
হুসাইন ইবনু আলি রা. (হার্ডকভার)
Related Products

আবু বকর সিদ্দিক রা. (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে পরিশীলিত, গভীর এবং অনুপ্রেরণামূলক একটি কাজ

আলি ইবনু আবি তালিব রা. (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি

মহৎ প্রাণের সান্নিধ্যে - তৃতীয় খণ্ড (হার্ডকভার)
ইসলামি ইতিহাসের বিখ্যাত আলেম, দাঈ, মুজাহিদ, সুফি এবং নন্দিত ব্যক্তিত্বদের জীবন-প্রবাহ, চরিত্র, আদর্শ ও কর্মধারার অনুপ্রেরণামূলক সংগ্রহ।

শাসকের সামনে সত্য উচ্চারণের ইতিহাস (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবির লেখা এই গ্রন্থে রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর প্রিয় নাতি, সাহস, ন্যায় ও ত্যাগের প্রতীক—হুসাইন ইবনু আলি (রা.)–এর জীবনকে অত্যন্ত গবেষণাধর্মী ও হৃদয়স্পর্শীভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি শুধুমাত্র কারবালার ঘটনা নয়; বরং তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্ব, আদর্শ, নৈতিক দৃঢ়তা এবং উম্মাহর সামনে দাঁড়ানো ঐতিহাসিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিত বোঝাতে একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল। লেখক প্রথমে হুসাইন (রা.)–এর শৈশব, নবিজি ﷺ–এর স্নেহ-লালন, উম্মাহর শ্রেষ্ঠ চরিত্রগুলো—আলী (রা.), ফাতিমা (রা.), হাসান (রা.)–এর সান্নিধ্য, এবং ইসলামের আদর্শ পরিবারের মধ্যে তাঁর ব্যক্তিত্বের গঠন বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন। এরপর আলী (রা.)–এর খেলাফতের সময়, উম্মাহর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইয়াজিদের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পর মুসলিম সমাজে সৃষ্ট বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। গ্রন্থটির কেন্দ্রীয় অংশে কারবালার মহা ঘটনা বিশদ ও নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্রের আলোকে বিবৃত হয়েছে। লেখক দেখিয়েছেন—কিভাবে হুসাইন (রা.) অন্যায়, জুলুম ও বর্ণহীন রাজতন্ত্রের কাছে মাথানত করেননি। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তাঁর অটল সিদ্ধান্ত, পরিবারসহ রওনা হওয়া, পথিমধ্যে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা এবং কারবালার প্রান্তরে তাঁর মহান শাহাদাত অত্যন্ত ব্যাখ্যামূলক ও আবেগপূর্ণ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। বইটি কারবালার ঘটনাকে অতিরঞ্জিত আবেগ বা অনৈতিহাসিক কাহিনির বাইরে রেখে খাঁটি, গবেষণাবহুল, মধ্যপন্থী বিশ্লেষণের মাধ্যমে হুসাইন (রা.)–এর ত্যাগের প্রকৃত অর্থ ব্যাখ্যা করে: ন্যায়ের পথে দৃঢ় থাকা, অন্যায়ের সামনে নতি স্বীকার না করা, এবং সত্যের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা। শেষ অংশে লেখক হুসাইন (রা.)–এর আধ্যাত্মিকতা, ইবাদত, নৈতিক গুণাবলি, উদারতা এবং তাঁর শাহাদাতের পর বিশ্বের মুসলিম সমাজে যে প্রভাব সৃষ্টি হয়, তা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটি ইতিহাস, শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত ও আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার একটি সম্মিলিত গ্রন্থ। হুসাইন (রা.)–এর জীবনের আলোকে ন্যায়, দৃঢ়তা এবং ঈমানের শক্তি বোঝার জন্য এটি এক অমূল্য পাঠ্য।
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books by this author →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। — সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০
View all books →ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবির লেখা এই গ্রন্থে রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর প্রিয় নাতি, সাহস, ন্যায় ও ত্যাগের প্রতীক—হুসাইন ইবনু আলি (রা.)–এর জীবনকে অত্যন্ত গবেষণাধর্মী ও হৃদয়স্পর্শীভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি শুধুমাত্র কারবালার ঘটনা নয়; বরং তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্ব, আদর্শ, নৈতিক দৃঢ়তা এবং উম্মাহর সামনে দাঁড়ানো ঐতিহাসিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিত বোঝাতে একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল। লেখক প্রথমে হুসাইন (রা.)–এর শৈশব, নবিজি ﷺ–এর স্নেহ-লালন, উম্মাহর শ্রেষ্ঠ চরিত্রগুলো—আলী (রা.), ফাতিমা (রা.), হাসান (রা.)–এর সান্নিধ্য, এবং ইসলামের আদর্শ পরিবারের মধ্যে তাঁর ব্যক্তিত্বের গঠন বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন। এরপর আলী (রা.)–এর খেলাফতের সময়, উম্মাহর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইয়াজিদের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পর মুসলিম সমাজে সৃষ্ট বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। গ্রন্থটির কেন্দ্রীয় অংশে কারবালার মহা ঘটনা বিশদ ও নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্রের আলোকে বিবৃত হয়েছে। লেখক দেখিয়েছেন—কিভাবে হুসাইন (রা.) অন্যায়, জুলুম ও বর্ণহীন রাজতন্ত্রের কাছে মাথানত করেননি। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তাঁর অটল সিদ্ধান্ত, পরিবারসহ রওনা হওয়া, পথিমধ্যে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা এবং কারবালার প্রান্তরে তাঁর মহান শাহাদাত অত্যন্ত ব্যাখ্যামূলক ও আবেগপূর্ণ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। বইটি কারবালার ঘটনাকে অতিরঞ্জিত আবেগ বা অনৈতিহাসিক কাহিনির বাইরে রেখে খাঁটি, গবেষণাবহুল, মধ্যপন্থী বিশ্লেষণের মাধ্যমে হুসাইন (রা.)–এর ত্যাগের প্রকৃত অর্থ ব্যাখ্যা করে: ন্যায়ের পথে দৃঢ় থাকা, অন্যায়ের সামনে নতি স্বীকার না করা, এবং সত্যের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা। শেষ অংশে লেখক হুসাইন (রা.)–এর আধ্যাত্মিকতা, ইবাদত, নৈতিক গুণাবলি, উদারতা এবং তাঁর শাহাদাতের পর বিশ্বের মুসলিম সমাজে যে প্রভাব সৃষ্টি হয়, তা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটি ইতিহাস, শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত ও আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার একটি সম্মিলিত গ্রন্থ। হুসাইন (রা.)–এর জীবনের আলোকে ন্যায়, দৃঢ়তা এবং ঈমানের শক্তি বোঝার জন্য এটি এক অমূল্য পাঠ্য।





