
সীরাত বিশ্বকোষ (উন্নত সংস্করণ ১-১১ খণ্ড) (হার্ডকভার)
Related Products

কিমিয়ায়ে সা’আদাত: ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)
কিমিয়ায়ে সা’আদাত—ইমাম গাজালী রহ.–র সর্বাধিক প্রসিদ্ধ আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলোর একটি, ১ম খন্ডে আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

জবাব (পেপারব্যাক)

মাআরেফে হাকীমুল উম্মত - ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)

একনজরে রাসূল (স)-কে জানুন (পেপারব্যাক)
সহজ ভাষায় নবী মুহাম্মাদ (সা.)–এর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে
নবীজী হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ যাঁকে ভালোবাসে। হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁকে নিয়ে মুগ্ধতা কমেনি বিন্দুমাত্র। তাঁকে জানার, তাঁর শিক্ষাকে লালন করার এবং ছড়িয়ে দেবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রত্যেক মুসলিম অনুভব করে। যিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন একটি সর্বাঙ্গীন সুন্দর জীবনব্যবস্থা। যাঁকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। এ কারণেই পৃথিবীর প্রত্যেক মুসলমান তাঁকে নিজের জীবন থেকেও বেশি ভালোবাসে। তাঁর প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ এমনকি তাঁর প্রতিটি মৌন সম্মতিও পৃথিবীর প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে পরম অনুকরণীয় আদর্শ। রাসূল (সা.) এর জীবনী যতবার পড়া হোক কিংবা বা আলোচনা করা হোক জানার আগ্রহ ও ব্যাকুলতা কখনোই মিটবে না। চৌদ্দশত বছর পরেও তাঁকে নিয়ে কমেনি জল্পনা কল্পনা। মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলেই তাঁকে নিয়ে লিখে চলেছে বইয়ের পর বই। প্রতিবার নতুন নতুন জ্ঞান-অভিজ্ঞান, তথ্য-মর্ম ও চিন্তাদর্শের দীপ্তরেখা আবিষ্কার হবে। তবে মুসলিম হিসেবে ঈমানের দাবী রাসূল (সা.)-কে ভালোবাসা। তথাপি ভালোবাসার প্রথম স্তর ব্যক্তিকে জানা। কাউকে না জেনে ভালোবাসার দাবী করা যায় না। রাসূল (সা.)-কে জানার মাধ্যম হচ্ছে হাদীস। কিন্তু হাদীসে রাসূল (সা.)-এর জীবনী ছড়ানো ছিটানো। রাসূলের ভালোবাসায় সেগুলোকে একত্রিত করে যুগে যুগে অনেকেই লিখেছে গেছেন তার জীবনী । একজন মুমিনের জন্য রাসুল সা,-কে অনুসরণ করতে সিরাত পাঠের বিকল্প নেই।
- বাংলা ভাষায় এটাই নবিজির সর্ববৃহৎ একক জীবনী
- প্রতিটি খণ্ডে আর্ট পেপারে মুদ্রিত রঙিন (৪ কালার) ৩২-৬৪ পৃষ্ঠার সীরাত এলবাম রয়েছে
- সাউদি আরবের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দারুস সালামের উদ্যোগে বইটি সংকলন করেছেন ৬জন গবেষক, স্কলার ও উলামায়ে কেরামের একটি সমন্বিত বোর্ড
- বাংলাদেশের এ সময়ের শ্রেষ্ঠ ১১ জন অনুবাদক দীর্ঘ তিন বছর নিরলস পরিশ্রম করে বইটি অনুবাদ করেছেন
নবীজী হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ যাঁকে ভালোবাসে। হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁকে নিয়ে মুগ্ধতা কমেনি বিন্দুমাত্র। তাঁকে জানার, তাঁর শিক্ষাকে লালন করার এবং ছড়িয়ে দেবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রত্যেক মুসলিম অনুভব করে। যিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন একটি সর্বাঙ্গীন সুন্দর জীবনব্যবস্থা। যাঁকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। এ কারণেই পৃথিবীর প্রত্যেক মুসলমান তাঁকে নিজের জীবন থেকেও বেশি ভালোবাসে। তাঁর প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ এমনকি তাঁর প্রতিটি মৌন সম্মতিও পৃথিবীর প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে পরম অনুকরণীয় আদর্শ। রাসূল (সা.) এর জীবনী যতবার পড়া হোক কিংবা বা আলোচনা করা হোক জানার আগ্রহ ও ব্যাকুলতা কখনোই মিটবে না। চৌদ্দশত বছর পরেও তাঁকে নিয়ে কমেনি জল্পনা কল্পনা। মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলেই তাঁকে নিয়ে লিখে চলেছে বইয়ের পর বই। প্রতিবার নতুন নতুন জ্ঞান-অভিজ্ঞান, তথ্য-মর্ম ও চিন্তাদর্শের দীপ্তরেখা আবিষ্কার হবে। তবে মুসলিম হিসেবে ঈমানের দাবী রাসূল (সা.)-কে ভালোবাসা। তথাপি ভালোবাসার প্রথম স্তর ব্যক্তিকে জানা। কাউকে না জেনে ভালোবাসার দাবী করা যায় না। রাসূল (সা.)-কে জানার মাধ্যম হচ্ছে হাদীস। কিন্তু হাদীসে রাসূল (সা.)-এর জীবনী ছড়ানো ছিটানো। রাসূলের ভালোবাসায় সেগুলোকে একত্রিত করে যুগে যুগে অনেকেই লিখেছে গেছেন তার জীবনী । একজন মুমিনের জন্য রাসুল সা,-কে অনুসরণ করতে সিরাত পাঠের বিকল্প নেই।





