
তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া (হার্ডকভার)
Related Products

ছোটদের প্রিয় রাসূল (পেপারব্যাক)
তানভীর হাসান
গল্পে গল্পে প্রিয় নবিকে শিশুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে ‘ছোটদের প্রিয় রাসূল’ সিরিজটি - আকর্ষণীয় রঙিন ছবি নিয়ে

কিমিয়ায়ে সাআদাত - ২য় খণ্ড (হার্ডকভার)
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী রহ.
কিমিয়ায়ে সা’আদাত–এর ২য় খন্ডে দশটি পরিচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে।

মহৎ প্রাণের সান্নিধ্যে - প্রথম খণ্ড (হার্ডকভার)
ইসলামি ইতিহাসের বিখ্যাত আলেম, দাঈ, মুজাহিদ, সুফি এবং নন্দিত ব্যক্তিত্বদের জীবন-প্রবাহ, চরিত্র, আদর্শ ও কর্মধারার অনুপ্রেরণামূলক সংগ্রহ।

রাসূলের চোখে দুনিয়া (হার্ডকভার)
ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)
কেন্দ্র থেকে বিচ্যুত হওয়ার জন্যে একটি বিন্দুই যথেষ্ট। একটি বিন্দু পরিমাণ জায়গা এদিক-সেদিক হলেই শেষ। আপনি আর সেন্টারে পৌঁছুতে পারবেন না। মানজিল থেকে সরে যাবেন, দূরে। বহুদূরে। এই দুনিয়া আপনার আমার জন্যে পরীক্ষার ক্ষেত্র। এখানে যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে, সেরূপ ফলাফল পাওয়া যাবে আখিরাতে। দুনিয়ায় মানুষ কীভাবে চলবে, তার যাপিত জীবনের পদ্ধতি কেমন হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে—সে দুনিয়াকে কীভাবে দেখছে, এর ওপর। দুনিয়াকে যদি রাসূলস.-এর চোখে, সাহাবিদের চোখে কিংবা তাবিয়িদের চোখে দেখা হয়, তবে এর ধরনটা একরকম মনে হবে; আবার যদি পাশ্চাত্যের চোখে, অবিশ্বাসীদের চোখে কিংবা প্রবৃত্তির চোখে দেখা হয়, তবে আরেক রকম মনে হবে। প্রথম তিন প্রজন্ম (সালফে সালেহীনগণ) দুনিয়াকে যেভাবে দেখেছেন, সেটাই ছিল সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি। একজন মুসলিম যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রেখে এই দুনিয়াকে দেখবে, ততক্ষণ যে নিরাপদ থাকবে। কিন্তু যখন তার দৃষ্টি পাশ্চাত্যের দিকে, অবিশ্বাসীদের দিকে কিংবা নিজ প্রবৃত্তির দিকে ঝুঁকে যাবে, তখন সে বিপদের সম্মুখীন হবে। তার দুনিয়াও বরবাদ হবে, আর আখিরাতেও সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দুনিয়ার ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কোনটা, সে বিষয়ে জ্ঞান রাখাটা জরুরি। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল তাঁর “কিতাবুয যুহ্দ” গ্রন্থে দুনিয়ার ব্যাপারে সালফে সালেহীনদের দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। নিঃসন্দেহে কিতাবটি মুসলিম উম্মাহর অমূল্য সম্পদ। কিন্তু দুঃখজন হলেও সত্যি, কিতাবটির বাংলা কিংবা ইংরেজি অনুবাদ এত বছরেও প্রকাশিত হয়নি। দুনিয়ার ব্যাপারে ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া দরকার, সে বিষয়টা মাথায় রেখেই “মাকতাবাতুল বায়ান” বইটি বাংলায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আলহামদুলিল্লাহ, ইতোমধ্যেই বইটির দু-খণ্ড “রাসূলের চোখে দুনিয়া” ও “সাহাবিদের চোখে দুনিয়া” নামে প্রকাশিত হয়েছে। ইন শা আল্লাহ মার্চের শেষের দিকে কিতাবটির শেষ খণ্ড “তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া” নামে প্রকাশিত হবে। অনেকেই কিতাবটির জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। আপনাদের প্রতীক্ষার প্রহর আর দীর্ঘ করাতে চাই না আমরা। ইন শা আল্লাহ যত দ্রুত সম্ভব কিতাবটি বাজারে আনার প্রচেষ্টা থাকবে। আপনাদের দুআয় আমাদের স্মরণ রাখবেন
