
উপদেশ (হার্ডকভার)
Related Products

আমার দুআ আমার যিকর (হার্ডকভার)
শিশুরা রঙিন ও সুন্দর ছবি দেখে আনন্দ পায় বিধায় সহজেই তাদেরকে শেখানো যায়। তাই রঙিন ছবি ও সুন্দর ডিজাইনে ‘ উপস্থাপিত হয়েছে

কিমিয়ায়ে সা’আদাত: ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)
কিমিয়ায়ে সা’আদাত—ইমাম গাজালী রহ.–র সর্বাধিক প্রসিদ্ধ আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলোর একটি, ১ম খন্ডে আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
উপদেশ’ কথাটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য। মানব সৃষ্টির মূলে উদ্দেশ্য স্রষ্টার ইবাদত করা। সেই স্রষ্টার প্রতি সৃষ্টির কর্তব্য কী তা আমরা অজি ভুলতে বসেছি। ইলাহী বিধানের বাস্তবরূপ ব্যক্তিজীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে রাসূল ছা.-এর আদর্শে। অথচ মুসলিম উম্মাহ আজ সিরাতে নববী থেকে বিচ্যুত হয়ে অলী-বুজুর্গ ও আকাবিরে দ্বীনের অন্ধ অনুকরণে গা ভাসিয়ে দিয়েছে। নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবােধের অবক্ষয়ের কারণে মানুষের আন্তঃব্যক্তিক ও সামাজিক সম্পর্কে চিড় ধরেছে ও মানবাধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে। সরলপ্রাণ আপামর জনগােষ্ঠীর মনাে-ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে ধর্মগুরুদের পুঁজিপতি হওয়ার বাসনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে ওয়াযের মাঠে ওয়ায়েযগণ কুরআন-সুন্নাহর পরিবর্তে অবতারণা করছেন যত সব অলৌকিক লােককাহিনীর। বুকশপ, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, ফুটপাথসহ নানা যানবাহনে ফেরিওয়ালাদের কাছে থেকে সাধারণ মানুষ ইসলামী বই কিনে প্রকৃত ইসলামের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে সাধারণ মানুষ ও ওয়ায়েযীনের জন্য দিক-নির্দেশনামূলক উপদেশ’ নামক গ্রন্থটি রচনার ক্ষুদ্র প্রয়াস। এটি সমুদ্রতটে নুড়ি কুড়াবার মতাে। এর বৃহদকার্যের দায়িত্ব রয়ে গেল পরবর্তী প্রজন্মের উপর। বর্তমান প্রজন্ম এর দ্বারা সামান্য উপকৃত হলে আমাদের শ্রম স্বার্থক হবে ইনশাআল্লাহ।
আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books by this author →আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
চেয়ারম্যান, নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন পরিচালক, আল-জামি\'আহ আস-সালাফিয়্যাহ নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী । জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত করেন।
View all books →উপদেশ’ কথাটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য। মানব সৃষ্টির মূলে উদ্দেশ্য স্রষ্টার ইবাদত করা। সেই স্রষ্টার প্রতি সৃষ্টির কর্তব্য কী তা আমরা অজি ভুলতে বসেছি। ইলাহী বিধানের বাস্তবরূপ ব্যক্তিজীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে রাসূল ছা.-এর আদর্শে। অথচ মুসলিম উম্মাহ আজ সিরাতে নববী থেকে বিচ্যুত হয়ে অলী-বুজুর্গ ও আকাবিরে দ্বীনের অন্ধ অনুকরণে গা ভাসিয়ে দিয়েছে। নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবােধের অবক্ষয়ের কারণে মানুষের আন্তঃব্যক্তিক ও সামাজিক সম্পর্কে চিড় ধরেছে ও মানবাধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে। সরলপ্রাণ আপামর জনগােষ্ঠীর মনাে-ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে ধর্মগুরুদের পুঁজিপতি হওয়ার বাসনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে ওয়াযের মাঠে ওয়ায়েযগণ কুরআন-সুন্নাহর পরিবর্তে অবতারণা করছেন যত সব অলৌকিক লােককাহিনীর। বুকশপ, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, ফুটপাথসহ নানা যানবাহনে ফেরিওয়ালাদের কাছে থেকে সাধারণ মানুষ ইসলামী বই কিনে প্রকৃত ইসলামের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে সাধারণ মানুষ ও ওয়ায়েযীনের জন্য দিক-নির্দেশনামূলক উপদেশ’ নামক গ্রন্থটি রচনার ক্ষুদ্র প্রয়াস। এটি সমুদ্রতটে নুড়ি কুড়াবার মতাে। এর বৃহদকার্যের দায়িত্ব রয়ে গেল পরবর্তী প্রজন্মের উপর। বর্তমান প্রজন্ম এর দ্বারা সামান্য উপকৃত হলে আমাদের শ্রম স্বার্থক হবে ইনশাআল্লাহ।







