
সীরাতে আয়েশা রাযিআল্লাহু আনহা (হার্ডকভার)
Related Products

আর-রাহীকুল মাখতুম (ডিমাই) (হার্ডকভার)

উসওয়াতুন হাসানাহ (হার্ডকভার)
আদহাম শারকাভি

দ্যা রোল মডেল (হার্ডকভার)
জিহাদ তুরবানি
[ভিন্ন চোখে দেখা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম]

নবিজির কান্না (হার্ডকভার)
ইলিয়াস মশহুদ
অশ্রু শুধু দুঃখ নয়; তা ইমান, দয়া, খাঁটি আল্লাহর ভয় এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার সর্বোচ্চ প্রকাশ

নবিজির হাসি (হার্ডকভার)
ইলিয়াস মশহুদ

প্রজ্ঞায় যাঁর উজালা জগৎ (হার্ডকভার)
সাব্বির জাদিদ
[নবিজির প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তার গল্প]

বিশ্বাসীদের মা (হার্ডকভার)
ড. ইয়াসির ক্বাদি
[রাসূল সা.- এর স্ত্রীগণের জীবনী এবং তাঁদের সংসারজীবন]

আবদুল্লাহ ইবনু জুবায়ের রা. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘুমিয়ে পড়েছেন একজন পবিত্র মানুষ। চোখের কোণজুড়ে খানিকটা বেদনার জল। কিছু দিন আগেই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়তম মানুষটি বিদায় নিয়েছেন পৃথিবী থেকে। হৃদয়ের সবটুকু জুড়ে যে মানুষটি বাসা বেধেছিলেন, তার বিয়োগে বারবার চোখের জল মোছেন তিনি। কিন্তু মহান রবের এক অমোঘ বাণীর মতো কিছু একটা এলো তাঁর স্বপ্নে। তার সব দুঃখ ভুলিয়ে দিতে—পবিত্রতম মানুষটি একরাতে ঘুমঘোরে স্বপ্ন দেখলেন—একজন ফেরেশতা একখণ্ড রেশমি রুমাল ধরে আছেন তাঁর চোখের সামনে। ফেরেশতার চোখে হাসির ঝিলিক! —মানুষটি জিজ্ঞেস করলেন, কী এটা! —ফেরেশতা বললেন, নিজ হাতেই সরিয়ে দেখুন, রেশমি খণ্ডের রুমালটা! মানুষটি হাত বাড়িয়ে যখন পর্দাটা সরালেন, তখন বিস্ময়াভিভূত হয়ে পড়লেন! এ যে তাঁরই প্রিয় বন্ধুর বালিকা কন্যার প্রতিচ্ছবি! তিনি অবাক হয়ে প্রশ্ন শুধালেন, এ ছবি আমাকে দেখানো হচ্ছে কেন? বলা হলো—উনিই হবেন আপনার এ জীবন ও পরজীবনের পবিত্র সঙ্গী! তারপর মানুষটি ঘুম থেকে উঠে বিহ্বল হয়ে পড়লেন স্বপ্নের কথা মনে পড়াতে। এ কি লৌকিক স্বপ্ন, না কি প্রত্যাদিষ্ট ওহি! আকাশপাতাল ভাবতে লাগলেন। অবাক করার মতো ব্যাপার হলো পরপর টানা তিন দিন একই স্বপ্ন দেখলেন! এবং শেষে বুঝতে পারলেন—এটা মহান রবেরই হিকমত। যিনি এই বালিকা বধূকে তাঁর জীবনে প্রেরণ করবেন ভালোবাসার এক গভীর সমুদ্র দিয়ে। যে সমুদ্রে ভালোবাসার গভীরতার মতোই রয়েছে তার প্রজ্ঞা, দূরদৃষ্টিময় জ্ঞান ও বিবিধ নেয়ামত। অতঃপর একদিন রাসুলের ঘর আলোকিত করে এলেন হযরত আয়েশা রাজি.। সবার প্রিয় উম্মুল মুমিনিন। রাসুল যাকে ভালোবেসে ডাকতেন হুমাইরা পাখি! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি রচিত হয়েছে হযরত আয়েশা রাজি.-এর প্রাথমিক অবস্থা, শিক্ষা-দীক্ষা, সামাজিক ও দাম্পত্য জীবন, সৎ ছেলেমেয়ে ও সতিনদের প্রতি সদাচার, ইফকের ঘটনা, সংস্কারমূলক কার্যক্রম, কুরআনে ব্যুৎপত্তি, মাসাইল-দক্ষতা, ইজতিহাদ-ক্ষমতা, হাদিসে নববির অগাধ জ্ঞান, ফিকহ ও কিয়াসে অসাধারণ প্রতিভা, চিকিৎসা-শাস্ত্রে পারদর্শিতা, বক্তৃতা ও কাব্যে মুনশিয়ানা, ফতওয়া প্রদানে পারঙ্গমতা এবং জগতের নারীসমাজের প্রতি তার অবদান ইত্যাদি নিয়ে। এছাড়াও আরও অনেক কিছু উঠে এসেছে অনিন্দ্যসুন্দর বিন্যাসে, গবেষণামূলক ও বিশ্লেষণধর্মী কায়দায়; যার গুরুত্ব সে যুগে এবং এ যুগে সমানভাবে অপরিসীম। উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা রাজি.