
কাঁটা ও কারানফুল (হার্ডকভার)
Related Products

অপারেশন ফারাক্কা (হার্ডকভার)
এটি ডুয়েইন ইভান্সের রচিত মুল বই 'North from Calcutta' বই এর অনুবাদ। পাঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামরিক স্ট্র্যাটেজির জটিল দিকগুলো সহজে বুঝতে পারবেন

দ্য প্যান্থার (সুলতান রুকনুদ্দিন বাইবার্স) (হার্ডকভার)

বায়তুল মাকদিস ও ফিলিস্তিনের ইতিহাস (হার্ডকভার)

সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি (দুই খণ্ড) (হার্ডকভার)
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি
ইয়াহইয়া সিনওয়ারের আশ-শাওক ওয়াল- কারানফুল-এর তরজমা কাঁটা ও কারানফুল। খুবই বিচিত্র ধরনের বই এটি। নিঃশেষে সাহিত্যের কোনো শ্রেণিতে ফেলা যায় না। উপন্যাস, ইতিহাস, নাকি আত্মজীবনী? হয়তো হুবহু কোনোটিই নয়, অথবা তিনটিই। ঘটনার প্রবাহ ও আঙ্গিক উপন্যাসের; কিন্তু তা উপন্যাসের মতো কল্পনাশ্রয়ী নয়, বরং ইতিহাসের মতো সত্যাশ্রয়ী; সর্বোপরি সেই ঘটনাপ্রবাহ বিবৃত হয় লেখকের জবানিতে, তাঁরই আদ্যন্ত আত্মজীবন ঘিরে। এভাবেই একটি মিশ্রিত ও ত্রিমাত্রিক চেহারা পেয়েছে বইটি। বইটি প্রকাশের পরপরই ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে। এর কারণ সম্ভবত, যদি উপন্যাস বলি, তবে তার লেখক কোনো শৌখিন ঔপন্যাসিক নন। যুদ্ধের ময়দানের রক্তস্রোত ও অগ্নিঝড়ে আজীবন নেতৃত্ব দিয়ে চলা এক দুঃসাহসী সেনাপতি তিনি। ইসরাইলের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘খান ইউনিসের জল্লাদ’ নামে। ইয়াহুদি শত্রুদের নিশ্ছিদ্র কারাগারে বন্দি ছিলেন টানা ২৩ বছর। ইশেল কারাগারের কঠিন প্রহরা ফাঁকি দিয়ে কীভাবে তিনি এত বড় বই লিখলেন এবং তা বাইরে পাঠালেন, সে এক নিরুত্তর বিস্ময়। গল্প বলতে শুরু করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরের উদ্বাস্তু পরিবারের পাঁচ বছরের এক শিশু, যখন সে যুদ্ধের তাণ্ডব থেকে বাঁচতে তার পরিবারের সঙ্গে ঠাঁই নেয় ভূগর্ভের অন্ধকার গর্তে। পাতার পর পাতা জুড়ে সে এঁকে চলে তার কঠিন জীবনযুদ্ধের ছবি। নির্বাসন, দারিদ্র্য, কারফিউ, আতঙ্ক, পড়ালেখা, নিপীড়ন, নৃশংসতা, শোক, উচ্ছেদ, ধ্বংসস্তূপ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতিরোধ, যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের এক শ্বাসরুদ্ধকর আখ্যান এ বই। সে আখ্যান এমনই জীবন্ত, পড়তে পড়তে মনে হবে আপনি নিজের চোখেই দেখতে পাচ্ছেন মাথা-নত-না করা এক অকুতোভয় জনগোষ্ঠীর আজাদির লড়াই। থেকে থেকে সচকিত হবেন শহিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ারের প্রত্যয়ী অভিজ্ঞান ও তাঁর অন্তর্দৃষ্টির আলোকচ্ছটায়।
ইয়াহইয়া সিনওয়ারের আশ-শাওক ওয়াল- কারানফুল-এর তরজমা কাঁটা ও কারানফুল। খুবই বিচিত্র ধরনের বই এটি। নিঃশেষে সাহিত্যের কোনো শ্রেণিতে ফেলা যায় না। উপন্যাস, ইতিহাস, নাকি আত্মজীবনী? হয়তো হুবহু কোনোটিই নয়, অথবা তিনটিই। ঘটনার প্রবাহ ও আঙ্গিক উপন্যাসের; কিন্তু তা উপন্যাসের মতো কল্পনাশ্রয়ী নয়, বরং ইতিহাসের মতো সত্যাশ্রয়ী; সর্বোপরি সেই ঘটনাপ্রবাহ বিবৃত হয় লেখকের জবানিতে, তাঁরই আদ্যন্ত আত্মজীবন ঘিরে। এভাবেই একটি মিশ্রিত ও ত্রিমাত্রিক চেহারা পেয়েছে বইটি। বইটি প্রকাশের পরপরই ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে। এর কারণ সম্ভবত, যদি উপন্যাস বলি, তবে তার লেখক কোনো শৌখিন ঔপন্যাসিক নন। যুদ্ধের ময়দানের রক্তস্রোত ও অগ্নিঝড়ে আজীবন নেতৃত্ব দিয়ে চলা এক দুঃসাহসী সেনাপতি তিনি। ইসরাইলের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘খান ইউনিসের জল্লাদ’ নামে। ইয়াহুদি শত্রুদের নিশ্ছিদ্র কারাগারে বন্দি ছিলেন টানা ২৩ বছর। ইশেল কারাগারের কঠিন প্রহরা ফাঁকি দিয়ে কীভাবে তিনি এত বড় বই লিখলেন এবং তা বাইরে পাঠালেন, সে এক নিরুত্তর বিস্ময়। গল্প বলতে শুরু করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরের উদ্বাস্তু পরিবারের পাঁচ বছরের এক শিশু, যখন সে যুদ্ধের তাণ্ডব থেকে বাঁচতে তার পরিবারের সঙ্গে ঠাঁই নেয় ভূগর্ভের অন্ধকার গর্তে। পাতার পর পাতা জুড়ে সে এঁকে চলে তার কঠিন জীবনযুদ্ধের ছবি। নির্বাসন, দারিদ্র্য, কারফিউ, আতঙ্ক, পড়ালেখা, নিপীড়ন, নৃশংসতা, শোক, উচ্ছেদ, ধ্বংসস্তূপ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতিরোধ, যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের এক শ্বাসরুদ্ধকর আখ্যান এ বই। সে আখ্যান এমনই জীবন্ত, পড়তে পড়তে মনে হবে আপনি নিজের চোখেই দেখতে পাচ্ছেন মাথা-নত-না করা এক অকুতোভয় জনগোষ্ঠীর আজাদির লড়াই। থেকে থেকে সচকিত হবেন শহিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ারের প্রত্যয়ী অভিজ্ঞান ও তাঁর অন্তর্দৃষ্টির আলোকচ্ছটায়।