কেন্দ্র থেকে বিচ্যুত হওয়ার জন্যে একটি বিন্দুই যথেষ্ট। একটি বিন্দু পরিমাণ জায়গা এদিক-সেদিক হলেই শেষ। আপনি আর সেন্টারে পৌঁছুতে পারবেন না। মানজিল থেকে সরে যাবেন, দূরে। বহুদূরে। এই দুনিয়া আপনার আমার জন্যে পরীক্ষার ক্ষেত্র। এখানে যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে, সেরূপ ফলাফল পাওয়া যাবে আখিরাতে। দুনিয়ায় মানুষ কীভাবে চলবে, তার যাপিত জীবনের পদ্ধতি কেমন হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে—সে দুনিয়াকে কীভাবে দেখছে, এর ওপর। দুনিয়াকে যদি রাসূলস.-এর চোখে, সাহাবিদের চোখে কিংবা তাবিয়িদের চোখে দেখা হয়, তবে এর ধরনটা একরকম মনে হবে; আবার যদি পাশ্চাত্যের চোখে, অবিশ্বাসীদের চোখে কিংবা প্রবৃত্তির চোখে দেখা হয়, তবে আরেক রকম মনে হবে। প্রথম তিন প্রজন্ম (সালফে সালেহীনগণ) দুনিয়াকে যেভাবে দেখেছেন, সেটাই ছিল সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি। একজন মুসলিম যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রেখে এই দুনিয়াকে দেখবে, ততক্ষণ যে নিরাপদ থাকবে। কিন্তু যখন তার দৃষ্টি পাশ্চাত্যের দিকে, অবিশ্বাসীদের দিকে কিংবা নিজ প্রবৃত্তির দিকে ঝুঁকে যাবে, তখন সে বিপদের সম্মুখীন হবে। তার দুনিয়াও বরবাদ হবে, আর আখিরাতেও সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দুনিয়ার ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কোনটা, সে বিষয়ে জ্ঞান রাখাটা জরুরি। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল তাঁর “কিতাবুয যুহ্দ” গ্রন্থে দুনিয়ার ব্যাপারে সালফে সালেহীনদের দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। নিঃসন্দেহে কিতাবটি মুসলিম উম্মাহর অমূল্য সম্পদ। কিন্তু দুঃখজন হলেও সত্যি, কিতাবটির বাংলা কিংবা ইংরেজি অনুবাদ এত বছরেও প্রকাশিত হয়নি। দুনিয়ার ব্যাপারে ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া দরকার, সে বিষয়টা মাথায় রেখেই “মাকতাবাতুল বায়ান” বইটি বাংলায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আলহামদুলিল্লাহ, ইতোমধ্যেই বইটির দু-খণ্ড “রাসূলের চোখে দুনিয়া” ও “সাহাবিদের চোখে দুনিয়া” নামে প্রকাশিত হয়েছে। ইন শা আল্লাহ মার্চের শেষের দিকে কিতাবটির শেষ খণ্ড “তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া” নামে প্রকাশিত হবে। অনেকেই কিতাবটির জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। আপনাদের প্রতীক্ষার প্রহর আর দীর্ঘ করাতে চাই না আমরা। ইন শা আল্লাহ যত দ্রুত সম্ভব কিতাবটি বাজারে আনার প্রচেষ্টা থাকবে। আপনাদের দুআয় আমাদের স্মরণ রাখবেন


