
সমাজ সংশোধনের দিক নির্দেশনা (হার্ডকভার)
Related Products

কিয়ামত আসবে যখন (হার্ডকভার)
মাওলানা মুহাম্মদ নাঈম (হাফিজাহুল্লাহ)

তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া (হার্ডকভার)
মোস্তফা মনজুর

দাজ্জাল চিনুন নিরাপদ থাকুন (হার্ডকভার)
ইমাম আব্দুল গণী মাকদিসি রহ

আধুনিক জাহেলিয়াত (হার্ডকভার)
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ হুমায়ুন কবির

ইসলাম আপনাকে যেভাবে দেখতে চায় (পেপারব্যাক)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
[একজন আদর্শ মুসলিমের পূর্ণাঙ্গ রূপ]

ইসলামি চেতনা (হার্ডকভার)
ড. ইউসুফ আল কারজাভি
[বয়ঃসন্ধি থেকে প্রৌঢ়ত্ব পর্য়ন্ত ইসলামের রূপ]

আল কুরআনের কাব্যানুবাদ - প্রিমিয়াম (হার্ডকভার)
মুহিব খান

আল-আদাবুল মুফরাদ (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড) (হার্ডকভার)
বিংশ শতাব্দীর এই আধুনিক পৃথিবীতে মনুষ্যসভ্যতার সবচেয়ে বড় সংকট সম্ভবত উন্মাতাল অশ্লীলতা। এর পেছনে মূল দায়ী যদিও পুঁজিবাদ—কিন্তু দিনশেষে পুঁজিবাদের অস্ত্র ও টার্গেট তো আমরাই। একটা সমাজকে অসভ্য করতে যা যা প্রয়োজন, পুঁজিবাদ আমাদের মাঝে সগর্বে সেসব ছড়িয়ে দিচ্ছে, আর বোকার মতো আমরাও সেটাকে জীবন ও কালচার ভেবে আঁকড়ে ধরছি! পরিণামে জীবন ও মানবতা হয়ে পড়ছে ভঙ্গুর, সমাজের আদর্শিক সৌন্দর্য পুড়ে হচ্ছে ছাই, জীবন ও যাপনের সব দিকে ছড়িয়ে পড়ছে অনৈতিকতা, পাপাচার আর উন্মাতল যৌনতা। এইসব ধ্বংস ও ধ্বংস্তুপ থেকে মুসলিম উম্মাহকে ফিরিয়ে আনতে যে কজন মনীষী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের অন্যতম জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানি। ‘সমাজ সংশোধনের দিকনির্দেশনা’ শিরোনামে সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে মাসিক আল বালাগে নিয়মিত যেসব লেখা লিখতেন, সেগুলোই প্রথমে উরদুতে সংকলন হয়ে, তারপর বাংলাভাষাভাষীদের জন্য এ গ্রন্থের প্রয়াস নেয় সম্ভ্রান্ত প্রকাশনা রাহনুমা প্রকাশনী। একটি সমাজের ধর্মীয় ও স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার নেপথ্য কারণগুলোর বিশেষ কিছু কারণকে আলাদা করে কয়েকটি শিরোনামে বইটি পাঠকের দোরগোরায় হাজির হয়েছে নষ্ট-হওয়া সমাজ সংশোধনের ময়নাতদন্ত নিয়ে। প্রথম দিকে আলোচনা শুরু করা হয়েছে অশ্লীলতার সয়লাব ও নাচ-গানের ভয়াবহতা নিয়ে। প্রতিজন মুসলিমমাত্রই কিন্তু জানেন, এ দুটির ভয়াবহতা; সমাজে এর মর্মান্তিক ছোঁয়া ও সমাজ ধ্বংসে এর কী এগ্রেসিভ মনোভাব! লেখক কুরআন ও হাদিসের টেক্সটের মাধ্যমে