
আলি ইবনু আবি তালিব - ১ম ও ২য় খণ্ড একত্রে (হার্ডকভার)
Related Products
ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও সঙ্গিন মুহূর্তে মহান অভিভাবক হয়ে খেলাফতের ভার গ্রহণ করেন ‘আলি ইবনু আবি তালিব। তার কাঁধে বর্তায় আগামী পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। খলিফা উসমানের হত্যাকাণ্ডের পর মুসলিমদের মাঝে খারেজি ও শিয়াদের যে ব্যাপক নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়েছিল, তাকে সফলভাবে মোকাবেলা করেছিলেন তিনি। সুদূরপ্রসারী প্রজ্ঞার মাধ্যমে তিনি যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছিলেন, সেগুলো সার্থকভাবেই মুসলিমদের সত্যপথে অবিচল রাখতে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিল। রাসুলের জীবদ্দশায় আলি ছিলেন রাসুলের অন্যতম আস্থাভাজন সাহাবী। তিনি স্থাপন করেছিলেন আত্মোৎসর্গের অনন্য নজির।আলি ইবনু আবি তালিবের বর্ণাঢ্য জীবনের বর্ণনাসমৃদ্ধ এ-গ্রন্থ পাঠে আমাদের অর্জিত হতে পারে রাষ্ট্র, সমাজ, আইন, সংবিধান ও বিচারপদ্ধতিসহ অগণন জ্ঞানের অতুলনীয় ভাণ্ডার। তার জীবনেতিহাস করতে পারে আমাদের জীবনকে দীপান্বিত এবং নির্মাণ করতে পারে জান্নাতি ও আলোকিত এক রূপরেখা—নীড়ে ফেরার মানচিত্র।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও সঙ্গিন মুহূর্তে মহান অভিভাবক হয়ে খেলাফতের ভার গ্রহণ করেন ‘আলি ইবনু আবি তালিব। তার কাঁধে বর্তায় আগামী পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। খলিফা উসমানের হত্যাকাণ্ডের পর মুসলিমদের মাঝে খারেজি ও শিয়াদের যে ব্যাপক নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়েছিল, তাকে সফলভাবে মোকাবেলা করেছিলেন তিনি। সুদূরপ্রসারী প্রজ্ঞার মাধ্যমে তিনি যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছিলেন, সেগুলো সার্থকভাবেই মুসলিমদের সত্যপথে অবিচল রাখতে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিল। রাসুলের জীবদ্দশায় আলি ছিলেন রাসুলের অন্যতম আস্থাভাজন সাহাবী। তিনি স্থাপন করেছিলেন আত্মোৎসর্গের অনন্য নজির।আলি ইবনু আবি তালিবের বর্ণাঢ্য জীবনের বর্ণনাসমৃদ্ধ এ-গ্রন্থ পাঠে আমাদের অর্জিত হতে পারে রাষ্ট্র, সমাজ, আইন, সংবিধান ও বিচারপদ্ধতিসহ অগণন জ্ঞানের অতুলনীয় ভাণ্ডার। তার জীবনেতিহাস করতে পারে আমাদের জীবনকে দীপান্বিত এবং নির্মাণ করতে পারে জান্নাতি ও আলোকিত এক রূপরেখা—নীড়ে ফেরার মানচিত্র।









