
সদাচরণ (পেপারব্যাক)
যে আমলে জান্নাত মেলে
Select an Option
যে আমলে জান্নাত মেলে
Related Products
আজকের বিশ্বে আধুনিকবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় যেমন ব্যাপকভাবে দাওয়াতি কাজক্রম চালিয়ে যাচ্ছি, সে তুলনায় ফিডব্যাকের মাত্রা যৎসামান্য। সেযুগে না ছিল এমন প্রযুক্তি, না ছিল এত শিক্ষা। তবে তাদের কাছে ছিল অভ্রান্ত অহীর বিধান। রাসুল (ছা.) এর ২৩ বছরের নবুয়াতি জীবনের সংস্পর্শে এসে কয়লা সোনায় পরিণত হয়েছিল। মহানবী এর উন্নত জীবনের আকর্ষণে মানুষ দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। এই সমাজ বিপ্লবে সফলতার পিছনে কাজ করেছে মুসলমানদের উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি। ছাহাবায়ে কেরামের মধ্যে সততা, আমানতদারিতা, নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সমাবেশ ঘটেছিল। আজকেও আমাদের কাছে সেই কুরআন আছে, হাদীছ আছে, নেই তার প্রকৃতরূণ ও বাস্তবায়ন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা আকীদা ও আমলের জ্ঞান শিখেছি এবং সেগুলো বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা ও বক্তৃতা মঞ্চে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি। মিথ্যাচার ও অন্যায় কাজে জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছি। অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ লুট করে সেই টাকায় হজ্জ করছি, দান-ছাদাকাও করছি। মিথ্যাচার ও ধোঁকাবাজি সমাজের রন্ধে রন্ধে মিশে গেছে। অথচ আবু সুফিয়ান কাফের অবস্থায় বাদশাহ হেরাক্লিয়াসের সামনে চিরশত্রু মুহাম্মাদ (ছা.) সংস্পর্কে মিথ্যা বলতে জিহবা আঁটকে গেছে। জাহেলি যুগে কাফেররা যা পারেনি আমরা আজ তা ডাল-ভাত বানিয়ে নিয়েছি। কি মসজিদ, কি মাদরাসা, কি ইসলামী সংগঠন, কিংবা দাওয়াতি মাঠ সর্বত্রে মিথ্যাচার ও গীবত- তহমতের জয়জয়কার চলছে! এই পতন-উন্মুখ অবস্থা থেকে ব্যক্তি ও সমাজকে সতর্ক ও দিকনির্দেশনা দিতেই সদাচরণ গ্রন্থের অবতারণা। বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে জায়ায়ে খায়ের কামনা করছি। তিনি সকলকে সদাচরণ করার তৌফিক দান করুন-আমীন!
আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books by this author →আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books →আজকের বিশ্বে আধুনিকবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় যেমন ব্যাপকভাবে দাওয়াতি কাজক্রম চালিয়ে যাচ্ছি, সে তুলনায় ফিডব্যাকের মাত্রা যৎসামান্য। সেযুগে না ছিল এমন প্রযুক্তি, না ছিল এত শিক্ষা। তবে তাদের কাছে ছিল অভ্রান্ত অহীর বিধান। রাসুল (ছা.) এর ২৩ বছরের নবুয়াতি জীবনের সংস্পর্শে এসে কয়লা সোনায় পরিণত হয়েছিল। মহানবী এর উন্নত জীবনের আকর্ষণে মানুষ দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। এই সমাজ বিপ্লবে সফলতার পিছনে কাজ করেছে মুসলমানদের উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি। ছাহাবায়ে কেরামের মধ্যে সততা, আমানতদারিতা, নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সমাবেশ ঘটেছিল। আজকেও আমাদের কাছে সেই কুরআন আছে, হাদীছ আছে, নেই তার প্রকৃতরূণ ও বাস্তবায়ন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা আকীদা ও আমলের জ্ঞান শিখেছি এবং সেগুলো বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা ও বক্তৃতা মঞ্চে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি। মিথ্যাচার ও অন্যায় কাজে জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছি। অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ লুট করে সেই টাকায় হজ্জ করছি, দান-ছাদাকাও করছি। মিথ্যাচার ও ধোঁকাবাজি সমাজের রন্ধে রন্ধে মিশে গেছে। অথচ আবু সুফিয়ান কাফের অবস্থায় বাদশাহ হেরাক্লিয়াসের সামনে চিরশত্রু মুহাম্মাদ (ছা.) সংস্পর্কে মিথ্যা বলতে জিহবা আঁটকে গেছে। জাহেলি যুগে কাফেররা যা পারেনি আমরা আজ তা ডাল-ভাত বানিয়ে নিয়েছি। কি মসজিদ, কি মাদরাসা, কি ইসলামী সংগঠন, কিংবা দাওয়াতি মাঠ সর্বত্রে মিথ্যাচার ও গীবত- তহমতের জয়জয়কার চলছে! এই পতন-উন্মুখ অবস্থা থেকে ব্যক্তি ও সমাজকে সতর্ক ও দিকনির্দেশনা দিতেই সদাচরণ গ্রন্থের অবতারণা। বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে জায়ায়ে খায়ের কামনা করছি। তিনি সকলকে সদাচরণ করার তৌফিক দান করুন-আমীন!









