মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
শিক্ষক পিতা ও গৃহিনী মায়ের চতুর্থ সন্তান। খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে জন্ম। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাহাড়ঘেরা পার্বত্য জনপদে। বহু উপজাতির নানাবিধ বৈচিত্র্যময় সমাজে। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া পটিয়া থেকে তিনি তাকমীল (দাওরায়ে হাদীস) সমাপ্ত করেছেন। আমাদের কাছে একটি প্রিয় ও পরিচিত নাম। জনপ্রিয় গল্পকার। ভালোবেসে কেউ কেউ তাকে ‘কুরআনের পাখি’ বলেন। কুরআনের প্রতি দুর্নিবার ভালোবাসাপূর্ণ এই মানুষটির পাঠ-বিস্তৃতি আমাদের অবাক করে। কুরআনের প্রতি তাঁর অপরিসীম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন মাদরাসাতুল কুরআনিল কারীম প্রতিষ্ঠা করে। যার অন্যতম লক্ষ্য কুরআনের আলোয় আলোকিত সমাজ বিনির্মাণ। মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ স্বভাবগতভাবে নিভৃতচারী হলেও কাছের মানুষরা জানে তিনি বেশ রসিক মানুষ। বই পড়া তার পেশা ও নেশা। খুব অল্প সময়ে তিনি লিখেছেন অনেক। তার প্রতিটি বই পাঠকমহলে বিপুল আলোড়ন তুলেছে। সকল মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহিষ্ণু এই লেখক অসংখ্য বইয়ের মাধ্যমে পাঠকমনে জাগিয়েছেন শুচিশুদ্ধ চেতনা ও বিশ্বাসের বিরলতম গোলাপ। তার লিখিত জীবনজাগার গল্প সিরিজের লেখাগুলো বেশ সুখপাঠ্য। জীবন জাগার গল্প ছাড়াও তিনি ইসলামের সোনালী ইতিহাসকে স্মৃতিচারণ করে রচনা করেছেন।শায়খ আতীক উল্লাহর বিশাল এক পরিচয়, তিনি ‘কুরআনের পাখি’। কুরআনের ভালোবাসায় টইটম্বুর একে একে রচনা করেছেন কুরআনিয়্যাত, সুনানিয়্যাত ও দরসে কুরআনের মতো বিষয়ভিত্তিক সিরিজ রচনা। গল্পের ছলে শিক্ষার ঝাঁপি খুলে বসেছেন জীবন জাগার গল্প সিরিজ নিয়ে। এছাড়াও জিওপলিটিক্সি সিরিজের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন গ্লোবাল পলিটিক্সের নাড়িনক্ষত্র। ইতিহাস বিষয়ক তাঁর লেখাগুলো আমাদের জাগিয়ে তোলে গাফিলতির সুখনিদ্রা থেকে। উদ্বুদ্ধ করে সম্মুখপানে এগিয়ে যেতে। আর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করে সময়ের সালাহুদ্দিন আইয়ুবী হতে। যুগের শাহ ওয়ালিউল্লাহ হিসেবে আবির্ভূত হতে। শায়খ আতীক উল্লাহ হাফি. শিক্ষা, নসিহাহ, দরস, কুরআনী ভাবনা, গবেষণা, ইসলামকে জীবনে ধারণ করার জন্য রচনা করেছেন অনেক অনেক বই। বইগুলো যেমন রূহের খোরাক, তেমনি আপনার চিন্তার জগতে আনবে বিশাল পরিবর্তন।
26 books available





