
সভ্যতার সংকট (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
মৌখিকভাবে সকল মুসলিম যদিও স্বীকার করে যে, ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি হলো কুরআন-সুন্নাহ; কিন্তু তাদেরকে সঠিক অর্থে কুরআন-সুন্নাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হলে তারা নানান অজুহাত দিতে আরম্ভ করে। সবচেয়ে বেশি যে কথা বলা হয় তা হলো, “আমাদের অঞ্চলে এ ধরনের নিয়মের প্রচলন নেই”। এ ধরনের অসার যুক্তিতেই এসব মুসলিমদের মগজধোলাই হয়ে আছে। ছেলেমেয়েরা একটু বড় হলে যদি তারা কোনো আচার-প্রথা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাহলে মুরব্বিরা এই বলে তাদেরকে তিরস্কার করে যে, “তোমাদের পূর্বপুরুষরা যেহেতু কাজটিকে ভালো মনে করেছেন, সেহেতু তোমাদেরও এটা করা উচিত”, অথবা, “তুমি কী মনে করো তোমাদের বাপদাদারা সবাই ভুল ছিল?” মাক্কার মুশরিকদেরকে যখন ইসলামের দিকে আহ্বান করা হতো, তারাও একই রকম কথা বলত! আল্লাহ কুরআনে বলছেন, “যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তার দিকে ও রসূলের দিকে আসো’, তারা বলে, ‘আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের যার ওপর পেয়েছি, তা-ই আমাদের জন্য যথেষ্ট।’ তাদের পিতৃপুরুষরা কিছুই জানত না এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না তবুও?” [আল-মা’ইদাহ, ০৫ : ১০৪] মুসলিমরা যদি তাদের সভ্যতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায় এবং বিশ্ববাসীর কাছে নিজেদের জীবনব্যবস্থাকে পশ্চিমা সভ্যতার বিকল্প হিসেবে প্রমাণ করতে চায়, তাহলে সংস্কৃতি কিংবা আচার-প্রথা নামক এ জাহেলি জঞ্জালকে অবশ্যই বর্জন করতে হবে। কারণ পশ্চিমা সভ্যতার সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে মোকাবেলা করার ক্ষমতা কেবল বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল ইসলামেরই আছে।…
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস-এর জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টনে। বেড়ে উঠেছেন কানাডার টরন্টোতে। সেখানেই ১৯৭২ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মাদীনাহ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে ইসলামিক অনুষদ থেকে বিএ ডিগ্রি (১৯৭৯) অর্জন করেন। এরপর বিয়াদের ‘বাদশাহ সাউদ ইউনিভার্সিটি’ থেকে আকীদাহর ওপর অর্জন করেন এমএ ডিগ্রি (১৯৮৫)। ১৯৯৪ সালে ‘ওয়েলস ইউনিভার্সিটি’ থেকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বের ওপর পিএইচডি করেন। তার পিএইচডি’র বিষয় ছিল “The Exorcist Tradition in Islam”। সুদীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আরবি ভাষা, দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও এগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেস্টন ইউনিভার্সিটি-আজমান, ইউএই’, ‘কাতার গেস্ট সেন্টার, দোহা, কাতার’, ‘নলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ’, ‘অমদুরমান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, সুদান’, ‘প্রেস্টন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ, চেন্নাই, ভারত’, ‘ইসলামিক স্টাডিজ অ্যাকাডেমি, দোহা, কাতার’। ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার সুবাদে জর্দানিয়ান পাবলিকেশন কর্তৃপক্ষ ড. বিলাল ফিলিপসকে “The 500 most Influential Muslims”-এর তালিকাতে স্থান দেয়। এ ইউনিভার্সিটিতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যেকোনো মানুষ বিনামূল্যে ডিপ্লোমা এবং টিউশন ফি মুক্ত ব্যাচেলর অব আর্টস প্রোগ্রামে পড়াশোনা করতে পারে। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books by this author →ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস-এর জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টনে। বেড়ে উঠেছেন কানাডার টরন্টোতে। সেখানেই ১৯৭২ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মাদীনাহ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে ইসলামিক অনুষদ থেকে বিএ ডিগ্রি (১৯৭৯) অর্জন করেন। এরপর বিয়াদের ‘বাদশাহ সাউদ ইউনিভার্সিটি’ থেকে আকীদাহর ওপর অর্জন করেন এমএ ডিগ্রি (১৯৮৫)। ১৯৯৪ সালে ‘ওয়েলস ইউনিভার্সিটি’ থেকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বের ওপর পিএইচডি করেন। তার পিএইচডি’র বিষয় ছিল “The Exorcist Tradition in Islam”। সুদীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আরবি ভাষা, দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও এগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেস্টন ইউনিভার্সিটি-আজমান, ইউএই’, ‘কাতার গেস্ট সেন্টার, দোহা, কাতার’, ‘নলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ’, ‘অমদুরমান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, সুদান’, ‘প্রেস্টন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ, চেন্নাই, ভারত’, ‘ইসলামিক স্টাডিজ অ্যাকাডেমি, দোহা, কাতার’। ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার সুবাদে জর্দানিয়ান পাবলিকেশন কর্তৃপক্ষ ড. বিলাল ফিলিপসকে “The 500 most Influential Muslims”-এর তালিকাতে স্থান দেয়। এ ইউনিভার্সিটিতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যেকোনো মানুষ বিনামূল্যে ডিপ্লোমা এবং টিউশন ফি মুক্ত ব্যাচেলর অব আর্টস প্রোগ্রামে পড়াশোনা করতে পারে। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books →মৌখিকভাবে সকল মুসলিম যদিও স্বীকার করে যে, ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি হলো কুরআন-সুন্নাহ; কিন্তু তাদেরকে সঠিক অর্থে কুরআন-সুন্নাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হলে তারা নানান অজুহাত দিতে আরম্ভ করে। সবচেয়ে বেশি যে কথা বলা হয় তা হলো, “আমাদের অঞ্চলে এ ধরনের নিয়মের প্রচলন নেই”। এ ধরনের অসার যুক্তিতেই এসব মুসলিমদের মগজধোলাই হয়ে আছে। ছেলেমেয়েরা একটু বড় হলে যদি তারা কোনো আচার-প্রথা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাহলে মুরব্বিরা এই বলে তাদেরকে তিরস্কার করে যে, “তোমাদের পূর্বপুরুষরা যেহেতু কাজটিকে ভালো মনে করেছেন, সেহেতু তোমাদেরও এটা করা উচিত”, অথবা, “তুমি কী মনে করো তোমাদের বাপদাদারা সবাই ভুল ছিল?” মাক্কার মুশরিকদেরকে যখন ইসলামের দিকে আহ্বান করা হতো, তারাও একই রকম কথা বলত! আল্লাহ কুরআনে বলছেন, “যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তার দিকে ও রসূলের দিকে আসো’, তারা বলে, ‘আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের যার ওপর পেয়েছি, তা-ই আমাদের জন্য যথেষ্ট।’ তাদের পিতৃপুরুষরা কিছুই জানত না এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না তবুও?” [আল-মা’ইদাহ, ০৫ : ১০৪] মুসলিমরা যদি তাদের সভ্যতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায় এবং বিশ্ববাসীর কাছে নিজেদের জীবনব্যবস্থাকে পশ্চিমা সভ্যতার বিকল্প হিসেবে প্রমাণ করতে চায়, তাহলে সংস্কৃতি কিংবা আচার-প্রথা নামক এ জাহেলি জঞ্জালকে অবশ্যই বর্জন করতে হবে। কারণ পশ্চিমা সভ্যতার সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে মোকাবেলা করার ক্ষমতা কেবল বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল ইসলামেরই আছে।…