এইসব অশ্লীলতার ভয়াবহতা তুলে ধরে সমাজ সংশোধনের নববি ভাষ্য তুলে ধরেছেন একান্ত হৃদ্যতার সাথে। একটা সমাজে কীভাবে বেহায়াপনা ছড়িয়ে পড়ে, কীভাবে মানুষ এটাতে মনস্তাত্বিকভাবে গ্রাস হয়, অঃতপর সে কীভাবে এইসব থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে, এরও সহজ সমাধান বলে দিয়েছেন তিনি। লেখার শেষে অশ্লীলতার পার্থিব যে শাস্তি—এইডস, তা নিয়েও পাঠকের মুখোমুখি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা নিয়ে হাজির হয়েছেন; পাশাপাশি মানজীবনে ক্রীড়া-বিনোদনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ধর্মীয় যে বয়ান, তাও স্পষ্ট করেছেন, যেন সমাজে ছড়িয়ে-পড়া প্রতিটি অবক্ষয় সম্পর্কে মানুষ সচেতন হতে পারে। এমনিতে একটি সমাজ নষ্ট হওয়ার পেছনে যাদের অবদান তুলনামূলক বেশি, যেমন : বিনোদন ও জাতীয় পত্র-পত্রিকার সম্পাদক, ফিল্মমেকার কিংবা সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিতে যারা বড় ভূমিকা রাখে, তাদেরকে সতর্কবার্তার পাশাপাশি আল্লাহর বিধান সম্পর্কেও জানিয়ে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত উঠে এসেছে নারীর অধিকার ও পর্দার প্রশ্ন, যা বর্তমান সময়ে মুখ্য সমস্যাগুলোর একটি! নারী-অধিকার সংস্থার কিছু রিপোর্ট তুলে ধরে সরকারি ব্যবস্থা ও পর্দা নিয়েও জরুরি কিছু কথাবার্তা বলেছেন—যা একদিকে ইসলাহি বয়ান, অন্যদিকে ধর্মীয় আদর্শের পথ ও পন্থা। একজন মুসলিম নারীর জীবনে পর্দার বাস্তবতা ও সাংসারিক জীবনের খুঁটিনাটিকে মুখ্য করে যেসব সমস্যায় পড়তে হয়, তারও কিছু নমুনা তুলে ধরে এর পরিত্রাণের পথরেখা দেখিয়ে দিয়েছেন; বাতলেছেন সুন্নতি জীবনের ত্যাগ ও মহিমার ভাষ্য। পরিশেষে ফিল্ম নিয়ে বৈশ্বিক কিছু ঘটনা তুলে ধরে এর কারণে যে ইসলামি নিদর্শের গুরুতর অবমাননা হয়, তা নিয়েও পাঠককে সতর্ক করেছেন। ঘুণেধরা এই সমাজটা নিয়ে যারা ভাবেন কিংবা যারা না থাকলে পৃথিবীর ধ্বংস আরও ত্বরান্বিত হয়ে যেত, তাদের অন্যতম জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানি। সমাজের অবক্ষয়গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত এই মনীষী দুহাতে কাজ করে যাচ্ছেন। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিও তার সেইসব প্রয়াসের অংশ। মাসিক আল বালাগে ধারাবাহিক ছাপা-হওয়া এই লেখাগুলো প্রথমে উরদুতে সংকলিত হয়ে পরে মাওলানা শফিকুল ইসলামের হাত ধরে বাংলায়ন হয়। আশা করছি, সমাজ সংশোধন নিয়ে যারা ভাবেন, এর থেকে বাঁচার পথ ও পরিক্রমা খোঁজেন—তাদের জন্য এই গ্রন্থটি একটি আলোকমশাল হবে।

মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানী (হাফিজাহুল্লাহ)
মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানী (হাফিজাহুল্লাহ) একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি সুন্নি ইসলামি পণ্ডিত, যিনি ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরীয়ত আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। তিনি জামিয়া দারুল উলুম করাচির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাইখুল হাদিস এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকাহ একাডেমির সদস্য। ১৯৪৩ সালে ভারতের দেওবন্দে জন্মগ্রহণকারী এই পণ্ডিত বর্তমানে পাকিস্তানের একজন প্রভাবশালী ইসলামি ব্যক্তিত্ব। পরিচিতি জন্ম: ১৯৪৩ সালের ৩ অক্টোবর, দেওবন্দ, ভারত। দেশভাগের পর তার পরিবার পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়। শিক্ষা: তিনি ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশা: বিচারক: ১৯৮১ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ফেডারেল শরীয়ত আদালতের বিচারক এবং ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরীয়ত আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। শিক্ষাবিদ ও পণ্ডিত: বর্তমানে জামিয়া দারুল উলুম করাচির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং শাইখুল হাদিস। আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফিকাহ একাডেমির সদস্য: তিনি (OIC) জেদ্দাতে আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকাহ একাডেমির স্থায়ী সদস্য এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। অন্যান্য পদ: তিনি মীজান ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। খ্যাতি: তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব এবং লেখক হিসেবেও পরিচিত, এবং তার অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
View all books by this author →
মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানী (হাফিজাহুল্লাহ)
মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানী (হাফিজাহুল্লাহ) একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি সুন্নি ইসলামি পণ্ডিত, যিনি ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরীয়ত আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। তিনি জামিয়া দারুল উলুম করাচির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাইখুল হাদিস এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকাহ একাডেমির সদস্য। ১৯৪৩ সালে ভারতের দেওবন্দে জন্মগ্রহণকারী এই পণ্ডিত বর্তমানে পাকিস্তানের একজন প্রভাবশালী ইসলামি ব্যক্তিত্ব। পরিচিতি জন্ম: ১৯৪৩ সালের ৩ অক্টোবর, দেওবন্দ, ভারত। দেশভাগের পর তার পরিবার পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়। শিক্ষা: তিনি ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশা: বিচারক: ১৯৮১ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ফেডারেল শরীয়ত আদালতের বিচারক এবং ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরীয়ত আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। শিক্ষাবিদ ও পণ্ডিত: বর্তমানে জামিয়া দারুল উলুম করাচির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং শাইখুল হাদিস। আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফিকাহ একাডেমির সদস্য: তিনি (OIC) জেদ্দাতে আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকাহ একাডেমির স্থায়ী সদস্য এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। অন্যান্য পদ: তিনি মীজান ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। খ্যাতি: তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব এবং লেখক হিসেবেও পরিচিত, এবং তার অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
