
সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)
Related Products

আবু বকর সিদ্দিক রা. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে পরিশীলিত, গভীর এবং অনুপ্রেরণামূলক একটি কাজ

আরবি নবি (পেপারব্যাক)
নবিজির জীবন ও দাওয়াতকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে তাঁর আরবি ভাষা, জীবনধারা, পরিবেশ, সামাজিক বাস্তবতা এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।

আল আযকার (হার্ডকভার)
ইমাম আন নববী রহ.

আইয়ুবি সাম্রাজ্যের ইতিহাস-২ (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)

আন্দালুসের ইতিহাস (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)
স্পেনের মুসলিম শাসনব্যবস্থার প্রায় আট শত বছরের গৌরবময় ইতিহাস

উমাইয়া খিলাফতের পতন ও আব্বাসিদের উত্থান (হার্ডকভার)

উসমানি খিলাফতের স্বর্ণকণিকা (হার্ডকভার)
মুসলিম বিশ্বের অন্যতম মহিমান্বিত ও দীর্ঘস্থায়ী শাসনব্যবস্থা—উসমানি খিলাফত—সম্পর্কিত বাছাইকৃত ঘটনা, শিক্ষা, নীতি ও প্রজ্ঞার আলোকে পাঠককে এক সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক যাত্রায় নিয়ে যায়।

দ্য ডায়নামিক সুলতান আবদুল হামিদ খান (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি। বিশ্ব-ইতিহাসের মহাবীর। ক্রুসেডযুদ্ধের সেনানায়ক। অসীম সাহস, ইমানি তেজ ও মহানুভবতার আদর্শপুরুষ। বায়তুল মাকদিস উদ্ধারকারী সৌভাগ্যবান তারকা। আব্বাসি শাসনের দুর্বলতায় পৃথিবী তখন রাজনৈতিক অস্থিরতায় হয়রান; খলিফার নামমাত্র আনুগত্যে মুসলিম ভূখণ্ডগুলো স্বাধীন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় পরস্পর যুদ্ধরত; ক্রুসেডারদের হিংস্র আক্রমণে সকল জনপদ আতঙ্কিত; আকসাকে হারিয়ে উম্মাহ দিকহারা পেরেশান। তখন এই মহান বীর নির্ভীকচিত্তে নিজেকে নিবেদিত করেন–ক্রুসেডারদের সাহায্যকারী ফাতিমি সাম্রাজ্যের পতন ঘটান; ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সকল শক্তি নিশ্চিহ্ন করেন; আব্বাসি খিলাফতের পতাকাতলে উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করেন; ক্রুসেডারদের ঔদ্ধত্য চূর্ণ করে জেরুসালেম মুক্ত করেন। আজকের মুসলিম উম্মাহও নেতৃত্বহীন রাষ্ট্রহারা; রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নব্য ক্রুসেডারদের আক্রমণে ছন্নছাড়া। তাই উম্মাহর অপেক্ষা ও প্রত্যাশা–দ্বিতীয় খিলাফতে রাশিদার পতাকাতলে ভবিষ্যৎ-কান্ডারি নতুন কোনো সালাহুদ্দিন আবারও ফিরে আসবে, হাতে তুলে নেবে নেতৃত্ব। উম্মাহর এমন আকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতার অতীত জানতে পড়ুন বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদ ড. সাল্লাবি রচিত বিশুদ্ধ গ্রন্থ–সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি। বিশ্ব-ইতিহাসের মহাবীর। ক্রুসেডযুদ্ধের সেনানায়ক। অসীম সাহস, ইমানি তেজ ও মহানুভবতার আদর্শপুরুষ। বায়তুল মাকদিস উদ্ধারকারী সৌভাগ্যবান তারকা। আব্বাসি শাসনের দুর্বলতায় পৃথিবী তখন রাজনৈতিক অস্থিরতায় হয়রান; খলিফার নামমাত্র আনুগত্যে মুসলিম ভূখণ্ডগুলো স্বাধীন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় পরস্পর যুদ্ধরত; ক্রুসেডারদের হিংস্র আক্রমণে সকল জনপদ আতঙ্কিত; আকসাকে হারিয়ে উম্মাহ দিকহারা পেরেশান। তখন এই মহান বীর নির্ভীকচিত্তে নিজেকে নিবেদিত করেন–ক্রুসেডারদের সাহায্যকারী ফাতিমি সাম্রাজ্যের পতন ঘটান; ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সকল শক্তি নিশ্চিহ্ন করেন; আব্বাসি খিলাফতের পতাকাতলে উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করেন; ক্রুসেডারদের ঔদ্ধত্য চূর্ণ করে জেরুসালেম মুক্ত করেন। আজকের মুসলিম উম্মাহও নেতৃত্বহীন রাষ্ট্রহারা; রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নব্য ক্রুসেডারদের আক্রমণে ছন্নছাড়া। তাই উম্মাহর অপেক্ষা ও প্রত্যাশা–দ্বিতীয় খিলাফতে রাশিদার পতাকাতলে ভবিষ্যৎ-কান্ডারি নতুন কোনো সালাহুদ্দিন আবারও ফিরে আসবে, হাতে তুলে নেবে নেতৃত্ব। উম্মাহর এমন আকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতার অতীত জানতে পড়ুন বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদ ড. সাল্লাবি রচিত বিশুদ্ধ গ্রন্থ–সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি।

