
প্রশ্নোত্তরে সহজ আক্বীদা শিক্ষা (পেপারব্যাক)
Select an Option
Related Products
যারতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। ছালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী (ছঃ) ও তার পরিবারের উপর, ছাহাবায়ে কেরাম (র) দের উপর সম্মানিত পাঠক আকীদা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একজন মুসলিম জীবনে যার প্রয়োজন সদা-সর্বদা। একজন মানুষের জীবনে নিঃশ্বাস গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা যেমন, আকীদার প্রয়ো চেয়ে কম নয়। সকল আমলের অন্ধতা-বিক্ষেতা আকীদার উপরই নির্ভর করে। আকীদার শিক্ষা একজন মানুষকে সর্বাপেক্ষা বড় পাদ শিরক থেকে বাঁচাতে পারে। পক্ষান্তরে, এর মৌলিক বিষয়াবলি বিশুদ্ধ না হলে একজন মানুষের অন্যান্য আমল নষ্ট হয়ে যায়। মহান আল্লাহ বলেন, allha pa &dise, \'আর তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি আহি করা হয়েছে যে, যদি তুমি শিরক করো, তাহলে অবশ্যই তোমার আমল নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে - ৩/৩৫)। বিশুদ্ধ আক্বীদাই হচ্ছে একজন মুসলিমের মূলধন কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আজ বিশুদ্ধ আকীদা থেকে বহু দূরে। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা তো বটেই, এমনকি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বিশুদ্ধ আকীদা শিক্ষার কোনো বন্দোবস্ত রাখা হয়নি। এদিকে হানাফী কওমী শিক্ষা ব্যবস্থায় আকীদা শিক্ষার নামে অনেক ক্ষেত্রে আশআরী মাতৃরীদী আক্বীদা শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। কারণ আমাদের হানাফী ভাইয়েরা ইমাম আবু হানীফা এর প্রতি অতিভকি দেখালেও তার আক্বীদা ভারা গ্রহণ করতে পারেনি। আহলেহাদীছ কওমী শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশুদ্ধ আকীদার যথেষ্ট গুরুত্ব থাকলেও বাংলা ভাষায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপযোগী সার্বজনীন কোন আকীদার বই মেলা ভার। সেজন্য, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ, নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী-এর প্রাথমিক স্তরের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ আকীদা শিক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে এই পুস্তিকাটি প্রণয়ন করি। বইটির নাম দিই, \'প্রশ্নোত্তরে ছোটদের ছহীহ আক্বীদা শিক্ষা\'। এটিকে প্রাথমিক স্তরের ৫টি শ্রেণির জন্য প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি, তৃতীয় শ্রেণি, চতুর্থ শ্রেণি ও পঞ্চাম | শ্রেণি- এভাবে সাজানো হয়েছিলো। সাধারণ জনগণের এর প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে বইটি সবার জন্য ছাপার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং এর নাম পরিবর্তন করে রাখি, প্রশ্নোত্তরে সহজ \'আক্বীদা শিক্ষা\'। বইটিকে শ্রেণি হিসাবে না সাজিয়ে অধ্যায় আকারে পুনঃবিন্যাস করি এবং কিছু প্রশ্নোত্তর যোগ করি। অর্থাৎ প্রথম অধ্যায় প্রথম শ্রেণির জন্য, দ্বিতীয় অধ্যায় দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য... এভাবে। বইটি ছাত্র শুধু নয়, বরং সাধারণ জনগণের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বইটিতে একদিকে যেমন আকীদার মৌলিক বিষয়াবলি তুলে ধরা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি বিষয়গুলোকে প্রশ্নোত্তর আকারে খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। বইটির প্রত্যেকটি বক্তব্য কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত এবং সালাফে ছালেহীন কর্তৃক সমর্থিত। কিন্তু প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ব্যান ও মেধার কথা ভেবে সব উত্তরে দলীল উল্লেখ করা হ্যানি। তবে, পাদটীকায় তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। \'কুতুবে সিত্তাহ\' তথা বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ-এর হাদীছ নম্বরের ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হাদীছ নম্বর অনুসরণ করা হয়েছে।
