
সফলতার কান্না (পেপারব্যাক)
Related Products
কর্মজীবী নারীদের জন্য এই বইটা খুবই দরকারি, কারণ এতে নারীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। যেমন, সন্তান সম্পর্কিত স্বাস্থ্য তথ্য দিয়ে কৃত্রিম বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয় এবং ৪২ বছর বয়সেও ‘মিরাকল বেবি’ আসলেই সম্ভব কি না তা বুঝতে সাহায্য করে। এছাড়া ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সুযোগ এবং পরিবারের সাহায্য নিয়ে নতুন তথ্য আছে, যা নারীদের জীবনে অনেক সাহায্য করে। এইসব তথ্য নারীদের নিজেদের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সহজতা ও আত্মবিশ্বাস দেয়।
সিলভিয়া এন হিউলেট
সিলভিয়া অ্যান হিউলেট এর জন্ম ১৯৪৬ সালে। গ্রেট ব্রিটেনের সাউথ ওয়েলসের একটি দরিদ্র খনি-উপত্যকায় বেড়ে ওঠেন তিনি।প্রধানত একজন অর্থনীতিবিদ। কর্মক্ষেত্রে নারীদের সাথে ঘটে চলা বিবিধ সমস্যার সমাধানকল্পে তিনি কাজ করে থাকেন। নারীদের অগ্রসরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন অলাভজনক এবং সরকারি সংস্থার সাথে কাজ করেন। পৃথিবীর নান প্রান্তে এ বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তাকে প্রায়ই বক্তৃতা করতে দেখা যায়। হিউলেট কেমব্রিজের গিরটন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন, তিনি একজন কেনেডি স্কলার ছিলেন। এরপর লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কেমব্রিজ, কলাম্বিয়া ও প্রিস্টন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেছেন এবং লন্ডনের ‘ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ’, হার্ভার্ডের ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ভ্যালুস ইন পাবলিক লাইফ’-এ ফেলোশিপ লাভ করেন। সিলভিয়া অ্যান হিউলেট Hewlett Consulting Partners-এর CEO এবং ‘সেন্টার ফর ট্যালেন্ট ইনোভেশন’ নামক একটি অলাভজনক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি। ২০১২ সাল থেকে তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স’-এ জেন্ডার অ্যান্ড পলিসি প্রোগ্রামের সাথে জড়িত ছিলেন, পাশাপাশি তিনি ফরেন রিলেশন্স কাউন্সিল এবং নারীর ক্ষমতায়নবিষয়ক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে কাজ করেন। হিউলেট 2014 HR Magazine-এ ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক চিন্তাবিদ’ পদকে ভূষিত হন। হিউলেট তিনি তার স্বামী রিচার্ডের সাথে গত ২০ বছর ধরে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ আছেন এবং তাদের পাঁচটি সন্তান রয়েছে। তাদের সবচেয়ে ছোট সন্তানটি যখন জন্ম নেয়—তখন হিউলেটের বয়স ছিল ৫১ বছর। হিউলেট তার পরিবারের সাথে নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাস করেন। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books by this author →সিলভিয়া এন হিউলেট
সিলভিয়া অ্যান হিউলেট এর জন্ম ১৯৪৬ সালে। গ্রেট ব্রিটেনের সাউথ ওয়েলসের একটি দরিদ্র খনি-উপত্যকায় বেড়ে ওঠেন তিনি।প্রধানত একজন অর্থনীতিবিদ। কর্মক্ষেত্রে নারীদের সাথে ঘটে চলা বিবিধ সমস্যার সমাধানকল্পে তিনি কাজ করে থাকেন। নারীদের অগ্রসরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন অলাভজনক এবং সরকারি সংস্থার সাথে কাজ করেন। পৃথিবীর নান প্রান্তে এ বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তাকে প্রায়ই বক্তৃতা করতে দেখা যায়। হিউলেট কেমব্রিজের গিরটন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন, তিনি একজন কেনেডি স্কলার ছিলেন। এরপর লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কেমব্রিজ, কলাম্বিয়া ও প্রিস্টন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেছেন এবং লন্ডনের ‘ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ’, হার্ভার্ডের ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ভ্যালুস ইন পাবলিক লাইফ’-এ ফেলোশিপ লাভ করেন। সিলভিয়া অ্যান হিউলেট Hewlett Consulting Partners-এর CEO এবং ‘সেন্টার ফর ট্যালেন্ট ইনোভেশন’ নামক একটি অলাভজনক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি। ২০১২ সাল থেকে তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স’-এ জেন্ডার অ্যান্ড পলিসি প্রোগ্রামের সাথে জড়িত ছিলেন, পাশাপাশি তিনি ফরেন রিলেশন্স কাউন্সিল এবং নারীর ক্ষমতায়নবিষয়ক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে কাজ করেন। হিউলেট 2014 HR Magazine-এ ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক চিন্তাবিদ’ পদকে ভূষিত হন। হিউলেট তিনি তার স্বামী রিচার্ডের সাথে গত ২০ বছর ধরে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ আছেন এবং তাদের পাঁচটি সন্তান রয়েছে। তাদের সবচেয়ে ছোট সন্তানটি যখন জন্ম নেয়—তখন হিউলেটের বয়স ছিল ৫১ বছর। হিউলেট তার পরিবারের সাথে নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাস করেন। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books →কর্মজীবী নারীদের জন্য এই বইটা খুবই দরকারি, কারণ এতে নারীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। যেমন, সন্তান সম্পর্কিত স্বাস্থ্য তথ্য দিয়ে কৃত্রিম বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয় এবং ৪২ বছর বয়সেও ‘মিরাকল বেবি’ আসলেই সম্ভব কি না তা বুঝতে সাহায্য করে। এছাড়া ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সুযোগ এবং পরিবারের সাহায্য নিয়ে নতুন তথ্য আছে, যা নারীদের জীবনে অনেক সাহায্য করে। এইসব তথ্য নারীদের নিজেদের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সহজতা ও আত্মবিশ্বাস দেয়।