-এর ব্যাপারে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত একটি বিষয়—তার বয়স। অর্থাৎ যখন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবনসঙ্গিনীর ভূমিকায় আবির্ভূত হন এবং উম্মুল মুমিনিনের তাজ মস্তকে ধারণ করেন, তখন তার বয়স কত ছিল! এ এমন এক প্রশ্ন, যার উত্তরে অনেকে অনেক কিছু লিখেছেন। আল্লামা সাইয়্যেদ সুলাইমান নদভি রাহি. এ বিষয়টিকে বিশেষভাবে আলোচনায় এনেছেন এবং এ প্রসঙ্গে যত আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে এবং হতে পারে, বলিষ্ঠ যুক্তিপ্রমাণের ভিত্তিতে তার নিরসন করেছেন। বিশেষ করে নারীসমাজ বইটি পড়ে উপকৃত হবেন সবচেয়ে বেশি। এর পাতায় পাতায় গচ্ছিত আছে দ্বীন ও শরিয়তের অমূল্য রত্নসম্ভার। একজন মুসলিম নারীর জন্য ‘সীরাতে আয়েশা রাজি.’-তে রয়েছে জীবনের সার্বিক দিকনির্দেশনা। জীবনের সকল পরিবর্তন, উত্থান-পতন, উন্নতি-অবনতি, শোক-সুখ, বিবাহ-বিরহ, পিত্রালয়-শ্বশুরালয়, স্বামী-সতিন, বৈধব্য, অপত্যহীনতা, ঘরবাস-পরবাস, রান্নাবান্না, সন্তানপালনসহ সংসার জীবনের হাসিকান্না, আবেগ-অনুভূতি, অভিমান অভিরোষ—এককথায় জীবন ও জগতের সর্বক্ষেত্রে, সর্বাবস্থায় আদর্শ অনুসরণের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে ভরপুর হযরত আয়েশা রাজি.-এর জীবনচরিত। আর জ্ঞান-গুণ, ধর্ম-কর্ম ও চরিত্রমাধুরীর অনুপমতা তো বলাই বাহুল্য। প্রকৃতপ্রস্তাবে তার পবিত্র জীবনচরিত হলো সেই স্বচ্ছ আয়না, যাতে ফুটে ওঠে—একজন মুসলিম নারীর প্রকৃত জীবনের চিত্র। সর্বোপরি এটাকে আয়েশা রা.-এর জীবনীমূলক বিশ্বকোষ বললেও অত্যুক্তি হবে না। প্রিয় পাঠক, আপনাকে এই বিখ্যাত গ্রন্থে স্বাগতম। শ্রেষ্ঠ উম্মুল মুমিনিনের জীবনের সবটুকু অধ্যায় জানতে ও বুঝতে অতি মুল্যবান এই গ্রন্থটি সংগ্রহ করুন।
সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘুমিয়ে পড়েছেন একজন পবিত্র মানুষ। চোখের কোণজুড়ে খানিকটা বেদনার জল। কিছু দিন আগেই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়তম মানুষটি বিদায় নিয়েছেন পৃথিবী থেকে। হৃদয়ের সবটুকু জুড়ে যে মানুষটি বাসা বেধেছিলেন, তার বিয়োগে বারবার চোখের জল মোছেন তিনি। কিন্তু মহান রবের এক অমোঘ বাণীর মতো কিছু একটা এলো তাঁর স্বপ্নে। তার সব দুঃখ ভুলিয়ে দিতে—পবিত্রতম মানুষটি একরাতে ঘুমঘোরে স্বপ্ন দেখলেন—একজন ফেরেশতা একখণ্ড রেশমি রুমাল ধরে আছেন তাঁর চোখের সামনে। ফেরেশতার চোখে হাসির ঝিলিক! —মানুষটি জিজ্ঞেস করলেন, কী এটা! —ফেরেশতা বললেন, নিজ হাতেই সরিয়ে দেখুন, রেশমি খণ্ডের রুমালটা! মানুষটি হাত বাড়িয়ে যখন পর্দাটা সরালেন, তখন বিস্ময়াভিভূত হয়ে পড়লেন! এ যে তাঁরই প্রিয় বন্ধুর বালিকা কন্যার প্রতিচ্ছবি! তিনি অবাক হয়ে প্রশ্ন শুধালেন, এ ছবি আমাকে দেখানো হচ্ছে কেন? বলা হলো—উনিই হবেন আপনার এ জীবন ও পরজীবনের পবিত্র সঙ্গী! তারপর মানুষটি ঘুম থেকে উঠে বিহ্বল হয়ে পড়লেন স্বপ্নের কথা মনে পড়াতে। এ কি