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books by this author →আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী লেখক আনুমানিক ১৯৮৫ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা (নূরপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাওছার আলী ছিলেন এলাকার নামকরা সৎ, আমানতদার ও পরহেযগার মানুষ। আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী থেকে ২০০১ সালে দাখিল ও ২০০৩ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ২০০৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালেয়ের একাধিক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। একই বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভর্তির সুযোগ পান। অন্যদিকে, একই বছর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর অধীনে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। ফলে সব ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান। সেখান থেকে বি. এ (হাদীছ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ); উচ্চতর ডিপ্লোমা (ইসলামী আইন, রাজনীতি ও বিচারব্যবস্থা) এবং এম. এ (ইসলামের ইতিহাস ও নবী-এর জীবনচরিত) সম্পন্ন করেন। এর বাইরে দেশে ও সউদী আরবে প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণে তিনি প্রশিক্ষণ
View all books →যারতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। ছালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী (ছঃ) ও তার পরিবারের উপর, ছাহাবায়ে কেরাম (র) দের উপর সম্মানিত পাঠক আকীদা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একজন মুসলিম জীবনে যার প্রয়োজন সদা-সর্বদা। একজন মানুষের জীবনে নিঃশ্বাস গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা যেমন, আকীদার প্রয়ো চেয়ে কম নয়। সকল আমলের অন্ধতা-বিক্ষেতা আকীদার উপরই নির্ভর করে। আকীদার শিক্ষা একজন মানুষকে সর্বাপেক্ষা বড় পাদ শিরক থেকে বাঁচাতে পারে। পক্ষান্তরে, এর মৌলিক বিষয়াবলি বিশুদ্ধ না হলে একজন মানুষের অন্যান্য আমল নষ্ট হয়ে যায়। মহান আল্লাহ বলেন, allha pa &dise, \'আর তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি আহি করা হয়েছে যে, যদি তুমি শিরক করো, তাহলে অবশ্যই তোমার আমল নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে - ৩/৩৫)। বিশুদ্ধ আক্বীদাই হচ্ছে একজন মুসলিমের মূলধন কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আজ বিশুদ্ধ আকীদা থেকে বহু দূরে। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা তো বটেই, এমনকি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বিশুদ্ধ আকীদা শিক্ষার কোনো বন্দোবস্ত রাখা হয়নি। এদিকে হানাফী কওমী শিক্ষা ব্যবস্থায় আকীদা শিক্ষার নামে অনেক ক্ষেত্রে আশআরী মাতৃরীদী আক্বীদা শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। কারণ আমাদের হানাফী ভাইয়েরা ইমাম আবু হানীফা এর প্রতি অতিভকি দেখালেও তার আক্বীদা ভারা গ্রহণ করতে পারেনি। আহলেহাদীছ কওমী শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশুদ্ধ আকীদার যথেষ্ট গুরুত্ব থাকলেও বাংলা ভাষায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপযোগী সার্বজনীন কোন আকীদার বই মেলা ভার। সেজন্য, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ, নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী-এর প্রাথমিক স্তরের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ আকীদা শিক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে এই পুস্তিকাটি প্রণয়ন করি। বইটির নাম দিই, \'প্রশ্নোত্তরে ছোটদের ছহীহ আক্বীদা শিক্ষা\'। এটিকে প্রাথমিক স্তরের ৫টি শ্রেণির জন্য প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি, তৃতীয় শ্রেণি, চতুর্থ শ্রেণি ও পঞ্চাম | শ্রেণি- এভাবে সাজানো হয়েছিলো। সাধারণ জনগণের এর প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে বইটি সবার জন্য ছাপার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং এর নাম পরিবর্তন করে রাখি, প্রশ্নোত্তরে সহজ \'আক্বীদা শিক্ষা\'। বইটিকে শ্রেণি হিসাবে না সাজিয়ে অধ্যায় আকারে পুনঃবিন্যাস করি এবং কিছু প্রশ্নোত্তর যোগ করি। অর্থাৎ প্রথম অধ্যায় প্রথম শ্রেণির জন্য, দ্বিতীয় অধ্যায় দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য... এভাবে। বইটি ছাত্র শুধু নয়, বরং সাধারণ জনগণের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বইটিতে একদিকে যেমন আকীদার মৌলিক বিষয়াবলি তুলে ধরা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি বিষয়গুলোকে প্রশ্নোত্তর আকারে খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। বইটির প্রত্যেকটি বক্তব্য কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত এবং সালাফে ছালেহীন কর্তৃক সমর্থিত। কিন্তু প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ব্যান ও মেধার কথা ভেবে সব উত্তরে দলীল উল্লেখ করা হ্যানি। তবে, পাদটীকায় তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। \'কুতুবে সিত্তাহ\' তথা বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ-এর হাদীছ নম্বরের ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হাদীছ নম্বর অনুসরণ করা হয়েছে।