View all books →বিংশ শতাব্দীর এই আধুনিক পৃথিবীতে মনুষ্যসভ্যতার সবচেয়ে বড় সংকট সম্ভবত উন্মাতাল অশ্লীলতা। এর পেছনে মূল দায়ী যদিও পুঁজিবাদ—কিন্তু দিনশেষে পুঁজিবাদের অস্ত্র ও টার্গেট তো আমরাই। একটা সমাজকে অসভ্য করতে যা যা প্রয়োজন, পুঁজিবাদ আমাদের মাঝে সগর্বে সেসব ছড়িয়ে দিচ্ছে, আর বোকার মতো আমরাও সেটাকে জীবন ও কালচার ভেবে আঁকড়ে ধরছি! পরিণামে জীবন ও মানবতা হয়ে পড়ছে ভঙ্গুর, সমাজের আদর্শিক সৌন্দর্য পুড়ে হচ্ছে ছাই, জীবন ও যাপনের সব দিকে ছড়িয়ে পড়ছে অনৈতিকতা, পাপাচার আর উন্মাতল যৌনতা। এইসব ধ্বংস ও ধ্বংস্তুপ থেকে মুসলিম উম্মাহকে ফিরিয়ে আনতে যে কজন মনীষী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের অন্যতম জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানি। ‘সমাজ সংশোধনের দিকনির্দেশনা’ শিরোনামে সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে মাসিক আল বালাগে নিয়মিত যেসব লেখা লিখতেন, সেগুলোই প্রথমে উরদুতে সংকলন হয়ে, তারপর বাংলাভাষাভাষীদের জন্য এ গ্রন্থের প্রয়াস নেয় সম্ভ্রান্ত প্রকাশনা রাহনুমা প্রকাশনী। একটি সমাজের ধর্মীয় ও স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার নেপথ্য কারণগুলোর বিশেষ কিছু কারণকে আলাদা করে কয়েকটি শিরোনামে বইটি পাঠকের দোরগোরায় হাজির হয়েছে নষ্ট-হওয়া সমাজ সংশোধনের ময়নাতদন্ত নিয়ে। প্রথম দিকে আলোচনা শুরু করা হয়েছে অশ্লীলতার সয়লাব ও নাচ-গানের ভয়াবহতা নিয়ে। প্রতিজন মুসলিমমাত্রই কিন্তু জানেন, এ দুটির ভয়াবহতা; সমাজে এর মর্মান্তিক ছোঁয়া ও সমাজ ধ্বংসে এর কী এগ্রেসিভ মনোভাব! লেখক কুরআন ও হাদিসের টেক্সটের মাধ্যমে এইসব অশ্লীলতার ভয়াবহতা তুলে ধরে সমাজ সংশোধনের নববি ভাষ্য তুলে ধরেছেন একান্ত হৃদ্যতার সাথে। একটা সমাজে কীভাবে বেহায়াপনা ছড়িয়ে পড়ে, কীভাবে মানুষ এটাতে মনস্তাত্বিকভাবে গ্রাস হয়, অঃতপর সে কীভাবে এইসব থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে, এরও সহজ সমাধান বলে দিয়েছেন তিনি। লেখার শেষে অশ্লীলতার পার্থিব যে শাস্তি—এইডস, তা নিয়েও পাঠকের মুখোমুখি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা নিয়ে হাজির হয়েছেন; পাশাপাশি মানজীবনে ক্রীড়া-বিনোদনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ধর্মীয় যে বয়ান, তাও স্পষ্ট করেছেন, যেন সমাজে ছড়িয়ে-পড়া প্রতিটি অবক্ষয় সম্পর্কে মানুষ সচেতন হতে পারে। এমনিতে একটি সমাজ নষ্ট হওয়ার পেছনে যাদের অবদান তুলনামূলক বেশি, যেমন : বিনোদন ও জাতীয় পত্র-পত্রিকার সম্পাদক, ফিল্মমেকার কিংবা সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিতে যারা বড় ভূমিকা রাখে, তাদেরকে সতর্কবার্তার পাশাপাশি আল্লাহর বিধান সম্পর্কেও জানিয়ে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত উঠে এসেছে নারীর অধিকার ও পর্দার প্রশ্ন, যা বর্তমান সময়ে মুখ্য সমস্যাগুলোর একটি! নারী-অধিকার সংস্থার কিছু রিপোর্ট তুলে ধরে সরকারি ব্যবস্থা ও পর্দা নিয়েও জরুরি কিছু কথাবার্তা বলেছেন—যা একদিকে ইসলাহি বয়ান, অন্যদিকে ধর্মীয় আদর্শের পথ ও পন্থা। একজন মুসলিম নারীর জীবনে পর্দার বাস্তবতা ও সাংসারিক জীবনের খুঁটিনাটিকে মুখ্য করে যেসব সমস্যায় পড়তে হয়, তারও কিছু নমুনা তুলে ধরে এর পরিত্রাণের পথরেখা দেখিয়ে দিয়েছেন; বাতলেছেন সুন্নতি জীবনের ত্যাগ ও মহিমার ভাষ্য। পরিশেষে ফিল্ম নিয়ে বৈশ্বিক কিছু ঘটনা তুলে ধরে এর কারণে যে ইসলামি নিদর্শের গুরুতর অবমাননা হয়, তা নিয়েও পাঠককে সতর্ক করেছেন। ঘুণেধরা এই সমাজটা নিয়ে যারা ভাবেন কিংবা যারা না থাকলে পৃথিবীর ধ্বংস আরও ত্বরান্বিত হয়ে যেত, তাদের অন্যতম জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানি। সমাজের অবক্ষয়গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত এই মনীষী দুহাতে কাজ করে যাচ্ছেন। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিও তার সেইসব প্রয়াসের অংশ। মাসিক আল বালাগে ধারাবাহিক ছাপা-হওয়া এই লেখাগুলো প্রথমে উরদুতে সংকলিত হয়ে পরে মাওলানা শফিকুল ইসলামের হাত ধরে বাংলায়ন হয়। আশা করছি, সমাজ সংশোধন নিয়ে যারা ভাবেন, এর থেকে বাঁচার পথ ও পরিক্রমা খোঁজেন—তাদের জন্য এই গ্রন্থটি একটি আলোকমশাল হবে।
