
সায়েদনায়া (হার্ডকভার)
বাশার আল আসাদের শাসনের শেষ অধ্যায়ের নৃশংসতার লোমহর্ষক কাহিনী
Select an Option
বাশার আল আসাদের শাসনের শেষ অধ্যায়ের নৃশংসতার লোমহর্ষক কাহিনী
Related Products
সিরিয়ার স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন করে আলোচনায় আসে সায়েদনায়া। সায়েদনায়া হচ্ছে—সিরিয়ার ফ্যাসিস্ট শাসক বাশার আল আসাদের তৈরি কারাগার। কারাগার তো নয়— মানব কসাইখানা। বাশার নিজ ক্ষমতার জোরে গুম, অত্যাচার নিরপরাধ মানুষদের বছরের পর পর বন্দি করে রাখতো সায়েনায়ায়। নিজের মতের বিপক্ষে মতামত পেশ করলে কিংবা কথা তুললেই তাকে গুম করা হতো। কারণে অকারণে আটক করে ফেলে রাখতো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। দিনের পর দিন জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতো তাদের উপর। টর্চার সেলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের মুখোমুখি করতো। ক্ষুধার জ্বালা, পিপাসার যন্ত্রণায় ছটফট করতো সেইসব বন্দিরা। এক ফোঁটা পানি দেওয়ারও নির্দেশ ছিলো না বাশার আল আসাদের পক্ষ থেকে। শারিরীক-মানসিক এমন কোনো নির্যাতনের সিস্টেম বাকি ছিল না যা বন্দিদের উপর প্রয়োগ হয়নি। একদিকে পাশবিক নির্যাতন; আরেকদিকে ক্ষুধা ও পিপাসার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সময়ে সময়ে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ্য বন্দি। এমনই বিভীষিকাময় ভয়াল বন্দিদের জবানবন্দি ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে মূল বইটিতে। বইটি ২০১৯ সালে সিরিয়ার একটা সংঘটনের পক্ষ থেকে সংকলন করা হয়। একেকটি সাক্ষ্য পড়ার সময় চোখের অশ্রু সংবরন করা বড় দায়! মন উতলা হয়ে ওঠে মাজলুম কয়েদিদের জন্য। তাই পড়ুন বাশারের নৃশংসতার শেষ অধ্যায়। খুলে বসুন সেই বিভীষিকাময় গল্পের দাস্তান। হাতড়ে আসুন সেই লোমহর্ষক কাহিনির উপাখ্যান।
সিরিয়ার স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন করে আলোচনায় আসে সায়েদনায়া। সায়েদনায়া হচ্ছে—সিরিয়ার ফ্যাসিস্ট শাসক বাশার আল আসাদের তৈরি কারাগার। কারাগার তো নয়— মানব কসাইখানা। বাশার নিজ ক্ষমতার জোরে গুম, অত্যাচার নিরপরাধ মানুষদের বছরের পর পর বন্দি করে রাখতো সায়েনায়ায়। নিজের মতের বিপক্ষে মতামত পেশ করলে কিংবা কথা তুললেই তাকে গুম করা হতো। কারণে অকারণে আটক করে ফেলে রাখতো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। দিনের পর দিন জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতো তাদের উপর। টর্চার সেলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের মুখোমুখি করতো। ক্ষুধার জ্বালা, পিপাসার যন্ত্রণায় ছটফট করতো সেইসব বন্দিরা। এক ফোঁটা পানি দেওয়ারও নির্দেশ ছিলো না বাশার আল আসাদের পক্ষ থেকে। শারিরীক-মানসিক এমন কোনো নির্যাতনের সিস্টেম বাকি ছিল না যা বন্দিদের উপর প্রয়োগ হয়নি। একদিকে পাশবিক নির্যাতন; আরেকদিকে ক্ষুধা ও পিপাসার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সময়ে সময়ে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ্য বন্দি। এমনই বিভীষিকাময় ভয়াল বন্দিদের জবানবন্দি ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে মূল বইটিতে। বইটি ২০১৯ সালে সিরিয়ার একটা সংঘটনের পক্ষ থেকে সংকলন করা হয়। একেকটি সাক্ষ্য পড়ার সময় চোখের অশ্রু সংবরন করা বড় দায়! মন উতলা হয়ে ওঠে মাজলুম কয়েদিদের জন্য। তাই পড়ুন বাশারের নৃশংসতার শেষ অধ্যায়। খুলে বসুন সেই বিভীষিকাময় গল্পের দাস্তান। হাতড়ে আসুন সেই লোমহর্ষক কাহিনির উপাখ্যান।









