পথনির্দেশ করা। ইসলামি ইতিহাসের সঠিক ও প্রকৃত রূপ উন্মোচন করা । সভ্যতার বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সুস্পষ্ট করা । তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক, যার বেশ কয়েকটি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয়, রুশ ও তুর্কি ভাষায়।
View all books →মুমিনরা পরস্পরের প্রতি দয়ালু ও সহানুভূতিশীল—এই কোরআনিক আদর্শকে কেন্দ্র করেই বইটির আলোচনা এগিয়েছে। গ্রন্থটিতে রাসুলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবায়ে কেরামের জীবন থেকে নেওয়া বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, কীভাবে পারস্পরিক দয়া, ক্ষমাশীলতা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা একটি সুন্দর ইসলামিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অহংকারের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকার দিকনির্দেশনাও এতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। “রুহামাউ বাইনাহুম” পাঠককে শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা দেয় না; বরং পরিবার, সমাজ ও উম্মাহর পরিসরে বাস্তব জীবনে দয়া ও ভ্রাতৃত্ববোধ কীভাবে চর্চা করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবমুখী অনুপ্রেরণা দেয়। যারা নিজেদের চরিত্র উন্নত করতে চান, পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর করতে চান এবং একটি ঐক্যবদ্ধ, সহানুভূতিশীল মুসলিম সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখেন—এই বইটি তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।