লৌকিক স্বপ্ন, না কি প্রত্যাদিষ্ট ওহি! আকাশপাতাল ভাবতে লাগলেন। অবাক করার মতো ব্যাপার হলো পরপর টানা তিন দিন একই স্বপ্ন দেখলেন! এবং শেষে বুঝতে পারলেন—এটা মহান রবেরই হিকমত। যিনি এই বালিকা বধূকে তাঁর জীবনে প্রেরণ করবেন ভালোবাসার এক গভীর সমুদ্র দিয়ে। যে সমুদ্রে ভালোবাসার গভীরতার মতোই রয়েছে তার প্রজ্ঞা, দূরদৃষ্টিময় জ্ঞান ও বিবিধ নেয়ামত। অতঃপর একদিন রাসুলের ঘর আলোকিত করে এলেন হযরত আয়েশা রাজি.। সবার প্রিয় উম্মুল মুমিনিন। রাসুল যাকে ভালোবেসে ডাকতেন হুমাইরা পাখি! বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি রচিত হয়েছে হযরত আয়েশা রাজি.-এর প্রাথমিক অবস্থা, শিক্ষা-দীক্ষা, সামাজিক ও দাম্পত্য জীবন, সৎ ছেলেমেয়ে ও সতিনদের প্রতি সদাচার, ইফকের ঘটনা, সংস্কারমূলক কার্যক্রম, কুরআনে ব্যুৎপত্তি, মাসাইল-দক্ষতা, ইজতিহাদ-ক্ষমতা, হাদিসে নববির অগাধ জ্ঞান, ফিকহ ও কিয়াসে অসাধারণ প্রতিভা, চিকিৎসা-শাস্ত্রে পারদর্শিতা, বক্তৃতা ও কাব্যে মুনশিয়ানা, ফতওয়া প্রদানে পারঙ্গমতা এবং জগতের নারীসমাজের প্রতি তার অবদান ইত্যাদি নিয়ে। এছাড়াও আরও অনেক কিছু উঠে এসেছে অনিন্দ্যসুন্দর বিন্যাসে, গবেষণামূলক ও বিশ্লেষণধর্মী কায়দায়; যার গুরুত্ব সে যুগে এবং এ যুগে সমানভাবে অপরিসীম। উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা রাজি.-এর ব্যাপারে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত একটি বিষয়—তার বয়স। অর্থাৎ যখন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবনসঙ্গিনীর ভূমিকায় আবির্ভূত হন এবং উম্মুল মুমিনিনের তাজ মস্তকে ধারণ করেন, তখন তার বয়স কত ছিল! এ এমন এক প্রশ্ন, যার উত্তরে অনেকে অনেক কিছু লিখেছেন। আল্লামা সাইয়্যেদ সুলাইমান নদভি রাহি. এ বিষয়টিকে বিশেষভাবে আলোচনায় এনেছেন এবং এ প্রসঙ্গে যত আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে এবং হতে পারে, বলিষ্ঠ যুক্তিপ্রমাণের ভিত্তিতে তার নিরসন করেছেন। বিশেষ করে নারীসমাজ বইটি পড়ে উপকৃত হবেন সবচেয়ে বেশি। এর পাতায় পাতায় গচ্ছিত আছে দ্বীন ও শরিয়তের অমূল্য রত্নসম্ভার। একজন মুসলিম নারীর জন্য ‘সীরাতে আয়েশা রাজি.’-তে রয়েছে জীবনের সার্বিক দিকনির্দেশনা। জীবনের সকল পরিবর্তন, উত্থান-পতন, উন্নতি-অবনতি, শোক-সুখ, বিবাহ-বিরহ, পিত্রালয়-শ্বশুরালয়, স্বামী-সতিন, বৈধব্য, অপত্যহীনতা, ঘরবাস-পরবাস, রান্নাবান্না, সন্তানপালনসহ সংসার জীবনের হাসিকান্না, আবেগ-অনুভূতি, অভিমান অভিরোষ—এককথায় জীবন ও জগতের সর্বক্ষেত্রে, সর্বাবস্থায় আদর্শ অনুসরণের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে ভরপুর হযরত আয়েশা রাজি.-এর জীবনচরিত। আর জ্ঞান-গুণ, ধর্ম-কর্ম ও চরিত্রমাধুরীর অনুপমতা তো বলাই বাহুল্য। প্রকৃতপ্রস্তাবে তার পবিত্র জীবনচরিত হলো সেই স্বচ্ছ আয়না, যাতে ফুটে ওঠে—একজন মুসলিম নারীর প্রকৃত জীবনের চিত্র। সর্বোপরি এটাকে আয়েশা রা.-এর জীবনীমূলক বিশ্বকোষ বললেও অত্যুক্তি হবে না। প্রিয় পাঠক, আপনাকে এই বিখ্যাত গ্রন্থে স্বাগতম। শ্রেষ্ঠ উম্মুল মুমিনিনের জীবনের সবটুকু অধ্যায় জানতে ও বুঝতে অতি মুল্যবান এই গ্রন্থটি সংগ্রহ করুন।

