
শরীয়তের আলোকে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন (হার্ডকভার)
Related Products

ইসলামের দৃষ্টিতে দাড়ি ও তার পরিমাণ (হার্ডকভার)
মাওলানা সাঈদ আহমদ

বিবাহ: আহকাম ও মাসায়েল (হার্ডকভার)
জুবাইর আহমদ আশরাফ

হালাল-হারামের বিধান (হার্ডকভার)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক-জীবনঘনিষ্ঠ এমন অসংখ্য বিষয়ের বাস্তবধর্মী আলোচনা

শর‘য়ী বিধান : মূলনীতি ও প্রয়োগ (পেপারব্যাক)
ড. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন

মুমিন জীবনে পরিবার (পেপারব্যাক)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি

মানবদেহের শরয়ী বিধান (হার্ডকভার)
আল্লামা মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী রহমতুল্লাহি আলাইহি

মহিলারা নামায পড়বে কোথায় (পেপারব্যাক)
মাওলানা আতাউল কারীম মাকসুদ
বইটিতে নারীদের নামায আদায়ের স্থান নিয়ে প্রচলিত বিভ্রান্তি ও প্রশ্নের সুস্পষ্ট সমাধান তুলে ধরা হয়েছে।

ফেমিনিস্ট প্রোপাগান্ডা (হার্ডকভার)
বব লুইস
ইসলাম সকল ক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে বিয়ের বিধানাবলিকে সুষম, সাবলীল, সহজ ও সুন্দর করেছে। কিন্তু বর্তমান মুসলিম সমাজে অন্যান্য বিষয়ের মতো পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও সীমালঙ্ঘন করে চলছে। একদিকে সাধারণ মানুষ পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শরীয়তের কোনো সীমারেখাই রক্ষা করছে না। ফলে ইসলামের এ সুন্দর বিধানটির সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে। অন্য দিকে কিছুসংখ্যক দীনদার ব্যক্তি পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে দেখার সুযোগ দেওয়াকেও শরীয়ত পরিপন্থি মনে করছেন। ফলে সহজ ও সুন্দর বিধানটি রুপান্তরিত হচ্ছে কঠিন ও জটিল বিধানে, যা তাদেরকে এ-বিধানের অন্তর্নিহিত কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করছে। প্রথম পক্ষ যা করছেন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণে তা যে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বস্তুত তারা নামে মুসলমান হলেও তাদের অন্তরে ঈমান কতটুকু আছে, আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। তবে দ্বিতীয় পক্ষ যে মত পোষণ করেন, সে ব্যাপারে শরীয়তের দিক-নির্দেশনা ও বক্তব্য কী? তারা যা করছেন, তা-ই কি শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি? না উভয় পক্ষের মাঝামাঝি শরীয়তে কোনো মধ্যপন্থা বিদ্যমান রয়েছে তা জানাই আমাদের এ আলোচনার মুখ্য উদ্দেশ্য।
ইসলাম সকল ক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে বিয়ের বিধানাবলিকে সুষম, সাবলীল, সহজ ও সুন্দর করেছে। কিন্তু বর্তমান মুসলিম সমাজে অন্যান্য বিষয়ের মতো পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও সীমালঙ্ঘন করে চলছে। একদিকে সাধারণ মানুষ পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শরীয়তের কোনো সীমারেখাই রক্ষা করছে না। ফলে ইসলামের এ সুন্দর বিধানটির সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে। অন্য দিকে কিছুসংখ্যক দীনদার ব্যক্তি পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে দেখার সুযোগ দেওয়াকেও শরীয়ত পরিপন্থি মনে করছেন। ফলে সহজ ও সুন্দর বিধানটি রুপান্তরিত হচ্ছে কঠিন ও জটিল বিধানে, যা তাদেরকে এ-বিধানের অন্তর্নিহিত কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করছে। প্রথম পক্ষ যা করছেন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণে তা যে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বস্তুত তারা নামে মুসলমান হলেও তাদের অন্তরে ঈমান কতটুকু আছে, আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। তবে দ্বিতীয় পক্ষ যে মত পোষণ করেন, সে ব্যাপারে শরীয়তের দিক-নির্দেশনা ও বক্তব্য কী? তারা যা করছেন, তা-ই কি শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি? না উভয় পক্ষের মাঝামাঝি শরীয়তে কোনো মধ্যপন্থা বিদ্যমান রয়েছে তা জানাই আমাদের এ আলোচনার মুখ্য উদ্দেশ্য।

