
স্রষ্টা ধর্ম জীবন (পেপারব্যাক)
Related Products
বইটি পাঠককে স্রষ্টার অস্তিত্ব, সঠিক ধর্মের সৌন্দর্য ও জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালিত করে, আখিরাতের সফলতার জন্য অনুপ্রাণিত করে । অনেক নৃতত্ত্ববিদ মনে করেন, ধর্মের শুরু হয়েছিল বহু-ঈশ্বরবাদ দিয়ে। তখন মানুষ প্রকৃতির শক্তিকে দেবতা ভাবত। পরে মঙ্গল ও অমঙ্গলের দুইটি প্রধান দেবতার ধারণা আসে এবং শেষে একেশ্বরবাদের দিকে মানুষ এগোয়। তাদের মতে, ধর্ম কোনো আসমানি উৎস নয়, বরং মানুষের অজ্ঞানতা ও কুসংস্কার থেকে তৈরি। তারা বিশ্বাস করেন, বিজ্ঞান একদিন ধর্মকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মানুষ জন্মগতভাবে এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী। বহু আদিম গোষ্ঠীর মাঝেও একজন চূড়ান্ত সত্তায় বিশ্বাসের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা প্রমাণ করে ধর্মের মূল স্বর্গীয় উৎসেই। তাই স্রষ্টা ধর্ম জীবন বইটি দরকার, কারণ এটি ধর্ম নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণার জবাব দেয় এবং যুক্তি ও প্রমাণের আলোকে দেখায়—ধর্ম কোনো কল্পনা নয়, বরং মানুষের ফিতরতের (জন্মগত স্বভাব) সাথেই মিলে যায়। যারা সত্য অনুসন্ধানে আগ্রহী, তাদের জন্য বইটি হবে এক মূল্যবান সঙ্গী।
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস-এর জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টনে। বেড়ে উঠেছেন কানাডার টরন্টোতে। সেখানেই ১৯৭২ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মাদীনাহ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে ইসলামিক অনুষদ থেকে বিএ ডিগ্রি (১৯৭৯) অর্জন করেন। এরপর বিয়াদের ‘বাদশাহ সাউদ ইউনিভার্সিটি’ থেকে আকীদাহর ওপর অর্জন করেন এমএ ডিগ্রি (১৯৮৫)। ১৯৯৪ সালে ‘ওয়েলস ইউনিভার্সিটি’ থেকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বের ওপর পিএইচডি করেন। তার পিএইচডি’র বিষয় ছিল “The Exorcist Tradition in Islam”। সুদীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আরবি ভাষা, দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও এগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেস্টন ইউনিভার্সিটি-আজমান, ইউএই’, ‘কাতার গেস্ট সেন্টার, দোহা, কাতার’, ‘নলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ’, ‘অমদুরমান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, সুদান’, ‘প্রেস্টন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ, চেন্নাই, ভারত’, ‘ইসলামিক স্টাডিজ অ্যাকাডেমি, দোহা, কাতার’। ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার সুবাদে জর্দানিয়ান পাবলিকেশন কর্তৃপক্ষ ড. বিলাল ফিলিপসকে “The 500 most Influential Muslims”-এর তালিকাতে স্থান দেয়। এ ইউনিভার্সিটিতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যেকোনো মানুষ বিনামূল্যে ডিপ্লোমা এবং টিউশন ফি মুক্ত ব্যাচেলর অব আর্টস প্রোগ্রামে পড়াশোনা করতে পারে। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books by this author →ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স
ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস-এর জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টনে। বেড়ে উঠেছেন কানাডার টরন্টোতে। সেখানেই ১৯৭২ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মাদীনাহ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে ইসলামিক অনুষদ থেকে বিএ ডিগ্রি (১৯৭৯) অর্জন করেন। এরপর বিয়াদের ‘বাদশাহ সাউদ ইউনিভার্সিটি’ থেকে আকীদাহর ওপর অর্জন করেন এমএ ডিগ্রি (১৯৮৫)। ১৯৯৪ সালে ‘ওয়েলস ইউনিভার্সিটি’ থেকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বের ওপর পিএইচডি করেন। তার পিএইচডি’র বিষয় ছিল “The Exorcist Tradition in Islam”। সুদীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আরবি ভাষা, দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও এগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেস্টন ইউনিভার্সিটি-আজমান, ইউএই’, ‘কাতার গেস্ট সেন্টার, দোহা, কাতার’, ‘নলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ’, ‘অমদুরমান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, সুদান’, ‘প্রেস্টন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কলেজ, চেন্নাই, ভারত’, ‘ইসলামিক স্টাডিজ অ্যাকাডেমি, দোহা, কাতার’। ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার সুবাদে জর্দানিয়ান পাবলিকেশন কর্তৃপক্ষ ড. বিলাল ফিলিপসকে “The 500 most Influential Muslims”-এর তালিকাতে স্থান দেয়। এ ইউনিভার্সিটিতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যেকোনো মানুষ বিনামূল্যে ডিপ্লোমা এবং টিউশন ফি মুক্ত ব্যাচেলর অব আর্টস প্রোগ্রামে পড়াশোনা করতে পারে। (সূত্র : সিয়ান পাবলিকেশন)
View all books →বইটি পাঠককে স্রষ্টার অস্তিত্ব, সঠিক ধর্মের সৌন্দর্য ও জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালিত করে, আখিরাতের সফলতার জন্য অনুপ্রাণিত করে । অনেক নৃতত্ত্ববিদ মনে করেন, ধর্মের শুরু হয়েছিল বহু-ঈশ্বরবাদ দিয়ে। তখন মানুষ প্রকৃতির শক্তিকে দেবতা ভাবত। পরে মঙ্গল ও অমঙ্গলের দুইটি প্রধান দেবতার ধারণা আসে এবং শেষে একেশ্বরবাদের দিকে মানুষ এগোয়। তাদের মতে, ধর্ম কোনো আসমানি উৎস নয়, বরং মানুষের অজ্ঞানতা ও কুসংস্কার থেকে তৈরি। তারা বিশ্বাস করেন, বিজ্ঞান একদিন ধর্মকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মানুষ জন্মগতভাবে এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী। বহু আদিম গোষ্ঠীর মাঝেও একজন চূড়ান্ত সত্তায় বিশ্বাসের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা প্রমাণ করে ধর্মের মূল স্বর্গীয় উৎসেই। তাই স্রষ্টা ধর্ম জীবন বইটি দরকার, কারণ এটি ধর্ম নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণার জবাব দেয় এবং যুক্তি ও প্রমাণের আলোকে দেখায়—ধর্ম কোনো কল্পনা নয়, বরং মানুষের ফিতরতের (জন্মগত স্বভাব) সাথেই মিলে যায়। যারা সত্য অনুসন্ধানে আগ্রহী, তাদের জন্য বইটি হবে এক মূল্যবান সঙ্গী।









