
খলিফাতুল মুসলিমিন উমর ইবনুল খাত্তাব রা. - দ্বিতীয় খন্ড
Related Products

সীরাতুন নবি (সা:) ১ (হার্ডকভার)
ইবরাহীম আলি

আরবি নবি (পেপারব্যাক)
নবিজির জীবন ও দাওয়াতকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে তাঁর আরবি ভাষা, জীবনধারা, পরিবেশ, সামাজিক বাস্তবতা এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।

আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস (হার্ডকভার)
ড. রাগিব সারজানি
বইটি শুধু ইতিহাস নয়; বরং ভূরাজনীতি, সামাজিক পরিবর্তন, ধর্মীয় পরিচয়, জাতীয়তাবাদ ও বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব—এসব বিষয়ও সুগভীরভাবে ব্যাখ্যা করে।

আবু বকর সিদ্দিক রা. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে পরিশীলিত, গভীর এবং অনুপ্রেরণামূলক একটি কাজ
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি রচিত এবং কালান্তর প্রকাশিত ‘খলিফাতুল মুসলিমিন উমর ইবনুল খাত্তাব রা. – দ্বিতীয় খণ্ড’ গ্রন্থটি উমর রা.-এর খিলাফতের স্বর্ণযুগকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত ও গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছে। এই খণ্ডে তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, অর্থনৈতিক নীতি এবং সমাজকল্যাণমূলক সংস্কারগুলো প্রামাণ্য দলিলের আলোকে সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে উমর রা.-এর শাসনামলে ঘটিত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণ—যেমন পারস্য সাম্রাজ্যের পতন, রোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিজয়, শাম, মিসর ও বায়তুল মাকদিস জয়ের ঘটনাবলি—গভীর বিশ্লেষণের সাথে বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষ করে, যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো গঠন, করব্যবস্থা, দিওয়ান প্রতিষ্ঠা, সৈন্যবাহিনী পুনর্গঠন এবং জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ যেমন বেতনভাতা, বীমা-ব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তা—এসবকে এই খণ্ডে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ গ্রন্থে উমর রা.-এর ব্যক্তিগত জীবন, তাঁর সরলতা, আল্লাহভীতি, দায়িত্বশীলতা এবং শাসক হিসেবে ন্যায়পরায়ণতার বাস্তব উদাহরণগুলো পাঠকের হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। প্রশাসনিক সফলতার পাশাপাশি তাঁর দূরদর্শী নীতি ও নেতৃত্ব মুসলিম বিশ্বকে যে স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি এনে দেয়, তা এখানে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, দ্বিতীয় খণ্ডটি উমর রা.-এর খিলাফতের যুগের পূর্ণাঙ্গ ও ইতিহাসনির্ভর চিত্র তুলে ধরে, যা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা, শাসননীতি ও ন্যায্য নেতৃত্বের মডেল হিসেবে আজও অনুপম শিক্ষার উৎস।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি রচিত এবং কালান্তর প্রকাশিত ‘খলিফাতুল মুসলিমিন উমর ইবনুল খাত্তাব রা. – দ্বিতীয় খণ্ড’ গ্রন্থটি উমর রা.-এর খিলাফতের স্বর্ণযুগকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত ও গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছে। এই খণ্ডে তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, অর্থনৈতিক নীতি এবং সমাজকল্যাণমূলক সংস্কারগুলো প্রামাণ্য দলিলের আলোকে সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে উমর রা.-এর শাসনামলে ঘটিত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণ—যেমন পারস্য সাম্রাজ্যের পতন, রোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিজয়, শাম, মিসর ও বায়তুল মাকদিস জয়ের ঘটনাবলি—গভীর বিশ্লেষণের সাথে বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষ করে, যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো গঠন, করব্যবস্থা, দিওয়ান প্রতিষ্ঠা, সৈন্যবাহিনী পুনর্গঠন এবং জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ যেমন বেতনভাতা, বীমা-ব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তা—এসবকে এই খণ্ডে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ গ্রন্থে উমর রা.-এর ব্যক্তিগত জীবন, তাঁর সরলতা, আল্লাহভীতি, দায়িত্বশীলতা এবং শাসক হিসেবে ন্যায়পরায়ণতার বাস্তব উদাহরণগুলো পাঠকের হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। প্রশাসনিক সফলতার পাশাপাশি তাঁর দূরদর্শী নীতি ও নেতৃত্ব মুসলিম বিশ্বকে যে স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি এনে দেয়, তা এখানে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, দ্বিতীয় খণ্ডটি উমর রা.-এর খিলাফতের যুগের পূর্ণাঙ্গ ও ইতিহাসনির্ভর চিত্র তুলে ধরে, যা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা, শাসননীতি ও ন্যায্য নেতৃত্বের মডেল হিসেবে আজও অনুপম শিক্ষার উৎস।

