
খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রা. (হার্ডকভার)
Related Products

আন্দালুসের ইতিহাস (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)
স্পেনের মুসলিম শাসনব্যবস্থার প্রায় আট শত বছরের গৌরবময় ইতিহাস

আল-কুরআনুল কারীম : বাংলা অনুবাদ (হার্ডকভার)
পবিত্র কুরআনের সহজবোধ্য ও পাঠকবান্ধব বাংলা অনুবাদ

আর রাহিকুল মাখতুম (তাহকিক সংস্করণ) (হার্ডকভার)

কিতাবুল ফিতান - দ্বিতীয় খণ্ড (হার্ডকভার)
মাত্র ৩ হাজার সেনা নিয়ে প্রায় ২ লাখ সেনার বাহিনীকে পরাজিত করা সেনাপতির নাম খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ। ইসলামের অস্ত্রযুুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও বিচক্ষণতার দাস্তান অবিস্মরণীয়। নবিজির দুআ ও শিক্ষায় তাঁর মধ্যে ঘটেছিল কাঙ্ক্ষিত সব গুণের সমাবেশ। ফলে সাহাবিদের কাফেলায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন অনন্য। ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন নিজের সত্তাকেও। আর তাই ইসলামগ্রহণের পর মাত্র ১৪ বছরের জীবনে উপহার দিয়ে গেছেন অকল্পনীয় সব বিজয়। রণনৈপুণ্য, বীরত্ব, ইখলাস প্রভৃতি গুণের কারণে খালিদ উম্মাহর অবশ্যপাঠ্য মনীষার তালিকাশীর্ষে বরিত। এই গ্রন্থ শুধু খালিদের জীবনী নয়; নবিজি থেকে উমরের যুগ পর্যন্ত সময়ের বর্ণিল এক রণমানচিত্র বটে, যেখানে তথ্য ও তত্ত্বের আলোকে সূক্ষ্ম গবেষণা আর তীক্ষ্ণ বিচার-বিশ্লেষণে বয়ান করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নানাবিধ ঘটনা। বিশেষভাবে খালিদকে চিত্রিত করার পাশাপাশি আঁকা হয়েছে আরও অনেক সাহাবির রণ-নৈপুণ্যের দশদিগন্ত। দেওয়া হয়েছে খালিদ ও উমরকে নিয়ে ছড়ানো প্রোপাগান্ডার দালিলিক জবাব। তুলে ধরা হয়েছে খালিদের অনন্যতার গুপ্তরহস্যও।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →Co-authors
কালান্তর প্রকাশনী (সিলেট)
No publication description available.
View all books from this publication →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →Co-authors
কালান্তর প্রকাশনী (সিলেট)
No publication description available.
View all books from this publication →মাত্র ৩ হাজার সেনা নিয়ে প্রায় ২ লাখ সেনার বাহিনীকে পরাজিত করা সেনাপতির নাম খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ। ইসলামের অস্ত্রযুুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও বিচক্ষণতার দাস্তান অবিস্মরণীয়। নবিজির দুআ ও শিক্ষায় তাঁর মধ্যে ঘটেছিল কাঙ্ক্ষিত সব গুণের সমাবেশ। ফলে সাহাবিদের কাফেলায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন অনন্য। ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন নিজের সত্তাকেও। আর তাই ইসলামগ্রহণের পর মাত্র ১৪ বছরের জীবনে উপহার দিয়ে গেছেন অকল্পনীয় সব বিজয়। রণনৈপুণ্য, বীরত্ব, ইখলাস প্রভৃতি গুণের কারণে খালিদ উম্মাহর অবশ্যপাঠ্য মনীষার তালিকাশীর্ষে বরিত। এই গ্রন্থ শুধু খালিদের জীবনী নয়; নবিজি থেকে উমরের যুগ পর্যন্ত সময়ের বর্ণিল এক রণমানচিত্র বটে, যেখানে তথ্য ও তত্ত্বের আলোকে সূক্ষ্ম গবেষণা আর তীক্ষ্ণ বিচার-বিশ্লেষণে বয়ান করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নানাবিধ ঘটনা। বিশেষভাবে খালিদকে চিত্রিত করার পাশাপাশি আঁকা হয়েছে আরও অনেক সাহাবির রণ-নৈপুণ্যের দশদিগন্ত। দেওয়া হয়েছে খালিদ ও উমরকে নিয়ে ছড়ানো প্রোপাগান্ডার দালিলিক জবাব। তুলে ধরা হয়েছে খালিদের অনন্যতার গুপ্তরহস্যও।



