
শাসকের সামনে সত্য উচ্চারণের ইতিহাস (হার্ডকভার)
Related Products

আফগানিস্তানের ইতিহাস (তিন খণ্ড) (হার্ডকভার)

বায়তুল মাকদিস ও ফিলিস্তিনের ইতিহাস (হার্ডকভার)

স্পেনের পতন ও আমেরিকা আবিষ্কার (হার্ডকভার)

উমদাতুল আহকাম (হার্ডকভার)
মূলত সহিহাইন (সহিহ আল-বুখারি ও সহিহ মুসলিম) থেকে প্রমাণিত হাদিসগুলোই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

একশ’ সহীহ হাদীস (পেপারব্যাক)
একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু কার্যকর উৎস। সাধারণ পাঠক যেন সহজে মুখস্থ অথবা সময়মতো পাঠ করতে পারে।

কিতাবুল ফিতান (১ম খন্ড) - হার্ড কভার
'কিতাবুল ফিতান' মূলত মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস, কিয়ামতের পূর্ববর্তী অস্থিরতা, নানা বিভ্রান্তি এবং ফিতনা–ফ্যাসাদ সম্পর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ।

কিমিয়ায়ে সাআদাত - ৪র্থ খণ্ড (হার্ডকভার)
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী রহ.
কিমিয়ায়ে সা’আদাত–এর চতুর্থ খন্ডে দশটি পরিচ্ছেদে আলোচনা করেছেন
এটি ক্ষমতার সামনে সত্য কথা বলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে ইতিহাসের আলোকে উপস্থাপন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। ইসলামের ইতিহাস, বিভিন্ন খিলাফত আমল, এবং বিশ্বসভ্যতার নানা অধ্যায়ে এমন মানুষদের কথা তুলে ধরা হয়েছে যারা ভয়, নির্যাতন, কিংবা মৃত্যুর হুমকি উপেক্ষা করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন এবং ন্যায়ের পক্ষে অটল থেকেছেন। বইটিতে দেখানো হয়েছে— কিভাবে আলেম, দার্শনিক, সংস্কারক, বিদ্রোহী কবি, চিন্তক এবং সাধারণ মানুষও কখনো কখনো অত্যাচারী শাসকের সামনে অদম্য সাহস দেখিয়েছেন। তারা জানতেন সত্য উচ্চারণের মূল্য ভয়ংকর; তবুও ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলেন। বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনায় উঠে এসেছে অত্যাচারী শাসকদের নিষ্ঠুরতা, আবার একইসঙ্গে সত্যবাদীদের অবিনাশী মনোবল। লেখক সহজ ভাষায় বুঝিয়েছেন যে সত্যের শক্তি কখনো মরে না; বরং যুগে যুগে এটি শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে দৃঢ় অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঠক এতে শিখবে—কোনো সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সত্য বলার সাহসই হলো সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের চাবিকাঠি। বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য অধ্যায়গুলোতে আছে বিভিন্ন যুগের নির্ভীক ব্যক্তিত্বদের সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বাস্তব কাহিনি—যা বইটিকে তথ্যনির্ভর ও বিশ্বাসযোগ্য করেছে। বইটি পাঠককে শেখায়—সত্য বলা শুধু সাহস নয়, বরং এটি ঈমান, নৈতিকতা ও মানবিক দায়িত্বের অংশ। যুগ পরিবর্তন হলেও শাসকের অন্যায় ও সত্যের সংগ্রাম একই থাকে—এই বাস্তবতাকে বইটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে, যা পাঠককে নিজের সময় নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে।
এটি ক্ষমতার সামনে সত্য কথা বলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে ইতিহাসের আলোকে উপস্থাপন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। ইসলামের ইতিহাস, বিভিন্ন খিলাফত আমল, এবং বিশ্বসভ্যতার নানা অধ্যায়ে এমন মানুষদের কথা তুলে ধরা হয়েছে যারা ভয়, নির্যাতন, কিংবা মৃত্যুর হুমকি উপেক্ষা করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন এবং ন্যায়ের পক্ষে অটল থেকেছেন। বইটিতে দেখানো হয়েছে— কিভাবে আলেম, দার্শনিক, সংস্কারক, বিদ্রোহী কবি, চিন্তক এবং সাধারণ মানুষও কখনো কখনো অত্যাচারী শাসকের সামনে অদম্য সাহস দেখিয়েছেন। তারা জানতেন সত্য উচ্চারণের মূল্য ভয়ংকর; তবুও ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলেন। বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনায় উঠে এসেছে অত্যাচারী শাসকদের নিষ্ঠুরতা, আবার একইসঙ্গে সত্যবাদীদের অবিনাশী মনোবল। লেখক সহজ ভাষায় বুঝিয়েছেন যে সত্যের শক্তি কখনো মরে না; বরং যুগে যুগে এটি শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে দৃঢ় অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঠক এতে শিখবে—কোনো সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সত্য বলার সাহসই হলো সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের চাবিকাঠি। বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য অধ্যায়গুলোতে আছে বিভিন্ন যুগের নির্ভীক ব্যক্তিত্বদের সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বাস্তব কাহিনি—যা বইটিকে তথ্যনির্ভর ও বিশ্বাসযোগ্য করেছে। বইটি পাঠককে শেখায়—সত্য বলা শুধু সাহস নয়, বরং এটি ঈমান, নৈতিকতা ও মানবিক দায়িত্বের অংশ। যুগ পরিবর্তন হলেও শাসকের অন্যায় ও সত্যের সংগ্রাম একই থাকে—এই বাস্তবতাকে বইটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে, যা পাঠককে নিজের সময় নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে।